September 24, 2018

ক্রসফায়ারে নিহত’ মুকুলের বাবা আ.লীগ নেতা

ঢাকাঃ  পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত পুরস্কার ঘোষিত ছয় জঙ্গির একজন শরিফুলের আসল নাম মুকুল রানার বাবা আবুল কালাম আজাদের দাবি, ‌’আমি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ঢাকায় অন্য কোনো দলের সঙ্গে ছেলে জড়িয়ে পড়েছিল কি না, তা জানা নেই।’

সোমবার সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহড় ইউনিয়নের বালুইগাছা গ্রামে নিজের বাড়িতে বসে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন নিহত মুকুলের বাবা আবুল কালাম আজাদ।

মুকুলের বাবার দাবি, ছেলে মুকুল রানা চলতি বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে নিখোঁজ ছিলেন। ওই দিন সন্ধ্যায় যশোরের বসুন্দিয়া এলাকা থেকে তাকে কে বা কারা তুলে নিয়ে যায়।

আবুল কালাম আজাদের দাবি, ছেলে চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি যশোরের জগন্নাথপুরে বিয়ে করেছেন। তার স্ত্রীর নাম মৌহা আক্তার রিমি। বিয়ের পরে একবার সাতক্ষীরায় বাড়িতে গেছিলেন মুকুল রানা।

এরপর আবার যশোরে শ্বশুরবাড়িতে যান। ২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় যশোরের বসুন্দিয়া এলাকা থেকে তাকে কে বা কারা তুলে নিয়ে যায়। এ ঘটনার তিন-চার দিন পর যশোর কোতোয়ালি থানায় মুকুল রানার শালা আমির হোসেন একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

আবুল কালাম আজাদ জানান, স্কুল-কলেজের সনদে তার ছেলের নাম মুকুল রানা। স্থানীয় লোকজনও তাকে মুকুল রানা নামে চেনেন। তার বয়স ২৩ বছর। তিনি সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের ইংরেজি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। দুই বছর ধরে পড়াশোনা বাদ দিয়েছেন।

আবুল কালাম আজাদ বলেন, তার দুই স্ত্রী। প্রথম স্ত্রী মারা গেছেন। সেই পক্ষে মাসুদ রানা নামের এক ছেলে আছে। তিনি চিংড়ি ঘেরে কাজ করেন। দ্বিতীয় বউয়ের এক ছেলে, এক মেয়ে। ছেলে বড়, মুকুল রানা। মেয়ের নাম শারমীন সুলতানা রিমি। রিমি সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের স্নাতক শ্রেণির ইসলামের ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

নিহত শরিফুলের বোন রিমির দাবি, তার ভাই মুকুল খুব মেধাবী ছিলেন। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় তিনি জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন।

দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডটকম/রিপন/ডেরি ২০ জুন ২০১৬

Related posts