September 24, 2018

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় মরিচ এবং আদা!

মরিচ এবং আদা একযোগে ব্যবহার করা হলে তাতে ক্যান্সার ঠেকানো সম্ভব। এ পদ্ধতিতে ক্যান্সার থেকে সৃষ্ট টিউমারের বৃদ্ধি ঠেকিয়ে দেয়া যায়। ইঁদুরের ওপর চালানো গবেষণা-সমীক্ষার ভিত্তিতে এ দাবি করেছেন চিকিৎসা- বিজ্ঞানীরা।

মরিচের ঝাল সৃষ্টি করে ক্যাপসিসিন নামের রাসায়নিক উপাদান। আমেরিকান কেমিক্যাল সোসাইটি বা এসিএস’র চালানো আগের এক সমীক্ষায় দাবি করা হয়েছিল, এটি টিউমারের বৃদ্ধি ঠেকাতে সহায়তা করে। আর এরই ভিত্তিতে ইঁদুরের ওপর নতুন এ গবেষণা চালানো হয়। এর নেতৃত্ব দেন দুই চিকিৎসা-বিজ্ঞানী জিয়াহুয়ান লি এবং গাংজু দু।

গবেষণায় দেখা গেছে, আদা’র অন্যতম রাসায়নিক উপাদান ৬-জিনজারগোল এবং ক্যাপসিসিন একযোগে ব্যবহার করা হলে তাতে ক্যান্সারের বৃদ্ধি ঠেকে। একযোগে ব্যবহার করা হলে টিউমারের বৃদ্ধির সঙ্গে জড়িত স্পর্শক বা রিসেপ্টরের কার্যকারিতা বন্ধ করে দেয় ৬-জিনজারগোল এবং ক্যাপসিসিন। আর এতে টিউমার বৃদ্ধির পথ বন্ধ হয়ে যায়।

অবশ্য, পৃথিবীর অনেক দেশেই মশলা ছাড়াও স্বাস্থ্য-খাদ্য হিসেবে অনেক কাল থেকে ব্যবহার হচ্ছে আদা । সর্দি-কাশি হলে আদা-চা অনেকেই খেয়ে থাকেন। এ ছাড়া, আদা প্রদাহ ঠেকায় এবং কোষকলাকে উদ্দীপ্ত করে বলেও অনেকেই মনে করেন। আদা’র ঝাঁঝালো গন্ধের জন্য দায়ী রাসায়নিক উপাদান ৬-জিনজারগোল।

নতুন এ গবেষণার পর এখন আদা এবং মরিচের ক্যান্সার ঠেকানোর ক্ষমতা নিয়ে আরো কাজ করতে চাইছেন জিয়াহুয়ান লি এবং গাংজু দু।

Related posts