November 18, 2018

কেমন আছে তোলপাড় করা সেই জুনায়েদ?

03 Apr, 2016, ডেস্ক রিপোর্টঃ ‘স্যার, আমরা নিরাপরাধ, আমাগোরে ছাইড়া দেন।’ আজ (রোববার) বিকেল আনুমানিক সোয়া ৩টায় ধানমন্ডি মডেল থানা পুলিশের একজন কর্মকর্তা যখন হাজতের সামনে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন তখন আটক থাকা তিন আসামির দুইজন গ্রিল ধরে দাঁড়িয়ে তাদের ছেড়ে দেয়ার জন্য ওই কর্মকর্তার কাছে করজোড়ে অনুরোধ করছিলেন।

থানার ওই কর্মকর্তার দৃষ্টি ভেতরে অবস্থানরত অপর এক আসামির দিকে, তাদের দিকে নয়। একটু কোনায় গিয়ে তাকাতেই দেখা গেল ওই আসামি এক কোণায় হাঁটুর নীচে মাথা গুজে বসে আছেন। নাম ধরে বার কয়েক ডাকলেন বড় কর্মকর্তা। সাড়া দিলেন না ওই যুবক, মাথা উঠিয়ে দেখলেনও না। থানা হাজতে গোবেচারা হয়ে বসে থাকা ওই যুবকের নাম জুনায়েদ। ফেসবুকের সেই বহুল আলোচিত জুনায়েদ।

‘আমি জুনায়েদ, মন্ত্রীটন্ত্রী আমার কাছে কিছুই না’ বলে হুঙ্কার ছেড়ে নুরুল্লাহ নামের এক যুবককে কিল, ঘুষি, চড়থাপ্পড় মারা ও নির্যাতনের ভিডিও ফেসবুকে ছেড়ে দেয়া সেই জুনায়েদকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমান্ডে নিয়েছে। তার পর পরই ভয়ে কাতর হয়ে পড়ে সে।

ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নুরে আজম মিয়া বলেন, কিছুক্ষণ আগেই তাকে কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে দুদিনের রিমান্ডে থানায় আনা হয়েছে। এখনও তেমন কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। তিনি সিসিটিভি ক্যামেরায় হাজতের এক কোনায় বিমুর্ষ হয়ে বসে থাকা জুনায়েদকে দেখিয়ে বলেন, একবার কথা হয়েছে তার চোখে পানি দেখেছি। ওই সময় থানায় জুনায়েদের পরিবারের কোনো সদস্য, বন্ধু কিংবা স্বজন কাউকেই দেখা যায়নি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে তদন্ত সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা বলেন, থানা-হাজতের এই জুনায়েদকে দেখে ধানমন্ডি লেকের সেই জুনায়েদকে চেনা যায় না।বন্ধু স্বজন কেউ পাশে নেই তাই ভয়ে কাতর সেই জুনায়েদ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নারী সংক্রান্ত বিষয়াদি নিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে এ কাণ্ড ঘটিয়েছে বলে জানিয়েছে। নিয়মিত ঘুমের ট্যাবলেট খেতো বলেও জানায় জুনায়েদ।

জিজ্ঞাসাবাদে তার কাছ থেকে অভিজাত এলাকার টিনএইজদের লাইফ স্টাইল সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন ওই কর্মকর্তা।জা নি

Related posts