September 23, 2018

কেন এত বেধে যায় কোহলি-গম্ভীরের?

gbnমাঠে কথার লড়াই সব জায়াগাতেই হয়। আন্তর্জাতিক বা ঘরোয়া ক্রিকেট সবখানেই হয় ক্রিকেটারদের ঝগড়াঝাটি। তাই বলে দেশের হয়ে একসঙ্গে লড়াই করা দুজনকেও এতো শত্রু হতে হবে?

আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক বিরাট কোহলি আর কলকাতা নাইট রাইডার্সের নেতৃত্বে থাকা গৌতম গম্ভীরের কথাই বলা হচ্ছে। ভারতের ঘরোয়া টি-টোয়ন্টিতে মাঠে দুই দলের খেলোয়াড়দের কথার লড়াইয়ের বিষয়টি এলে সবার চোখের সামনেই ভেসে উঠবে এ দুজনের যুদ্ধংদেহী হয়ে ওঠার একটি দৃশ্য।

মাঠে কোহলি আর গম্ভীরের এমন কথা কাটাকাটির দৃশ্য আরও অনেক আছে। তবে ২০১৩ সালের আইপিএলে দুজন যেভাবে অগ্নিমূর্তি ধারণ করেছিলেন তেমন নজির আর নেই। মাঠে এ দুজনেরই কেন এত লেগে যায়? আইপিএলের উত্তেজনা, নাকি অন্য কোনো কারণ আছে এর পেছনে? গম্ভীর আইপিএলের উত্তাপের বিষয়টি বাদ দিয়েছেন। কোহলি বা নিজেকেও দুষছেন না! কলকাতার অধিনায়ক সব দায় চাপালেন দিল্লির জল-হাওয়ার ওপর, ‘মাঠে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়কে অপমান করার বিষয়টি স্বভাবগত। এটা দিল্লির সংস্কৃতি। আমি শুধু এটাই বলতে পারি। এটা হয়তো বেশি লড়াকু মনোভাব থেকেই আসে।’

গম্ভীরের যুক্তি একেবারেই কি ফেলনা? দিল্লিতে জন্ম নেওয়া আর দিল্লিরই আলো-বাতাসে বেড়ে ওঠা কোহলি তো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও এমনই। কদিন আগে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজেও তো ক্রিকেট বিশ্ব কোহলির এই রূপটাই দেখেছে। আর গম্ভীর ওই যে বললেন বেশি লড়াকু মনোভাব, সেটা যে কোহলির মধ্যে আছে তা আর নতুন করে বলার কিছু নেই। দিল্লির খেলোয়াড়দের আগ্রাসী মনোভাবের বিষয়টি প্রতিষ্ঠিত করতে গম্ভীর উদাহরণ হিসেবে কোহলিকেই উপস্থাপন করেছেন, ‘আমার আর কোহলির দিকে তাকালেই আপনি এটা বুঝতে পারবেন (হাসি)। ব্যক্তিগতভাবে না নেওয়া পর্যন্ত এটাতে অবশ্য ভুল কিছু নেই। এটা যদি আপনি মাঠেই রেখে আসেন তাহলে ভালো।’

তবে কোনো ক্ষেত্রেই বাড়াবাড়ি করা যাবে না বলেও মনে করেন গম্ভীর, ‘আপনি সীমা অতিক্রম করতে পারেন না। যেহেতু অনেক মানুষ এটা দেখছে তাই আপনাকে একটু বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন হতে হবে। ’ সূত্র: জি নিউজ

Related posts