September 22, 2018

কেন্দ্রে কী করছিলেন জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি?

ঢাকাঃ  লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক পিংকুর বিরুদ্ধে টানা দুই ঘণ্টা এক ভোটকেন্দ্রে অবস্থান করতে দেখা গেছে। এ সময় তিনি ভোটারদের কাছ থেকে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে নৌকা প্রতীকে প্রকাশ্যে সিল মারতে দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

আজ শনিবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ইউপি নির্বাচন চলাকালে সদর উপজেলার হাজিরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে তাঁকে বসে থাকতে দেখা যায়। এ সময় টানা দুই ঘণ্টা ধরে কেন্দ্রে বসে তিনি কী করছিলেন- তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দেয়।

হাজিরপাড়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নিজাম উদ্দিন মুন্না জানান, আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম ফারুক পিংকুর নির্দেশে ইউনিয়নের কয়েকটি কেন্দ্র দখল করে প্রকাশ্যে নৌকা মার্কায় সিল মেরে ব্যালট বাক্স ভরাট করা হয়েছে। তিনি হাজীরপাড়ার একটি কেন্দ্রে চেয়ার পেতে বসে ছিলেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা। তাঁর অভিযোগ, ওই আওয়ামী লীগ নেতা নিজেই কেন্দ্রে বসে তার (মুন্না) লোকজন দিয়ে নৌকা প্রতীকে প্রকাশ্যে ভোট দিতে বাধ্য করেছেন।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নে একটি নির্বাচনী সভায় গেলাম ফারুক পিংকু বলেন, “যারা কেন্দ্রে আসবেন, তাদের ওপেন নৌকায় সিল মারতে হবে। মেম্বার ভোট হবে বুথে গোপনে। সে মানসিকতা নিয়েই ভোটারদের কেন্দ্রে আসতে হবে।” আওয়ামী লীগ নেতার এমন বক্তব্যে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও অসন্তোষ দেখা দেয়।

তাঁর ওই বক্তব্যে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে। তবে দুপুর সাড়ে ১২টায় হাজিরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে অবস্থানে এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি গোলাম পিংকু অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি এমনিতে কেন্দ্রে বসে আছি।”

কালের কণ্ঠ

Related posts