November 18, 2018

কুইন্সের গুলিতে বাংলাদেশী ইমামসহ নিহত দুই: বিক্ষোভ


হাকিকুল ইসলাম খোকনঃ নিউইয়র্কের ব্যস্ততম কুইন্সের ওজনপার্ক এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে শনিবার দুপুরে বাংলাদেশী ইমামসহ দুই জন নিহত হয়েছেন। নিহত মাওলানা আলাউদ্দীন আকুঞ্জ ১০১ লিবারটি এ্যভিনিউর ৭৭ স্টিটের আল ফোরকান জামে মসজিদের ইমাম এবং খতিব। তার বয়স আনুমানিক ৫৫ বছর। তিনি সিলেটর হবিগঞ্জের বাসিন্দা। তিন বছর আগে স্বপরিবারে নিউইয়র্কে এসেছিলেন আলাউদ্দীন। নিহত অপরজন আল ফোরকান মসজিদের নিয়মিত মুসল্লিএবং আলীউদ্দীনের নিকট প্রতিবেশী। তার নাম তারা মিয়া (৮৫)। তিনিও সিলেটর গোলাপগঞ্জের বাসিন্দা। দুই বাংলাদেশী হত্যাকান্ডের ঘটনায় বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন নিউইয়র্কের বাংলাদেশীরা।

মূল ধারার রাজনীতিবিদরাও বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেন। ইমাম হত্যাকান্ডের ঘটনা আমেরিকার ইতিহাসে এই প্রথম।যোহর নামাজ শেষে মসজিদ থেকে পায়ে হেঁটে ঘরে ফেরার সময় নিউইয়র্ক সিটির ওজনপার্কে ‘আল ফোরকান জামে মসজিদ’র ইমাম এবং আরেকজন মুসল্লীকে এক বন্দুকধারি কর্তৃক গুলি করে হত্যার ঘটনায় নিউইয়র্কে বাংলাদেশীদের মধ্যে আতংক এবং ভীতির সঞ্চার ঘটেছে। ১৩ আগস্ট শনিবার দুপুরের এ ঘটনাকে ‘ধর্মীয় বিদ্বেষমুলক হামলা’ তথা হেইট ক্রাইম হিসেবে অভিহিত করে ঘাতককে অবিলম্বে গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করা হয় নিষ্ঠুর এ হত্যাযজ্ঞের পরই অকুস্থলে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ-সমাবেশ থেকে। তাৎক্ষণিক এ বিক্ষোভে শতশত প্রবাসী অংশ নেন। যদিও নিউইয়র্কের পুলিশ এবং সিএনএনসহ মুলধারার মিডিয়ায় এ ঘটনাকে ‘হেইট ক্রাইম’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে না। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ এবং আমেরিকা-বাংলাদেশ এলাইন্সের প্রেসিডেন্ট ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এমএ সালাম গভীর উদ্বেগের সাথে বলেন, ‘প্রকাশ্য দিবালোকে এমন নৃশংসতার নিন্দা জানানোর ভাষা নেই আমাদের। তবে আমরা আশা করছি, মসজিদ, মন্দির, গীর্জাসহ সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তায় সিটি প্রশাসন আরো মনোযোগী হবে।’ ‘একইসাথে ইমামসহ দুই মুসল্লীর ঘাতক যতটা সম্ভব দ্রুত গ্রেফতার হবে বলে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি’-বলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ এবং আমেরিকা-বাংলাদেশ এলাইন্সের প্রেসিডেন্ট ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এমএ সালাম ।

নিহত ইমামের নাম মাওলানা আলাউদ্দিন আকুঞ্জি (৫৫)। হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের সন্তান আলাউদ্দিন ৫ বছর আগে ইমিগ্র্যান্ট হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন। ৩ সন্তানের জনক আলাউদ্দিনের জ্যেষ্ট পুত্রের বিয়ে উপলক্ষে আগামী সপ্তাহে তার বাংলাদেশে যাবার কথা। তার ছোটভাই মাশুকউদ্দিন বলেন, ‘মসজিদ থেকে পায়ে হেঁটে ৭/৮ মিনিটের পথ নিজ বাসায় ফেরার সময় এমন মৃত্যুর শিকার হলেন আমার ভাই। তার সাথে ছিলেন সিলেটের গোলাপগঞ্জের সন্তান থেরাউদ্দিন (৬৪)। উভয়ের মাথায় গুলি করা হয়। খুব কাছে থেকে নিশানা নির্দিষ্ট করেই গুলির ঘটনা ঘটে।’ পুলিশ জানায়, ‘গুলিবর্ষণের সংবাদ পাওয়া মাত্র টহল পুলিশ অকুস্থলে গিয়ে মারাত্মক আহত অবস্থায় মাওলানা আলাউদ্দিনকে নিকটস্থ জ্যামাইকা হাসপাতালে এবং মুসল্লী থেরাউদ্দিনকে এলমহার্স্ট হাসপাতালে নেয়া হয়। ইমামের মৃত্যু হয় কয়েক মিনিটের মধ্যেই। আর থেরাউদ্দিনকে বাঁচাতে চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন। কিন্তু সক্ষম হননি। ৪ ঘন্টা পর ঐ হাসপাতালেই তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।

নিউইয়র্ক সিটির ব্রুকলীন ও কুইন্সের সীমানা বরাবর এই ওজনপার্কে বাংলাদেশীদের পরিচালনাধীন আরো দুটি মসজিদ রয়েছে। মসজিদ আল আমানের সভাপতি কবীর চৌধুরী বলেন, ‘এর আগে আর কখনোই এ এলাকার মসজিদের ইমাম অথবা মুসল্লীকে এভাবে টার্গেট করা হয়নি। এছাড়া, মাওলানা আলাউদ্দিনের মত সাদাসিদে মানুষের কোন শত্রুও ছিলেন না। এটি নেহায়েতই মুসলমান হিসেবে আক্রান্ত হয়েছেন।’

আশপাশের ভিডিও ফুটেজ এবং প্রত্যক্ষদর্শীর উদ্ধৃতি দিয়ে কম্যুনিটি লিডার মিসবাহ আবদিন বলেন, ‘ওজনপার্কে লিবার্টি এভিনিউ এবং ৭৯ স্ট্রিটে ঘন নীল রংয়ের শার্ট এবং হাফ প্যান্ট পরিহিত লম্বা এক হিসপ্যানিক (বয়স ২৭/২৮) খুব কাছে থেকে বন্দুক তাক করে পরপর ৫ রাউন্ড গুলি ছুঁড়ে ইমাম ও সাথের মুসল্লীকে ভ’পাতিত করে দৌড়ে পলায়ন করে। গুলিবিদ্ধ হয়ে ইন্তেকাল করা উভয়ের পরনে পায়জামা-পাঞ্জাবি এবং মাথায় টুপি ছিল। এটি ধর্মীয় বিদ্বেষমুলক হামলা ব্যতিত অন্য কিছুই নয়।’

হত্যাকান্ডের পরই নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের ডেপুটি ইন্সপেক্টর হেনরী সোটনার অকুস্থলে এক সংক্ষিপ্ত সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘প্রকাশ্য দিবালোকে এমন পরিস্থিতি সত্যি উদ্বেগের ব্যাপার। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত একে ‘হেইট ক্রাইম’ হিসেবে বলা সম্ভব নয়।’ পুলিশের বক্তব্যের পরিপূরক সংবাদ প্রচার করেছে সিএনএন, সিএনবিসিসহ স্থানীয় মূলধারার মিডিয়া। তারা কেউই এটিকে হেইট ক্রাইম হিসেবে চিহ্নিত করতে সীমাহীন কার্পণ্য প্রদর্শন করছে বলে বিক্ষোভ-সমাবেশ থেকে অভিযোগ করা হয়।

বিক্ষোভ-সমাবেশে অংশগ্রহণকারি মুক্তিযোদ্ধা সংসদ যুক্তরাষ্ট্র কামান্ড কাউন্সিল-এর আহবায়ক আব্দুল মুকিত চৌধুরী বলেন, ‘মুসলিম পোশাকে ছিলেন উভয়েই। এজন্যে ধর্মীয় বিদ্বেষমূলকভাবে এমন বর্বরোচিত আচরণ করা হয়েছে-এতে সন্দেহ-সংশয়ের অবকাশ থাকতে পারে না।’ আব্দুল মুকিত চৌধুরী বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, ‘রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুসলিম বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এ আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। তাই, এ হত্যা মামলায় ট্রাম্পকেও অভিযুক্ত করতে হবে।’

এই এলাকার কাউন্সিলম্যান এরিক এ আলরীচ বলেন, ‘সকলকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে। ঘাতক চিহ্নিত করতে সকলকে সহায়তা দিতে হবে। আশপাশের সার্ভিলেন্স ভিডিও পরীক্ষা করে ঘাতক শনাক্ত করা হবে। এবং সে সময়েই হত্যার মোটিভ উদঘাটন করা সম্ভব হবে। আগেই নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়।’

প্রকাশ্য দিবালোকে দুই ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যার পরও অকুস্থলে সিটি মেয়র, সিটি কম্পট্রোলার, পাবলিক এডভোকেট-কেউই না আসায় প্রচন্ড ক্ষোভের সাথে কম্যুনিটি লিডার ও প্রবীন আইনজীবী মোহাম্মদ এন মজুমদার বলেন, ‘এমন একটি নৃশংস হত্যাকান্ড ঘটলো, অথচ সিটি অফিসের শীর্ষস্থানীয় ৩ জনের একজনও এলেন না ভিকটিম পরিবারকে শান্তনা দিতে। তারা পাঠিয়েছেন তৃতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তাদের। এভাবেই বাংলাদেশী তথা মুসলিম আমেরিকানদের অবজ্ঞা-অবহেলার দৃষ্টিতে দেখা হচ্ছে। এহেন পরিস্থিতির বিরুদ্ধে সকলকে গর্জে উঠতে হবে।’
তাৎক্ষণিক এ বিক্ষোভে নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরো ছিলেন নিউইয়র্কে জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সভাপতি বদরুল হক খান এবং বিয়ানিবাজার সমিতির সাবেক সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক। বঙ্গবীর জেনারেল ওসমানী স্মৃতি পরিষদের লোকজন এসেছিলেন ঘাতকের বিচার ও কম্যুনিটির নিরাপত্তা দাবি সংবলিত পোস্টার হাতে।

বিক্ষোভ-সমাবেশের পর নিহত ইমাম এবং মুসল্লীর বাসায় যান বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আজমল হোসেন কুনু। তিনি তাদেরকে শান্তনা দেন। সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তার পাশাপাশি ঘাতক গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্যে প্রবাসীদের নিয়ে সোচ্চার থাকার অঙ্গিকার করেন। এ সময় তিনি নিউজকে বলেন, ১৭ আগস্ট বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় গুলিবিদ্ধ হবার স্থানে বড় ধরনের একটি প্রতিবাদ সমাবেশ করা হবে। এজন্যে সিটি প্রশাসনের অনুমতিও নেয়া হয়েছে।
লাশ দুটি দেশে পাঠানো হবে, নাকি নিউইয়র্কে দাফন করা হবে তা এখনও নিশ্চিত করে বলতে পারেননি কেউই। ময়না তদন্তের পর লাশ স্বজনের কাছে হস্তান্তরের পরই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানান ইমামের ভাই মাশুক উদ্দিন।

এর আগে ২০০২ সালে হিসপ্যানিক দুই যুবকের বর্বরোচিত আক্রমণে এই এলাকায় মারা যান বাংলাদেশের ফটো-সাংবাদিক মিজানুর রহমান (৩৭)। ১১ আগস্ট ছিল তার ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী। প্রায় একই এলাকায় ২০১৪ সালের ৯ জুলাই ভোর রাতে দুই হিসপ্যানিক তরুনের হাতে নিহত হন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নজমুল ইসলাম (৫৭)। সাংবাদিক মিজানের ঘাতকদের দীর্ঘমেয়াদি সাজা হয়েছে। আওয়ামী লীগ নেতা নজমুল হত্যাকান্ডে জড়িত দুই দুর্বৃত্তের বিচার চলছে কুইন্স ক্রিমিনাল কোর্টে।

সপ্তাহ দেড়েক আগে এই সিটির ব্রঙ্কসে আরেক বাংলাদেশীকে ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক হামলার শিকার হতে হয়। ঐ হামলাকারি এখনও গ্রেফতার না হওয়ায় গত সোমবার সেখানে বিক্ষোভ করেছেন বাংলাদেশীরা।

নিউইয়র্কের ব্যস্ততম কুইন্সের ওজনপার্ক এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে শনিবার দুপুরে বাংলাদেশী ইমামসহ দুই জন নিহত হয়েছেন। নিহত মাওলানা আলাউদ্দীন আকুঞ্জ ১০১ লিবারটি এ্যভিনিউর ৭৭ স্টিটের আল ফোরকান জামে মসজিদের ইমাম এবং খতিব। তার বয়স আনুমানিক ৫৫ বছর। তিনি সিলেটর হবিগঞ্জের বাসিন্দা। তিন বছর আগে স্বপরিবারে নিউইয়র্কে এসেছিলেন আলাউদ্দীন। নিহত অপরজন আল ফোরকান মসজিদের নিয়মিত মুসল্লিএবং আলীউদ্দীনের নিকট প্রতিবেশী। তার নাম তারা মিয়া (৮৫)। তিনিও সিলেটর গোলাপগঞ্জের বাসিন্দা। দুই বাংলাদেশী হত্যাকােন্ডর ঘটনায় বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন নিউইয়র্কের বাংলাদেশীরা। মূল ধারার রাজনীতিবিদরাও বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেন। ইমাম হত্যাকান্ডের ঘটনা আমেরিকার ইতিহাসে এই প্রথম।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে আল ফোরকান জামে মসজিদের সভাপতি মোজাহিদুল ইসলাম জানান, শনিবার দুপুরে মসজিদে ইমামতি করেন মাওলানা আলাউদ্দীন আকুঞ্জ। নামাজ শেষ লিবারিট এভিনিউর সঙ্গী তারা মিয়াকে নিয়ে বাসার উদ্দেশ্য রওয়ান দেন।

৭৯ এবং ৮০ এভিনিউর মাঝখানে গেলে কারযোগে আসা দুর্বৃত্তরা তাদের গতিরোধ করে জানতে চান ইমাম কে? পরিচয় দেয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সন্ত্রাসীরা আলাউদ্দীনের মাথায় এবং তারা মিয়ার বুকে গুলি করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ব্যবসায়ী নজির আহমদ বলেন, আমরা অন্তত ৫ রাউন্ড গুলির শব্দ শুনেছি। গুলি করার পর পরই সন্ত্রাসীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে এইটি এভিনিউ ধরে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে ধরাধরি করে তারা মিয়াকে জ্যামাইকা হাসপাতালে নেয়া হলে কয়েকঘন্টা পর কর্তব্যরত চিকৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর এলাকাবাসী বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। এনওআইপিডির সদস্যরা ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে। আশপাশের এলাকায় শত শত মানুষ প্রতিবাদ এবং বিক্ষোভ অব্যাহত রাখেন। সন্ধ্যায় প্রতিবাদ সভায় এ ঘটনাকে হেইট ক্রাইম উল্লেখ করে জড়িতদের গ্রেফতারপূর্বক শাস্তি দাবী করেন। এসময় কেউ কেউ এ জন্য রিপাবিলকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুসলিম ও অভিবাসন বিরোধী উস্কাকানিমূলক বক্তব্যকে দায়ী করেন।

মাওলানা আলাউদ্দীন ও তারা মিয়া হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ সভায় মূল ধারা রাজনীতিবিদরাও অংশ নেন। তারাও এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং দোষিদের শাস্তি দাবী করেন।
এলাকায় সদাহাস্য এবং ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত ইমাম আলাউদ্দীন হত্যায় সর্বত্র শাকের ছায়া নেমে এসেছে। গেল তিন বছর ধরে আলউদ্দীন এলাকার মানুষকে কিভাবে যে আপন করে নিয়েছিলেন তা বলতে গিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়ছেন অনেকেই।

এনওআইপিডির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টি দেখা হচ্ছে। শিগগরই বিস্তারিত গণমাধ্যমকে জানানো হবে। ২০০১ সালে এই ওজন পার্কেই ফটো সাংবাদিক মিজানুর রহমান সন্ত্রাসী বেইজবলের আঘাতে প্রাণ হারান। আর গত ২০ বছরে এই ওজন পার্কে ৬ জন বাংলাদেশী দুর্বৃত্তের হাতে প্রাণ হারিয়েছেন।

দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডটকম/রিপন/ডেরি

Related posts