September 20, 2018

”কাউকে রেহাই নেই, দেখতে পাচ্ছেন না………।” (ভিডিও)

রফিকুল ইসলাম রফিক, নারায়নগঞ্জ ব্যুরো চীফঃ  বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন অপরাধী যে দলেরই হোক না কেন কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। যারাই অপকর্ম ঘটাবে সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আওয়ামীলীগ দলীয় হলেও তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও প্রশাসনিকভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে অ্যাকশন শুরু হয়ে গেছে। এখানে কে কোন দলের সেটা দেখা হবে না। সে সরকারি দলের হতে পারে বিরোধী দলের হতে পারে। সেটা কোন বিষয় না। এখানে দেখা হবে অপরাধী কে আর অপরাধ কী। প্রত্যেক অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এমনকি আমাদের দলের কেউ থাকলে তার বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মন্ত্রী আজ বিকেলে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে স্পেশাল অলিম্পিকস ২য় সাউথ এশিয়ান ইউনিফাইড ক্রিকেট ২০১৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামীলীগ সরকার কোন অপরাধীকেই ছাড় দিচ্ছে না। আজ চট্টগ্রামের এক সাংসদের তিন বছরের সাজার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই সরকারের আমলে তিনজন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদক মামলা দায়ের করেছে। এছাড়া অনেক এমপি ৩ বছর ধরে জেলে। এতেই বোঝা যায় আমাদের দলের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী কোন অপরাধকে ছাড় দিচ্ছেন না।

আওয়ামী লীগের সম্মেলনে নির্বাচনী প্রস্তুতি ও আগাম নির্বাচন প্রসঙ্গে মন্ত্রী ওবায়েদুল কাদের বলেন, এই মুহূর্তে আমরা দেশি বিদেশি কোন চাপ অনুভব করছি না। বাংলাদেশে আন্দোলনের কোন চিহ্ন আর নেই। নির্বাচনের দাবিতে এ পর্যন্ত ৩০০ থেকে ৫০০ লোকের কোন মিছিলও হলো না। এখানে সরকার ভালোভাবে দেখছে প্রতিকূল কোন পরিস্থিতিও নেই। সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়েই নির্বাচন হবে। আপনারা যে যেভাবেই বলেন যখনই হউক বিএনপিও নির্বাচনে আসবে। পুরানো ভুলের পরিণতি কী সেটা তারা জানে।

আওয়ামী লীগের জন্ম জেলা নারায়ণগঞ্জের কোন প্রতিনিধিত্ব কেন্দ্রীয় কমিটিতে ও মন্ত্রীসভায় নেই এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ঢাকার মধ্যেই নারায়ণগঞ্জ। কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিত্ব কোন অঞ্চল ভিত্তিক না। আমরা এখন কিছুটা ভাগ করেছি যেমন কেউ নেতৃত্ব দিবেন আবার কেউ জনপ্রতিনিধি হবেন। আমরা সরকার এবং দলের কাজকে আলাদা করে দিচ্ছি। কাউকে দলীয় পদে রেখে আবার কাউকে সরকারে রেখে কাজ ভাগ করে দেয়ার একটা প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সরকারের তিন বছর পার হয়ে গেছে সুতরাং কেবিনেট রিসাফলের একটা সম্ভাবনা রয়েছে। সেখানে রাখা হতে পারে বিষয়টা প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়াভুক্ত।

এর আগে মন্ত্রী বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধিদের অংশগ্রহনে বিভিন্ন ধরনের ডিসপ্লে প্রদর্শন করা হয় । এসময় উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়, সাউথ এশিয়ান ইউনিফাইড দ্বিতীয় স্পেশাল অলিম্পিক প্রস্তুতি কমিটির চেয়ারম্যান ড. শামীম মতিন চৌধুরী, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক রাব্বি মিয়া, পুলিশ সুপার মঈনুল হক।

২ নভেম্বর থেকে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলংকার প্রায় তিন শতাধিক প্রতিযোগী এই স্পেশাল অলিম্পিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করছে।

ভিডিও: ”কাউকে রেহাই নেই, দেখতে পাচ্ছেন না…….

 

Related posts