November 17, 2018

ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে যেসব পানীয়

Captureবিনোদন ডেস্ক ::খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন, অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার খাওয়া এবং খাবারের তালিকায় চর্বি ও প্রোটিনজাত খাবারের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে অনেকের ক্ষেত্রেই ওজন বেড়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। এই সময় পানীয় বেছে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ।

তাই এমন পানীয় বেছে নিতে হবে যা পানির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী এবং ওজনও নিয়ন্ত্রণে রাখবে। নিচে সেম্পর্কে আলোচনা করা হল….

১. জিরা পানি
সকালে ঘুম থেকে উঠে খেতে পারেন জিরা পানি। রাতে দুই টেবিল চামচ জিরা এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরদিন সেই পানি সকালে খালি পেটে খেয়ে নিন। প্রথম দিকে খেতে খারাপ লাগলেও পরে অভ্যাস হয়ে যাবে। তাতে একদিকে যেমন পানি পান করা হবে, তেমন পানির মাধ্যমে কমবে ওজনও। জিরা পানিতে আয়রনের পাশাপাশি বেশ ভালো পরিমাণ ভিটামিন এ ও সি থাকে, যা থেকে অ্যান্ট- অক্সিডেন্টের সুবিধা পাওয়া যায়।

২. লেবু পানি
পানি খেতে ভালো লাগে না এমন অনেক মানুষের কাছেই কিন্তু লেবু পানি পছন্দের শীর্ষে থাকে। সকালে ঘুম থেকে উঠে লেবু পানির সঙ্গে এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। এ ছাড়া চাইলে কুসুম গরম পানিতে লেবুর রস আর মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। সকালবেলা খেতে ইচ্ছে না করলে সারা দিনে একবার বা দুবার লেবু পানি খেতে পারেন। যেকোনো ভারী খাবারের পর লেবু পানি খেলে একদিকে যেমন কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যাবে, তেমন অন্যদিকে তা বাড়তি চর্বি ভাঙার জন্যও কাজ করবে। পাকা লেবুতে থাকে ইলেকট্রোলাইটস (যেমন পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ইত্যাদি)। সকাল সকাল লেবু পানি আপনাকে হাইড্রেট করে, টক্সিক উপাদান দূর করে লিভারকে পরিষ্কার রাখে, শরীরের পি এইচ লেভেল উন্নত করে।

৩. দারুচিনি মধু পানি
দেড় গ্লাস সমান পানি চুলায় দিয়ে গরম করে এক গ্লাস সমান করে নিন। এরপর একটি গ্লাসে এক টেবিল চামচ পরিমাণ দারুচিনি গুঁড়া দিয়ে তাতে গরম পানিটি ঢেলে নিন। এরপর সেটি হালকা গরম থাকা অবস্থায় তাতে দুই টেবিল চামচ মধু দিয়ে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অর্ধেক পান করুন। বাকি অর্ধেক ভালো করে ঢেকে রাখুন। সকালে ঘুম থেকে উঠে সবার আগে সে পানিটি খেয়ে নিন। তাতে একদিকে যেমন আপনার ওজন কমবে খুব দ্রুত, তেমন অন্যদিকে শরীরের পানির চাহিদা কিছুটা হলেও কমবে।

৪. ব্ল্যাক কফি:
ক্রিম ও চিনি মিশিয়ে তৈরি কফি লোভনীয় হলেও তা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এক্ষেত্রে চিনি বিহীন ব্ল্যাক কফি পান করা যেতে পারে। কফি ক্যালোরি পোড়াতেও বেশ সহায়ক। তাই ক্লান্তি দূর করার পাশাপাশি জমে থাকা ক্যালরি পোড়াতে ব্ল্যাক কফি পান করা যেতে পারে।

Related posts