December 11, 2018

এ কেমন যাদু তোমার সেন্টমার্টিন?

565প্রশান্তি। সবাই চায়। এক্ষেত্রে অবলম্বন করতে হয় বিভিন্ন পন্থা। ভাল লাগা, ভালবাসা। তার জলন্ত প্রমাণ প্রকৃতি। কি অপরুপ। প্রকৃতির রুপ। প্রকৃতির সাথে মিশে গিয়ে মানুষ হয় উল্লসিত, উচ্ছ্বসিত। তাও আবার সব বয়সিদের মধ্যে। বিকশিত হয় মন-মানসিকতা। ধন সম্পদ কিছুই প্রকৃতিকে হার মানাতে পারেনা। এসব কিছুই উচ্ছ্বসিত করতে পারে না প্রকৃতির মত। বাস্তব-অবাস্তব বলে বড় প্রমাণ। বাস্তবতাই মানুষকে আকৃষ্ট করে। পুলকিত করে। যে দিকেই তাকানো যায়, জুড়িয়ে যায় মন-প্রাণ। সেদিকেই শুধু ভাললাগা আর ভালবাসা। মধুরতায় ভরে থাকা প্রকৃতি। গুণে গুণান্বিত সব। বাংলার অনেক নামকরা লেখকেরা প্রকৃতির রুপ বৈচিত্র নিয়ে তাদের লেখায় প্রকৃতিকে বিশেষনে-বিশেষিত করেছেন। তাদের চিন্তা-চেতনা নিয়ে গেছেন বহুদূরে।

মন আসলেও একটা ব্যাপার। ভাল কিছু খোঁজে বের করা মনের কাজ। এগুলো আবার সবার বেলায় হয় না। সুন্দর জীবনের অধিকারী হওয়াটাও কষ্টকর। হলেও ঠিকিয়ে রাখার সাধনা করতে হয়। সাধনাই নিয়ে যায় তার অভিষ্ঠ লক্ষ্যে। প্রকৃতি প্রেমীরা খুঁজেই যাচ্ছেন প্রকৃতির রুপ আর গুণ। দিন শেষের হিসেবে স্মৃতির ডায়েরী ভরে যায় মধুরতায়। প্রকৃতি চলে যায় তার উচ্ছাসনে।

সেন্টমার্টিন এশিয়া মহাদেশের মধ্যে অন্যতম একটি সমুদ্র সৈকত। পর্যটকেরা তার রুপ বৈচিত্র উপভোগ করতে ছুটে আসেন। সমুদ্র কেমন আছে, কি করছে। এই যে আসা সবই তার অর্জন। অবস্থানে চলে আসায় দুর্লভ সব মানুষ। সমুর্দের সুন্দরতায় তার চলনে বলনে মুগ্ধ করে প্রকৃতিপ্রেমীকে।

কি অপরুপ রুপে মা তোমার। মায়ের ভালবাসার মতই সেন্টমার্টিন যেন হাতছানি দিয়ে ডাকে। বাড়িয়ে দেয় প্রফুল্লতাকে। কাছ থেকে একটুও সরে যেতে চায়না মন। এ কেমন যাদু তোমার সেন্টমার্টিন? জানতে চায় তোমার আদরের প্রেমিকেরা। আমরা কি তোমার মত হতে পারিনা। তোমার ওদের সবই আছে। কিন্তু সবকিছু ফেলে রাতে নির্দিষ্ট জায়গায় থাকে কেউ। এ কেমন ভালবাসা। সেন্টমার্টিন কথা বলো। তুমি ঢেউয়ের মত হুংকার দিয়ে আমাদের আরো কাছে স্থান করে নেও। তোমার রুপে আমরা পাগলপারা।

received_554763201618761আরো কাছে এসো আর ভালবাসো। হাত উচুঁ করে ডাকে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। তার কত যে ভঙ্গি নিদ্রা কেড়ে নেয়। তোমরা নিদ্রায় যাবেনা। নিদ্রাহীনদের খুব পছন্দ করে সে। উড়ন্ত করে তুলে। জাগ্রত করে তুলে বিবেক। লাথি মার ভাংরে তালা যত সব বন্দীশালা…..কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা এই কবিতাটি শুনে যে ভাবে শরীর শিহরিত হয়ে উঠে, কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতের গর্জনও তেমনি শরীরে শিহরণ জাগায়।

প্রকৃতিকে খুবই পছন্দ করেন। প্রকৃতির সাথে মিতালী করতে চান। লার্নিং পয়েন্টের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান, বিশ্বনাথ সরকারি ডিগ্রী কলেজের সাবেক ইংরেজী প্রভাষক, সৌখিন ও ভ্রমণ পিপাসু মো. মঈন উদ্দিন ভাই। তাঁর নেতৃত্বে প্রতি বছর লার্নিং পয়েন্টের টিমকে নিয়ে ঘুরতে যান দেশের কোথাও না কোথাও। এরই ধারাবাহিকতায় ১২ নভেম্বর আমিসহ ১৩ জন সদস্য নিয়ে সেন্টমার্টিন ও কক্সবাজারে বেরিয়ে পড়েন মো. মঈনউদ্দিন।

তাঁর সাথে ছিলেন লার্নিং পয়েন্টের শিক্ষক মোহাম্মদ সালিক মিয়া, আব্দুস শহিদ, আব্দুল আলিম সুহেল, জুবায়ের আহমদ, তালহা সুয়েব বিন-হেলালী, ফেরদৌস আহমদ, মো. বেলায়েত হোসেন বেলাল, মুমিন আহমেদ, ইলিয়াস আলী, জুনায়েদ আহমদ, আব্দুল লতিফ।

লেখক : তজম্মুল আলী রাজু, সম্পাদক ও প্রকাশক বিশ্বনাথ বিডি ২৪ ডটকম।

Related posts