November 16, 2018

এ কেমন নির্বাচন?

আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি

আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির অধীনে মিশর এবার এক অভিনব নির্বাচন দেখছে। মিশরে দ্বিতীয় দফায় ২২২ আসনে নির্বাচন হয়েছে। তাতে সুষ্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছেন মাত্র ৯ জন। বাকিরা প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় এসব আসনে আবার রান-অফ (দ্বিতীয় দফায়) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ১১০টি আসনে ভোট হবে ১-২ ডিসেম্বর। তবে বুধবার নির্বাচন কমিশন দাবি করেছে যে দ্বিতীয় দফায় ২৯.৯ শতাংশ ভোট পড়েছে। এর আগে প্রথম দফায় ২৬.৬ শতাংশ ভোট পড়ে। তবে সেখানে বেশিরভাগ প্রার্থী প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় রান-অফ নির্বাচন হয় এবং তাতে ভোট পড়ে আরো কম, ২১.৭ শতাংশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভোট যাই পড়ুক না কেন ৫৯৬ আসন বিশিষ্ট সংসদে নির্বাচনের ফল কী হবে তা আগেই নির্ধারিত হয়ে আছে। দেশটির বৃহত্তম রাজনেতিক দল মুসলিম ব্রাদারহুডকে নিষিদ্ধ করে রাখায় এবং দেশটিতে কার্যকর কোনো বিরোধী দল না থাকায় নির্বাচনের পর সিসির পদলেহী একটি সংসদ গঠিত হবে। দ্বিতীয় দফায় দেশটির ২৭টি প্রদেশের মধ্যে ১৩টিতে ভোটগ্রহণ করা হয়। প্রথম দফায় যারা নির্বাচিত হয়েছেন তাদের মধ্যে ৬০জনই সিসির অনুগত জোট ফর লাভ অব ইজিপ্টের সদস্য। ৫৯৬ আসনের সংসদে ৪৪৮ জন সরাসরি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হবেন। ১২০ জন নির্বাচিত হবে সংরক্ষিত আসনে আর ২৮ জনকে মনোনয়ন দিবেন সিসি। মিশরের প্রথম নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে বন্দুকের নলের মাথায় ক্ষমতাচ্যুত করার পর দেশটিতে এটি প্রথম সংসদ নির্বাচন। এর আগে ২০১১ সালে স্বৈরশাসক হোসনি মোবারকের পতনের পর মিশরে যে সংসদ নির্বাচন হয় তাতে ভোটারদের মাঝে তুমুল উচ্ছ্বাস দেখা যায়। তখন ভোট পড়ে ৬২ শতাংশ

Related posts