September 20, 2018

এটা মৃত্যু আত্মহত্যা না হত্যা?

আল-মামুন,খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ  খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার কবাখালী মুসলিমপাড়া এলাকায় আফসানা মিমি মুক্ত (২২) নামের এক গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। রবিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ  ঘটনা ঘটে।

নিহতের মা নুর নাহার ও তার স্বজনরা এ ঘটনাকে হত্যাকান্ড বলে অভিযোগ করে বলেন, শনিবার ও রবিবার সকালে বেশ কয়েকবার ফোন করে তার শ্বশুর বাড়ীতে যেতে বলে মোবাইল করে। এর কিছু সময় পরেই মেয়ের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। এ ঘটনার জন্য আফসানা মিমি মুক্তার স্বামী নিজাম মজুমদার ও শ্বাশুড়ি মাফিয়াকে দায়ী করেন।

দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মিজানুর রহমান বলেন, প্রাথমিক ভাবে পুলিশ এ ঘটনা হত্যা না আত্মহত্যা নিশ্চিত হতে না পারলেও প্রাথমিক ভাবে একে আত্মহত্যা বলে ধারনা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, র্দীঘ ধরে মুক্তার সাথে তার পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়া-বিবাদ চলে আসছিল। শনিবার রাতে জগড়া ও রবিবার সকালে বাড়ীর ভেতর থেকে কান্না ও চিৎকারের শব্দ শুনা যায়। এর পর পর মুক্তা আত্মহত্যা করেছে বলে শোনা যায়। এ ঘটনার পর পর নিহতের স্বামী ও শ্বাশুড়ি পালিয়ে যায়।

নিহতের স্বামী-শুাশুড়ি পালিয়ে গেলেও খাগড়াছড়ি আধুনিক সদর হাসপাতালে মুক্তার ময়না তদন্তের জন্য নিয়ে আসলে লোকজনের ভীড়ে দেবর এ সময় সে তাদের পরিবারের লোকজন পলাতকের বিষয়টি অকপটে স্বীকার করে বলেন, তার মা মাফিয়া বেগম অসুস্থতকার কারণে হাসপাতাল আছেন এবং তার বড় ভাই হাসপাতালে আসবেন।

এছাড়াও মোবাইল ফোনে মুক্তার দেবরকে কল দিলে হত্যাকান্ডের ঘটনার ভয়ে ঘা ঢাকা দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। এ সময় হত্যাকান্ডের বিষয়ে ফোন আলাপে ব্যাপক তথ্য বেরিয়ে আসে।

মুক্তার পিত্রালয় খাগড়াছড়ির কলাবাগান এলাকায় প্রায় বছর দেড় এক আগে তার পরিবারিক ভাবে বিবাহ হয় দীঘিনালার কবাখালীর বাসিন্দা মৃত নুর হোসেন মজুমদারের ছেলে নিজাম মজুমদারের সাথে।

মুক্তার মরদেহ ময়না তদন্ত শেষে তার পিত্রালয়ে নিয়ে গেলে সেখানে কান্নায় ভারী হয়ে উঠে আশপাশের পরিবেশ। এসময় তার প্রতিবেশীরা এটি হত্যাকান্ড দাবী করে বিচার  দাবী করেন।

দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডট কম/রিপন ডেরি/২৪ এপ্রিল ২০১৬

Related posts