September 20, 2018

একচ্ছত্রে নারায়ণগঞ্জ, দেখুন…

রফিকুল ইসলাম রফিক,নারায়ণগঞ্জঃ ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে আগামী ১ জানুয়ারী শুক্রবার সারাদেশের মতো নারায়ণগঞ্জের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষার্থীদের মধে বিনামূল্যে নতুন পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হবে। ইতোমধ্যে নারায়ণগঞ্জ শহরে ও উপজেলার সরকারি ও বেসকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ২০১৬ সালের নতুন সকল পাঠ্যপুস্তক পৌছে গেছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সৈয়দা মাহফুজা বেগম।

এ বছর নারায়ণগঞ্জে ৫টি উপজেলায় ৫৫ লক্ষাধিক নতুন পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হবে। যার মধ্যে প্রাথমিকের ১৮ লক্ষাধিক ও মাধ্যমিকে ৩৭ লক্ষাধিক নতুন বই দেয়া হবে।

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শাহীন আরা বেগম বলেন, পহেলা জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাড়া প্রিপারেটরী স্কুলে অনুষ্ঠানিক ভাবে বই উতসবের উদ্বোধন করা হবে। তারপর ধারাবাহিক ভাবে জেলার সবগুলো স্কুলে বই উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। নারায়ণগঞ্জ জেলার ২৫০টি স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাধ্যমিকে ৩৭ লাখ ১৮ হাজার বই বিতরণ করা হবে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দা মাহফুজা বেগম নিউজ নারায়ণগঞ্জকে বলেন, আগামী ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি সকল প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এক সেট করে নতুন বই বিনামূল্যে বিতরণ করবে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। উপজেলার বিদ্যালয় গুলোতে বই বিতরণের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। একদিন আগে থেকে বই পৌছে গেলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বই উৎসব উদ্বোধনের পরই শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌছেন দিবেন বলে জানান তিনি। এর জন্য সরকারি ছুটির দিনেও স্কুল খোলা রাখার নির্দেশ রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরো জানান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের অধিনে ৫টি উপজেলায় ৪২৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ১৩২টি রেজির্স্টাড, কমিউনিটি, আনরেজির্স্টাড, অনুমতিপ্রাপ্ত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। নারায়ণগঞ্জ ৫টি উপজেলায় ৪ লাখ ১২ হাজার ৫০৯ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে নতুন বই বিতরণ করা হবে। কিন্তু শিক্ষার্থীদের চাহিদা অনুযায়ী এখনো তারা বই সম্পূন্ন আসেনি। নারায়ণগঞ্জে বইয়ের চাহিদা ১৮ লাখ ৫০ হাজার ৭৯৩টি কিন্তু বই পেয়েছেন ১৩ লাখ ৬১ হাজার ৫৩৪টি এর মধ্যে বই বিতরণ করেছেন ৮ লাখ ৭ হাজার ২৪৯টি। এরমধ্যে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় বই বিতরণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ২২৬টি, বন্দরে ৬১ হাজার ৭০টি, সোনারগাঁয়ে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৬০৩টি, আড়াইহাজারে ১ লাখ ৬৯হাজার ৬৫০টি, রূপগঞ্জে ১ লাখ ৯৬ হাজার ৭০০টি।

‘সাংবাদিক মোক্তার আমার প্রিয়ভাজনদের মধ্যে একজন। আজ ২৯ ডিসেম্বর এখানে আসার ঠিক দুই মিনিট পূর্বে আমার মনটা খারাপ ছিল।  এখানে মোক্তার ভাইয়ের মাধুরী মিশ্রিত আর মন দিয়ে গড়া ছবিগুলো  আমার মনকে এতটা ভাল করে দিয়েছে যে যেটা প্রকাশ করতে পারছি না। আমি তার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি।’

মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকালে নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়া শহীদ জিয়া হল প্রাঙ্গনে ফটো সাংবাদিক মোক্তার হোসেনের ৫দিন ব্যাপী একক আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে আসা দর্শক মো. শাহ আলম প্রদর্শনীর ছবি গুলো দেখে এমন মন্তব্য করেছেন। যিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনা পদে কর্মকর্তা। শুধু তিনিই নয় এমন মন্তব্য করেছেন আরো অর্ধশতাধিক দর্শনার্থী।
গত ২৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া প্রদর্শনী আগামী বুধবার শেষ দিন। গত ৪ দিনে প্রদর্শনীর মন্তব্যের খাতায় অনেকে প্রশংসা করেছেন আবার কেউ কেউ মুগ্ধ হওয়ার কথাও লিখেছেন। শুধু তাই নয় অনেক লিখেছেন মোক্তার হোসেনের মত এমন আয়োজন তরুণ ফটোগ্রাফারদের উৎসাহ দিবে।

মঙ্গলবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দর্শকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ছোট শিশু থেকে শুরু করে তরুণ তরুণী, বয়স্করাও প্রদর্শনীতে ভীড় করেছেন ছবিগুলো দেখতে। ছবিগুলো সম্পর্কে জানতেও মোক্তার হোসেনকে প্রশ্ন করেছেন।

প্রদর্শনীর আয়োজক মোক্তার হোসেন নারায়ণগঞ্জের দৈনিক সচেতন পত্রিকার প্রধান ফটো সংবাদিক এবং নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের প্রচার সম্পাদক। ৫ দিনের একক আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও জেলার বাইরের মোট ৮৪টি ছবি প্রদর্শন করা হয়েছে। যেখানে উঠে এসেছে নারায়ণগঞ্জের অনেক চিত্র। নারায়ণগঞ্জ শহরের সব থেকে জনপ্রিয় চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা দিবসের ফুলের স্তোপ দৃষ্টি করেছে অনেকের। শুধু তাই নয় চাষাড়া বিজয় স্তম্ভ, রেল লাইন, সুবিধা বি ত মানুষের , শীতলক্ষ্যা নদী, ফুটপাতের বিক্রেতা থেকে প্রায় নারায়ণগঞ্জের পুরান ঐতিহ্য উঠে এসেছে।

আয়োজন মোক্তার হোসেন বলেন, সকাল থেকে দর্শকদের উপস্থিতি ছিলো। কখনও স্কুল কলেজের  শিক্ষার্থীরা এসেছে কখনও বা সাধারণ মানুষ। দর্শকদের উপস্থিতে আমি খুব আনন্দিত। তাদের কাছে আমার ছবি গুলো ভালো লেগেছে এতে আমি খুশি। এ প্রদর্শনীর দর্শকদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। এছাড়াও যারা আমার এ কাজে সহযোগিতা করেছেন সকলকে ধন্যবাদ জানাই।

নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় রেলস্টেশন সংলগ্ন ১নং রেলগেটের একটি লেভেল ক্রসিং গেইট গত ৬ মাস ধরে বিকল অবস্থায় পড়ে থাকলেও মেরামতের কোন উদ্যোগ নেই রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের। দুর্ঘটনা এড়াতে ৬ মাস ধরে ওই রেলগেটের ৩ জন গেইট ম্যান ফ্ল্যাগ (পতাকা) দিয়েই কাজ চালাচ্ছেন। ঝুঁকি নিয়েই দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন তারা। এদিকে কমলাপুর-নারায়ণগঞ্জ রুটে অবৈধ লেভেল ক্রসিং গেইট রয়েছে অন্তত ২০টি। এই রুটে অন্তত ১০টি স্পটে রেললাইনের উপরে বসছে অবৈধ বাজার। প্রায়ই দূর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটলেও দেখার যেন কেউ  নেই।

রেলওয়ের সূত্রে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ-কমলাপুর রেলস্টেশনের দূরত্ব প্রায় ১৮ কিলোমিটার। প্রতিদিন এই রুটে অন্তত ১৬ জোড়া ট্রেন চলাচল করে থাকে। নারায়ণগঞ্জ রেলস্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রেন চাষাঢ়া, ফতুল্লা, আলীগঞ্জ, পাগলা, গেন্ডারিয়া স্টেশন হয়ে কমলাপুর রেলস্টেশনে পৌছে। একটি ট্রেন গন্তব্যে পৌছতে সময় লাগে মাত্র ৩৫-৪০ মিনিট। স্বল্প খরচে ও দ্রুত আসা-যাওয়ার কারনে কর্মমুখী মানুষের কাছে রুটটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। নারায়ণগঞ্জ রেলওয়ে কেন্দ্রীয় স্টেশন সংলগ্ন ১নং লেভেল ক্রসিং গেইটটির একটি ব্যারিয়ার গত ৬ মাস ধরে বিকল হয়ে রয়েছে।

ওই লেভেল ক্রসিং গেইটটির নিরাপত্তা ও গেইট ওঠানামায় তিন শিফটে ৩ জন দায়িত্ব পালন করেন। তারা হলেন, আলাউদ্দিন, মাসুদ ও হাফিজ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ৬ মাস ধরে একটি ব্যারিয়ার দীর্ঘদিন ধরে বিকল থাকায় যখন ট্রেন যায় তখন ওই পাশে ফ্ল্যাগ (পতাকা) হাতে নিয়ে তারা দাড়িয়ে থাকেন। এভাবে দিনে ৩২ বার তাদেরকে ঝুঁকির মধ্যেই ফ্ল্যাগ (পতাকা) হাতে নিয়ে দাড়িয়ে থাকতে হয় যাতে কোন ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটে। অনেক সময় তারা দাড়ানোরও যথেষ্ট সময় পান না। তখন আশেপাশের ফুটপাতের দোকানদাররা গাড়ি থামিয়ে দেয়।

তবে বর্তমানে শীতকাল হওয়ায় ঘন কুয়াশার কারণে ভোরবেলা ও রাতে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে গেইটম্যানদের যথেষ্ট বেগ পোহাতে হচ্ছে। ঘন কুয়াশার কারণে অনেক সময় দুই হাত দূরের স্থান দেখা যায় না। তাই বেরিয়ারটি দ্রুত মেরামত না করা হলে যেকোন সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় রেলওয়ের স্টেশনের স্টেশন মাস্টার গোলাম মোস্তফা জানান, ৬ মাস ধরে ১নং রেলগেটের একটি লেভেল ক্রসিং গেইট বিকল হয়ে রয়েছে। অপর গেইটটিও নড়বড়ে। দু’টোই মেরামতের জন্য রেলওয়ের ঢাকা বিভাগীয় প্রকৌশলী-১ ও ঢাকা বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তাকে ৩টি চিঠি দেয়া হয়েছে। একপাশে ফ্ল্যাগ (পতাকা) হাতে নিয়ে ঝুকিঁপূর্ণ অবস্থাতেই দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে তিন শিফটে তিনজন গেইটম্যানকে। রেলওয়ের ঢাকা বিভাগীয় প্রকৌশলী-১ মহিউদ্দিন আরিফ জানান, বিষয়টি তিনি জানেন না। তবে তিনি খোঁজ খবর নিবেন।

রেলওয়ের ঢাকা বিভাগীয় স্টেট অফিসার প্রকৌশলী নুরুন্নবী কবির জানান, অবৈধ দোকান-পাট, বাজার এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চলমান রয়েছে। জানুয়ারী মাসে নারায়ণগঞ্জে আবারো অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান পরিচালিত হবে। এর বাইরে অবৈধ রেলগেটগুলো বন্ধ করা এবং বৈধ রেল গেটে গেটম্যানদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার কাজও শুরু হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জে সোনারগাঁয়ে ব্র্যাকের এক কর্মকর্তাকে অপহরণের ১৯ঘণ্টা পর অপহৃতকে মুন্সিগঞ্জ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। অপহৃত আল হেলাল ব্র্যাকের সোনারগাঁ উপজেলা শাখার ব্যবস্থাপক হিসাবে কর্মরত রয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর থানার বাবুইখালী এলাকা থেকে অপহৃত ব্র্যাক কর্মকর্তা আল হেলালকে (৪০) উদ্ধার করা হয়েছে। এরআগে সোমবার রাত ৯টায় আল হেলালকে অপহরণের পর ৫লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি অপহরণকারী চক্র।

অপহৃত আল হেলালের স্ত্রী তৌহিদ পারভীন জানান, আল হেলাল ব্র্যাকের সোনারগাঁ শাখার ব্যবস্থাপক হিসাবে কর্মরত থেকে উপজেলার ছোট সাদিপুর এলাকায় স্বপরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছে। উপজেলার সাদিপুরস্থ শাখা থেকে কাজ শেষে তার স্বামী বাসায় ফেরার পথে রাত ৯টায় ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের সামনে পূর্ব থেকে অবস্থানরত একটি মাইক্রোবাসে থাকা ৮/১০জন অপহরণকারী চক্র হেলালকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অপহরণকারী পারভীনের মোবাইলে ফোন করে ৫লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। তাদের দাবিকৃত মুক্তিপনের টাকা না দিলে হত্যা করার হুমকি প্রদান করে। পরে বিষয়টি নিয়ে পারভীন ব্রাকের সাদিপুর শাখার অফিসার রাজিব হাসানকে অবগত করলে তিনি বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। তিনি আরো জানান, নিজের স্বামীকে উদ্ধারে অপহরণকারীদের কথা মোতাবেক বিকাশের মাধ্যমে ২০হাজার হাজার টাকা প্রদান করে। পরে পুলিশ মোবাইল ট্রেকিংয়ের মাধ্যমে অপহরণকারীদের অবস্থান সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

সোনারগাঁ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ জানান, ব্র্যাকের কর্মকর্তার অপহরণের অভিযোগ পাওয়ার পর বিভিন্ন স্থানে খোজ খবর নিয়ে অপহারণকারীদের অবস্থান সনাক্ত করে মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর থানার বাবুইখালী এলাকা হতে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। আর পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহারণকারীরা পালিয়ে যায়।
দেশ, জাতি ও বিশ্বের সকল জীবের মঙ্গল কামনায় এবং পাপ মোচনের প্রত্যাশায় জাতি ধর্ম বর্ণ র্নিবিশেষে ৭ম পদব্রজে বারদী ধাম যাত্রা আগামী  ১ জানুয়ারী শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে।
শুক্রবার সকাল ৬টায় নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ লক্ষ্মী নারায়ণগঞ্জ জিউর আখারা লোকনাথ মন্দির প্রাঙ্গন থেকে যাত্র শুরু করবে।

দেওভোগ পদব্রজে বারদী ধাম যাত্রা উতসব কমিটির যুগ্ম আহবায়ক পলাশ সরকার নিউজ নারায়ণগঞ্জকে জানান, শুক্রবার সকালে দেওভোগ লোকনাথ মন্দিরের পুজারী প্রনাম মন্ত্র পাঠ করিয়ে প্রাঙ্গন থেকে ভোর ৬টায় যাত্রা শুরু করে নবীগঞ্জ খেয়াঘাট হয়ে মুরগাপাড়া এলাকার কাজী ফজলুল হক উইম্যান্সে কলেজ মাঠে সাময়িক যাত্রা বিরতি করবে ও সকালের জল খাবার বিতরণ করা হবে। পরে ওখান থেকে যাত্রা শুরু করে বৈদার বাজার, আনন্দ বাজার হয়ে বারধী লোকনাথ মন্দিরে গিয়ে লোকনাথ বাবার চরণে পুষ্পাঞ্জলি নিবেদন ও বাল্যভোগের প্রসাদ বিতরণ করার মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হবে।

পলাশ সরকার আরো জানান, নারায়ণঞ্জ থেকে সোনারগাঁ লোকনাথ মন্দির পর্যন্ত প্রায় ১৭ কিলোমিটার রাস্তা পায়ে হেটে যাবেন ভক্তরা। এছাড়াও রাস্তায় সকল ধরনের সহযোগিতা করতে স্বেচ্ছাসবক কর্মীরা থাকবে। এছাড়াও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল ধরনের নিরাপত্তা দেয়ার আশ্বাস দিয়েছে। এর আগে ৬ষ্ঠ পদব্রজে যাত্রায় প্রায় ৪ হাজার ভক্তের সমাগম হয়েছিল। এবারও তেমনি ভক্তের সমাগম হবে আশা করছি।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার গোগনগর এলাকার ৮ নং গোগনগর প্রাইমারী স্কুলের বার্ষিকী পরীক্ষার প্রথম থেকে প ম শ্রেনির কৃতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সনদপত্র, ক্রেস্ট ও শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

সনদ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি গোগনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা নাজির উদ্দিন আহমেদ গত ২৬ ডিসেম্বর সকালের ওই শিক্ষার্থীদের ওইসব পুরষ্কার বিতরণ করেন। এসময় স্কুলের ১ম থেকে ৪র্থ শ্রেনীর উর্ত্তিণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় মোট ১২জনকে এ পুরষ্কার দেয়া হয়। স্কুলের মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা পাঁচ শতাধিক।

৮নং গোগনগর প্রাইমারী স্কুলের পরিচালনা পরিষদের (ম্যানিজিং কমিটি) সভাপতি মো.ইব্রাহিম খলিলের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সহ সভাপতি মজিবর রহমান, গোগনগর এলাকার সমাজসেবক আব্দুল মান্নান, স্কুলের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) পরিমল চন্দ্র ধর প্রমুখ।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার কাঁচপুর এলাকায় মঙ্গলবার ভোর রাতে এস ইন্টারন্যাশনাল সিএনজি পাম্পের সামনে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৬ ডাকাতকে ধারালো অস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত ডাকাতেরা হলেন, শরিফ হোসেন (৩৩) চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিণ থানার কাশিমপুর গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে, রফিকুল ওরফে সিরাজ (২৫) নরসিংদী জেলার সদর থানার বিরামপুর গ্রামে মোস্তফার ছেলে, রাসেল (২০), কুমিল্লা জেলার মেঘনা থানার ফরাজিকান্দি গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে, নয়ন (১৯), আব্দুল খালেকের ছেলে, সোহাগ (২২), একই জেলা  ও থানার তুলাতুলি শিমনগর গ্রামের আলেক মিয়ার ছেলে ও নাজমুল সাউদ (২২) সোনারগাঁও থানার কালিয়াভিটা গ্রামের আয়েত আলী সাউদের ছেলে।

সোনারগাঁও থানার এসআই আব্দুল হক শিকদার জানান, মঙ্গলবার ভোরে তিনি কাঁচপুর মোড়ে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে কর্তব্য পালন কালে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই ৬ ডাকাতকে ধারালো ৪ টি ছুরিসহ আটক করা হয়।

আটককৃত ডাকাতেরা পুলিশের কাছে স্বীকার করে যে, তারা কাভার্ডভ্যান ও মালবাহী ট্রাকে ডাকাতির করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

মাদ্রাসা অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা পঙ্গু ব্যক্তিকে হুইল চেয়ার অনুদান দিলেন সেলিম ওসমান
নারায়ণগঞ্জ-৫ (শহর-বন্দর) আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান তার দেওয়া ঘোষণার মাত্র ৩ দিনের মাথায় মুছাপুর ইউনিয়নের জহরপুর দারুল উলুম হাফেজিয়া নূরানিয়া মাদ্রাসা ভবনের দ্বিতীয় তলা নির্মানের জন্য ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দিয়েছেন।
মঙ্গলবার(২৯ ডিসেম্বর) সকালে বন্দরের সমরক্ষেত্র মাঠে মাদ্রাসার ছাত্র আবু সাঈদের হাতে ১০ লাখ টাকার চেকটি তুলে দেন।

এর আগে গত ২৬ ডিসেম্বর মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে শীতের শাল বিতরন করতে যান। সেখানে কোরআন ও দোয় পাঠ করে ছিলো জহরপুর দারুল উলুম হাফেজিয়া নূরানিয়া মাদ্রাসার হেজত্ব শাখার ছাত্র ৯ বছরের ছোট্ট শিশু আবু সাঈদ।

আবু সাঈদের মধুর কণ্ঠে দোয়া মুগ্ধ হয়ে সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান আগামীতে আবু সাঈদকে তার সাথে করে হজ্বে নেওয়ার ঘোষণা দেন। সেই সাথে সেলিম ওসমানের কাছে আবু সাঈদের দাবি অনুযায়ী তার অধ্যয়নরত শিক্ষালয় জহরপুর দারুল উলুম হাফেজিয়া নূরানিয়া মাদ্রাসা ভবন দ্বিতীয় তলায় উন্নীত করতে ১০ লাখ টাকা দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে ছিলেন। ঘোষণা অনুযায়ী মঙ্গলবার সকালে তার হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দিয়েছেন তিনি।
এছাড়াও সেলিম ওসমান তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে চিকিৎসার জন্য মুক্তিযোদ্ধা হাজী গিয়াস উদ্দিন আহম্মেদকে ১ লাখ টাকা, মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ হোসেন রোকনকে ১ লাখ টাকা প্রদান করেছেন। এছাড়াও দুইজন পঙ্গু ব্যক্তি শাহাবুদ্দিন ও নুরুল ইসলামকে একটি করে নতুন হুইল চেয়ার এবং তাদের আয়ের ব্যবস্থা করতে প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা করে চেক প্রদান করেছেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক আবুল জাহের, বন্দর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি এম এ রশিদ, বন্দর উপজেলার চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুল, জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহবায়ক আফজাল হোসেন, শহর যুব সংহতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিপন ভাওয়াল, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইফুদ্দিন আহম্মেদ দুলাল প্রধান, ধামগড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আয়নাল হক, মুছাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেন, মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ সালাম, কলাগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন প্রধান, বন্দর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন, বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) নজরুল ইসলাম, ছাত্রলীগ নেতা ফাহিম প্রমুখ।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ ও মুক্তিপন দাবীর অভিযোগ উঠেছে। অপহরনের ২০দিন পর ওই ছাত্রীর মা ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। ওই ছাত্রীর নাম সৌরভী আক্তার প্রীতি (১৮)। সে ফতুল্লার নয়ামাটি এনায়েতগর এলাকার বাবুল মিয়ার মেয়ে এবং পাশের এলাকা দেলপাড়ায় অবস্থিত হাজী মিছির আলী কলেজের এইচএসসির প্রথম বর্ষের ছাত্রী। এছাড়া প্রীতি পাগলা রসুলপুর এলাকায় অবস্থিত রেড রোজ কিন্ডার গার্ডেনের শিক্ষকতা করেন।

অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা ফতুল্লা মডেল থানার এসআই ইকবাল হোসেন জানান, গত ৯ ডিসেম্বর সকালে কিন্ডার গার্ডেনে যাওয়ার কথা বলে প্রিতি বাসা থেকে বের হয়। এরপর আর বাসায় আসেনি। তার পরদিন ১০ ডিসেম্বর বাবুল ও মামুন নাম পরিচয় দিয়ে পর পর দুইটি ফোন করে প্রিতির মা মিনা বেগমকে জানায়, আপনার মেয়ে আমাদের কাছে আছে। তাকে পেতে হলে ২ লাখ টাকা দিতে হবে।

তিনি জানান, এঘটনার ২০দিন পর মিনা বেগম থানায় অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ তদন্ত চলছে এবং প্রিতিকে উদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে মেধাবী শিক্ষার্থী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, দরিদ্রদের মাঝে আর্থিক অনুদান ও বিজয় দিবসে ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। গত সোমবার রাতে বন্দরের উত্তর লক্ষণখোলা বনগন চৌধুরী বালুর মাঠে বনগণ সামাজিক সাংস্কৃতিক সংসদের উদ্যোগে এ পুরস্কার দেয়া হয়।

২৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন আনুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বন্দর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ রশিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ২৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এনায়েত হোসেন, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর শাহী ইফাৎ জাহান মায়া, সমাজ সেবক মীর্জা আঃ লতিফ, কামাল হোসেন। অনুষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতায় ছিলেন হাজী মির্জা মোঃ জহিরুল ইসলাম বাক্কু। সংগঠনের সভাপতি মতিউর রহমান তার স্বাগত বক্তব্যে এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও একটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক পাঠাগার গড়ার কথা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এলাকার সমস্যাগুলি সমাধানের আশ্বস দেন। সব শেষে ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

বন্দরের ধামগড় বটতলা এলাকায় তুলা তৈরীর মেশিন থেকে অগ্নিকান্ডে তুলার কারখানা ও ৫টি গুদাম পুড়ে গিয়ে ২০ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১টায় অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। বন্দর ফায়ার সার্ভিস ২ ঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। অগ্নিকান্ডে কাচাঁমাল ও তৈরী তুলা পুড়ে গেছে।

তুলা কারখানার মালিক মনির আহাম্মেদ জানান, তুলা তৈরীর সময় মেশিন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো কারখানা ও তুলার গুদাম গুলিতে ছড়িয়ে পড়ে। এতে তার প্রায় গুদামসহ প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। বন্দর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার সোহেল রানা বলেন আগুন নেভাতে প্রায় ২ ঘন্টার অধিক সময় লেগেছে। ক্ষয় ক্ষতির পরিমান তদন্তের পরে বলা যাবে। তবে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ-৫(শহর-বন্দর) আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান তার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শীতলক্ষ্যা নদীর পূর্বপাড় বন্দর ময়মনসিংহ পট্টির ৬০ অসহায় পরিবারের পুনর্বাসনে প্রত্যেক পরিবারকে নগদ ৫০ হাজার টাকা করে ৩০ লাখ টাকা এবং পরিবার গুলোর বসতবাড়ি নির্মাণে জমি খুঁজতে আগামী ৩ মাস তাদেরকে অন্যত্র ভাড়া বাসায় বসবাস করার জন্য প্রত্যেক পরিবারকে ৪ হাজার ৫’শ টাকা করে আরও ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এতে করে পরিবার গুলোকে পূর্নবাসনের জন্য তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকৈ ৩২ লাখ ৭০ হাজার টাকা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। সেই সাথে আগামী ১ জানুয়ারীর পরিবর্তে আগামী ১৫ জানুয়ারী ময়মনসিংহ পট্টি খালি করে দেওয়ার কথা বলেন। কোন অবস্থাতেই ১৫ জানুয়ারীর পর সেখানে কোন স্থাপনা থাকতে পারবে না বলে তিনি ঘোষণা দেন।

নগদ টাকা দেওয়া ছাড়াও তাদের বাসস্থানে ঘর নির্মানের জন্য আইএফআইসি ব্যাংকের বন্দর শাখা থেকে এসএমই লোন অনুমোদন করে দেওয়ার কথা বলেছেন।

মঙ্গলবার(২৯ ডিসেম্বর) সকালে বন্দরের সমরক্ষেত্র মাঠে ময়মনসিংহ পট্টির অসহায় মানুষের সাথে আলোচনা সভায় তিনি এসব ঘোষণা দেন।

তবে পূর্নবাসন হতে যাওয়া ৬০টি পরিবারের কাউকেই নগদ টাকা প্রদান করা হবে না। তাদের সবাইকে আইএফআইসি ব্যাংকের বন্দর শাখায় একাউন্ট খুলতে হবে। পরে যার যার নিজ একাউন্টে পৌছে দেওয়া হবে।

ব্যাংকে একাউন্ট খোলার ব্যাপারে অসহায় মানুষদের উদ্দেশ্যে সেলিম ওসমান বলেন, আমাদের মাঝে অনেক হুমরা চুমরা আছে যারা আপনাদের বলবে সেলিম ওসমানের কাছ থেকে তোমাদের টাকা নিয়ে দিয়েছি আমাকে টাকা দাও। আপনারা কাউকে একটি টাকাও দিবেন না। তবে জাতীয় পরিচয় পত্র ছাড়া কাউকে সহায়তা করা হবে না। যেদিন আমার কাছে ব্যাংক একাউন্ট দেওয়া হবে তার পরের দিনই তাদের একাউন্টে টাকা চলে যাবে। এর মধ্যে যদি আমার মৃত্যুও হয়ে যায় আমার পরিবারকে বলা রয়েছে আপনাদের টাকা পৌছে যাবে।
এ সময় উপস্থিত অসহায় মানুষ সেলিম ওসমানের সাথে কথা বলতে গিয়ে আবেগে কেঁদে ফেললে সেলিম ওসমান আরও বলেন, আমি কোন বেআইনী কাজ করতে পারবো না। এক সাথে আমি জমি কিনতে পারিনি বলে আপনাদের জমির মূল্যটা দিয়ে দিলাম। আপনারা জমি খোঁজার চেষ্টা করেন। এর মধ্যে যদি আপনাদের অন্যত্র বাসা ভাড়া করে থাকতে হয় তাহলে আমি প্রতিটি পরিবারকে আগামী ৩ মাসের জন্য ১৫’শ টাকা করে ৪৫’শ টাকা একাউন্টে পৌছে দিবো। সেটা দিয়ে আপনারা বাড়িভাড়া দিবেন। কিন্তু প্রতি মাসে ১৫’শ টাকার বেশি তুলতে পারবেন না। জমি কেনার সময় পুরো টাকাটা তুলতে পারবেন। এতে করে আপনাদের জমি কেনার জন্য দেওয়া টাকাটা আর খরচ হবে না।

সেলিম ওসমানের এমন উদারতায় মুগ্ধ হয়ে উপস্থিত প্রায় দুই শতাধিক অসহায় নারী পুরুষ সৃষ্টিকর্তার উদ্দেশ্যে দুই হাত তুলে সেলিম ওসমানের জন্য দোয়া প্রার্থনা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক আবুল জাহের, বন্দর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি এম এ রশিদ, বন্দর উপজেলার চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুল, জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহবায়ক আফজাল হোসেন, শহর যুব সংহতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিপন ভাওয়াল, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইফুদ্দিন আহম্মেদ দুলাল প্রধান, ধামগড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আয়নাল হক, মুছাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেন, মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ সালাম, কলাগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন প্রধান, বন্দর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন, বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) নজরুল ইসলাম, ছাত্রলীগ নেতা ফাহিম প্রমুখ।

সেলিম ওসমানের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে নির্মানাধীন স্কুল গুলোতে আরও ৭৫ লাখ টাকার চেক প্রদান,

নারায়ণগঞ্জ-৫(শহর-বন্দর) আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানের ঘোষণা অনুযায়ী তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে নির্মানাধীন স্কুল গুলোতে আরও ৭৫ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত সেলিম ওসমান তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে নির্মানাধীন স্কুল গুলোতে ১২ কোটি ৩৭ লাখ টাকা প্রদান করলেন।

মঙ্গলবার(২৯ ডিসেম্বর) সকালে বন্দরের সমরক্ষেত্র মাঠে সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান স্কুল গুলোর পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দের হাতে চেক গুলো হস্তান্তর করেন।

যার মধ্যে বন্দর ইউনিয়নে নাসিম ওসমান মডেল হাইস্কুলকে ৩০ লাখ, মছুাপুর ইউনিয়নে শামসুজ্জোহা এমবি ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়কে ১৫ লাখ, মদনপুর ইউনিয়নে নাগিনা জোহা উচ্চ বিদ্যালয়কে ১০ লাখ, ধামগড় ইউনিয়নে শেখ জামাল উচ্চ বিদ্যালয়কে ১০ লাখ এবং পুরান সৈয়দপুর বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়কে ১০ লাখ টাকার চেক প্রদান করা হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক আবুল জাহের, বন্দর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি এম এ রশিদ, বন্দর উপজেলার চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুল, জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহবায়ক আফজাল হোসেন, শহর যুব সংহতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিপন ভাওয়াল, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইফুদ্দিন আহম্মেদ দুলাল প্রধান, ধামগড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আয়নাল হক, মুছাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেন, মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ সালাম, কলাগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন প্রধান, বন্দর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন, গোগনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নওশেদ আলী, বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) নজরুল ইসলাম, ছাত্রলীগ নেতা ফাহিম প্রমুখ।

উল্লেখ্য গত ২০১৪ সালের ২৬ জুন উপনির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদস সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর সেলিম ওসমান নিজ অর্থায়নে নিজ নির্বাচনী এলাকার আওতাধীন ৭টি ইউনিয়নে ৭টি স্কুল নির্মানের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তার ঘোষণা অনুযায়ী গোগনগর, বন্দর, কলাগাছিয়া, ধামগড়, মদনপুর, মুছাপুর ইউনিয়নে ৬টি স্কুলের নির্মান কাজ চলমান রয়েছে। আগামী জানুয়ারীর মাসের প্রথম দিন থেকে ওই সকল স্কুলে পাঠ দান শুরু করার ব্যাপারে তাগিদ দিয়েছেন তিনি। এছাড়াও গত ১৯ ডিসেম্বর আলীরটেক ইউনিয়নে কুড়েরপার আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন বহুতল ভবন নির্মানের জন্য ২৫ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর করেছেন।

ইতোমধ্যে সেলিম ওসমানের ঘোষণা অনুযায়ী তার নির্বাচনী এলাকার আওতাধীন ৬টি ইউনিয়নে নির্মানাধীন স্কুল গুলোর মধ্যে মুছাপুরে শামসুজ্জোহা এমবি ইউনিয়ন হাই স্কুলে ৩ কোটি ৩৭ লাখ ৫০ হাজার, বন্দর ইউনিয়নে নাসিম ওসমান মডেল হাইস্কুলে ২ কোটি ৫৫ লাখ, কলাগাছিয়া ইউনিয়নে আলহাজ্ব খোরশেদুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা, গোগনগর ইউনিয়নে পুরান সৈয়দপুর বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়ে ১ কোটি ৮৫ লাখ, মদনপুর ইউনিয়নে নাগিনা জোহা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা, পিয়ার সাত্তার লতিফ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫০ লাখ, ধামগড় ইউনিয়নে শেখ জামাল উচ্চ বিদ্যালয়ে ১ কোটি  ১০ লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে।

দি গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডট কম/রিপন/ডেরি

Related posts