September 22, 2018

উদ্ধারকৃত গ্রেনেড নিস্ক্রিয়কালে আহত ২৯ ছাত্রী!

ঢাকাঃ  পুরাতন ৭টি অব্যবহৃত গ্রেনেড নিস্ক্রিয়কালে এতো শব্দ হতে পারে তা পুলিশ কিংবা সেনাবাহিনীর বোমা নিস্ক্রিয়কারী দলের ধারণাই ছিল না। তাই এলাকার মানুষ আতঙ্কে বাড়ি ঘর থেকে বেড়িয়ে এসেছে। একটি বালিকা বিদ্যালয়ের আতঙ্কিত শিক্ষার্থীরা ভবন থেকে বের হতে গিয়ে আহত হয়েছে।

বুধবার কুমিল্লার হোমনা উপজেলা সদরে এ ঘটনা ঘটে। উদ্ধারকৃত গ্রেনেড নিস্ক্রিয়কালে সৃষ্ট বিকট শব্দে একটি বালিকা বিদ্যালয়ের ২৯ জন শিক্ষার্থী ভয়ে বাইরে বেরিয়ে আসতে গিয়ে আহত হয়েছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অন্যরা আহত ছাত্রীদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে।

পুলিশ জানায়, গত বছরের মার্চ মাসে হোমনা উপজেলার রামকৃষ্ণপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণকালে মাটির নিচ থেকে সাতটি অব্যবহৃত তাজা গ্রেনেড উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধারকৃত এসব গ্রেনেড বুধবার দুপুরের দিকে সেনাবাহিনীর বোমা নিস্ক্রিয় দল থানার পাশে তিতাস নদীর পাড়ে গ্রেনেডগুলো নিস্ক্রিয় করার সময় এর বিকট শব্দে পার্শ্ববর্তী কফিল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবনসহ আশপাশের এলাকা কেঁপে উঠে। এসময় ওই বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা কক্ষ থেকে বের হতে গিয়ে অন্তত ২৯ জন আহত হয়।

৬ষ্ঠ শ্রেণির আহত ছাত্রী রিমা আক্তার, তাছলিমা আক্তার, রেহেনা আক্তার জানান, ক্লাস করার সময় হঠাৎ বিকট শব্দে আমাদের স্কুল ভবন এবং মাটি কেঁপে উঠে, মনে হয়েছিল যেন ভূমি কম্প হচ্ছে, তাই বের হতে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ি।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবদুল মালেক জানান, দুপুরে ক্লাস চলাকালে হঠাৎ বিকট শব্দে ভবন কেঁপে উঠলে ছাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে রুম থেকে বের হওয়ার সময় অনেকেই আহত হয়, আমরা তখনো জানতাম না সেখানে কি হচ্ছে।

তিনি জানান, আহতদের মধ্যে ২৯ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হোমনা থানা পুলিশের ওসি মো. ফয়সল জানান, থানার পাশে তিতাস নদীর তীরে বালির নিচে উদ্ধারকৃত পুরাতন গ্রেনেড সেনাবাহিনীর একটি দল ধ্বংস করার সময় বিকট শব্দ হয়, এতে পাশ্ববর্তী কফিল উদ্দিন স্কুলের ছাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে বের হওয়ার সময় আহত হয়।

দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডট কম/রিপন ডেরি/২৭ এপ্রিল ২০১৬

Related posts