September 19, 2018

ঈদকে সামনে রেখে কোরবানির পশু লালন-পালনে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন সাতক্ষীরায় খামারীরা

শহীদুজ্জামান ( শিমুল )

আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে কোরবানির পশু লালন-পালনে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন সাতক্ষীরার খামারীরা। ভারতীয় গরু আমদানী কমে যাওয়ায় গরু ছাগল উৎপাদনে ঝুকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। তবে গো-খাদ্যের উর্ধগতি আর ভারতীয় গরু আসা বন্ধ না হওয়ায় তারা ক্ষতির আশংকা করছেন। উৎপাদিত পশু দিয়ে কোরবানি সহ জেলার মাংসের চাহিদা পুরন করেও জেলার বাইরে সরবরাহ করার প্রস্তুতি রয়েছে। প্রানী সম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা বলছেন, সুস্থ্য সবল পশু উৎপাদনে সার্বিক তদারকি করা হচ্ছে। খামারিরা সহজ শর্তে ঋন পেলে, দেশের উৎপাদিত পশু দিয়ে মাংসের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। একই সাথে কর্মসংস্থানেরও সুযোগ সৃষ্টি হবে।

আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে জেলার সাতটি উপজেলায় ছোট বড় একাধিক খামার গড়ে উঠেছে। এরমধ্যে ছোট ছোট পারিবারিক খামারের সংখ্যা বেশী। ৭টি উপজেলার মধ্যে সাতক্ষীরা সদর, কলারোয়, তালা, আশাশুনি ও দেবহাটা উপজেলায় সবচেয়ে বেশী গরু ছাগল ও ভেড়া উৎপাদনকারী খমার রয়েছে। প্রতিটি খামারে ২ থেকে ৫জন করে কর্মচারী দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। এই খামারকে ঘিরে প্রায় ২৫ হাজার পরিবারের সংসার চলছে।
তবে গো-খাদ্যের লামাহীন উর্ধগতির কারনে পশু লালন-পালন খরচ আগের তুলনায় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। তাদের আশংকা ভারতীয় গরু বাংলাদেশে প্রবেশ করলে গরুর দাম কমে যাবে। তখন উৎপাদন খরচ ওঠানো যাবে না। গরু প্রতি তাদের ২০/২৫ হাজার টাকা লোকসন হয়ে যাবে। পশু পালনকে উদ্বুদ্ধ করতে তারা সরকারের কাছে সহজ শর্তে ঋনের দাবি জানিছেন খামার মালিকরা।

জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা সমরেশ চন্দ্র দাশ জানিয়েছেন, গরু মোটা তাজা করতে যাতে খামারীরা কোন প্রকার অতিরিক্ত ক্যামিক্যালস্ ব্যবহার করতে না পারে সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। ভারতীয় গরু আসা কমে যাওয়ায় প্রান্তিক চাষীরা পশু পালনে ঝুকে পড়েছে। এতে বেকারত্বেরা সমস্যাও কমে যাচ্ছে।

সাতক্ষীরায় আসন্ন কোরবানীর লক্ষ্যে ছোট বড় ৮ হাজার ১৪০টি খামারে ৩২ হাজার ১১৪টি গরু, ১৫ হাজার ৬৫১টি ছাগল ও ৫ হাজার ৫৩৪টি ভেড়া উৎপাদন করা হচ্ছে।

 

Related posts