November 22, 2018

ইসলামপুরে ত্রাণের জন্য অপেক্ষা

Captureঢাকা::

ইসলামপুরে ত্রাণের অপক্ষোয় মানুষ। ত্রাণ না পেয়ে অধিকাংশ বানভাসী মানুষকে নিত্যদিন খালি হাতে বাড়ি ফিরতে হয়। গত শুক্রবার ত্রাণমন্ত্রীর ত্রাণ কর্মসূচিতেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। দূর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রী ত্রাণ দিতে আসবে। তাই আমতলী রাস্তার একটি ছোট্র কার্লভাটের ওপর নির্মিত সভার মঞ্চের সামনে পানিতে দাড়িয়ে অপেক্ষায় ছিলেন দুই সহস্রাধিক বানভাসী মানুষ। মন্ত্রী এসেছেন ত্রাণও দিয়েছেন। তবুও অধিকাংশ বানভাসী মানুষকে নিরাশ হয়ে খালি হাতে বাড়ি ফিরতে হয়েছে।

দূর্যোগ ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া এবং পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম ইসলামপুর উপজেলার বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন ও বন্যা দূর্গতদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।

গত শুক্রবার উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ত্রাণমন্ত্রী বন্যা দূর্গতদের পূর্ণবাসনসহ নানা বিষয়ে কথা বলেন। তিনি জামালপুর জেলার বরাদ্দকৃত ত্রাণের অধিকাংশ ইসলামপুরের বানভাসী মানুষদের দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিলেও বিশেষ কোন বরাদ্দে ঘোষণা দেননি।

এদিকে বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে যমুনার পানি হ্রাস পেলেও ইসলামপুরের বন্যা কবলিত এলাকা গুলোতে এর কোন পরিবর্তন নেই। যমুনার পানি এখনো বিপদ সীমার ৮১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যার পানি দ্রুত হ্রাস পেলেও আড়াই লক্ষাধিক দূর্গত মানুষের বাড়ি ফিরতে অনেক সময়ের প্রয়োজন। প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী না পাওয়ায় এসব মানুষ অতি কষ্টে দিনাতিপাত করছে।

উপজেলা প্রকল্পবাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান টিটু জানান, এ পর্যন্ত ৭০ মেট্রিক টন চাল, সাড়ে চার লাখ টাকা, এক হাজার পেকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম এহেসানুল মামুন জানান, সরকারের পক্ষ থেকে ত্রাণতৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। সহকারী প্রকৌশলী রোকুনুজ্জামান জানান,জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে গত বৃহ¯প্রতিবার অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (পরিকল্পনা) এ.কে.এম ইব্রাহীম ৩০০ পেকেট হাইজিন কিট বিতরণ করেছেন।

Related posts