September 24, 2018

ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর – ইলিশ লাগবো গো, ইলিশ কম দামে দিমু লইয়া যান

4এ কে আজাদ, চাঁদপুর : ইলশ লাগবো গো, ইলিশ কম দামে দিমু লইয়া যান, একবারে পানির দাম। ভোর না হতেই ফেরী ওয়ালাদের হাঁক-ডাকে ঘুম ভাঙ্গে ব্র্যাডিং জেলা ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরের মানুষের। মধ্যবিত্ত-নিন্ম মধ্যবিত্ত মানুষ কিছুদিন আগেও একটি ইলিশ মাছ কিনতে চিন্তা করতে হতো। হয়তো একটি ইলিশ মাছের টাকা দিয়ে তার দিনের পুরো বাজারটিই হয়ে যেত। কিন্তু এখন আর বাজারে গিয়ে ইলিশের দাম জানতে হয় না। ঘুম থেকে উঠেই ফেরীওয়ালাদের কাছেই কম দামে কিনে নিতে পারছে স্বাধের ইলিশ। শহরের প্রতিটি অলি-গলি, পাড়া-মহল্লার মোড়ে মোড়ে, রিস্কা, ভ্যানে করে ফেরী করে বিক্রি করা হচ্ছে সু-স্বাধু ইলিশ মাছ।

3বিশেষ করে মহিলারা বেশি ক্রয় করছেন ফেরী ওয়ালাদের কাছ থেকে। যদিও চাঁদপুর নৌ-সীমানার পদ্মা-মেঘনায় কাক্সিক্ষত ইলিশ পাচ্ছে না জেলেরা। এসব ইলিশ আসছে বরিশাল, ভোলা, চরফ্যাশান ও নোয়াখালী রামগতি, আলেকজেন্ডার থেকে। বর্তমানে দেশের সর্ববৃহৎ চাঁদপুর বড়স্টেশন ইলিশের আড়ৎগুলোতে প্রতিদিন গড়ে কয়েক শতাধিক মণ ইলিশ আমদানী হচ্ছে।

5

ব্যবসায়ীরা জানান, ইলিশের এখন ভরা মৌসুম তাই সাগরসহ এর আসপাশের নদীগুলোতে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে। তাই বিগত বছরগুলোর তুলনায় এ বছর প্রচুর ইলিশ আমদানী হচ্ছে। ইলিশ আমদানীর ফলে চাঁদপুর থেকে দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রচুর পরিমান মাছ রপ্তানি করা হচ্ছে। পাশাপাশী জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে মৌসুমী কিছু ব্যবসায়ীরা ইলিশ কিনে নিয়ে যাচ্ছে আড়ৎ থেকে। আবার এক ধরনের ছোট-ছোট ব্যবসায়ী রয়েছে তারা ২/৩মণ করে মাছ কিনে শহর এবং গ্রাম-গঞ্জে নিয়ে ফেরী করে বিক্রি করছে। যারা ফেরী করে ইলিশ বিক্রি করছে তাদের বাড়তি কোন খরছ নেই তাই অল্প ব্যবসা করে কম দামে মাছ বিক্রি করতে পারছে। সাধারণ মানুষও তাদের কাছ থেকে কম দামে মাছ কিনে খুশি হয়ে বাসায় নিয়ে যাচ্ছে। ফেরীওয়লাদের কাছে ৫শ’ থেকে ৬শ’ গ্রাম ওজনের মাছ কিনতে পারছে মাত্র ৩শ’ থেকে ৪শ’ টাকা কেজীতে। ৭শ’ থেকে সাড়ে ৯শ’ গ্রাম ওজনের ইলিশ মাছ বিক্রি করছে তারা ৫শ’ থেকে ৬শ’ টাকা কেজি দরে। এর মধ্যে ১ কেজি ওজনের ইলিশ তাদের কাছে পাওয়া যাচ্ছে কম। যদিও ২/৪ট পাওয়া যায় এগুলোর দাম একটু বেশী নিচ্ছে তারা।

Related posts