September 20, 2018

ইবরারের মুখোশ এবার উন্মোচিত হলো: মিথিলা

“বিচ্ছেদের পর অনেকেই ভুল বুঝেছেন আমাকে। কেউ কেউ সম্পর্কের এই অবস্থার জন্য আঙ্গুল তুলেছেন আমার দিকে। এখন তারাও বুঝতে পেরেছেন ইবরার টিপুর বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করেছিলাম তা পুরোপুরি সত্য। কারণ সত্য কখনো চাপা থাকে না, প্রকৃত মুখোশ উন্মোচন হয়েছে টিপুর।” যুক্তরাষ্ট্র থেকে মুঠোফোনে এভাবেই নিজের ক্ষোভ ঝাড়লেন টিপুর সাবেক স্ত্রী মিথিলা। সম্প্রতি সঙ্গীতশিল্পী ইবরার টিপুর বিরুদ্ধে পরকীয়া ও নির্যাতনের অভিযোগ আনেন তার সাবেক স্ত্রী অভিনেত্রী ও উপস্থাপিকা মিথিলা ফারজানা ববি। এমনকি তাদের দাম্পত্য কলহ গড়ায় থানা পর্যন্ত। জিডি করার কিছুদিন পর ডিভোর্সও ঘটে ইবরার-মিথিলার। কিন্তু তিনমাস গড়াতে না গড়াতেই ফের বিয়ের বন্ধনে জড়িয়েছেন টিপু। এমনটাই জানালেন মিথিলা।

পাত্রী নাকি সেই নারী যাকে ঘিরে তাদের সংসারে দাবানলের স্ফূলিঙ্গ ছড়িয়েছিল। নাম তার বিন্দু কণা। এ প্রসঙ্গে মিথিলা বলেন, “আইনগতভাবে ইবরার ডিভোর্সের তিনমাসের মধ্যে বিয়ে করতে পারেন না, অথচ ৪৫ দিনের মাথায় গত ২৭ জুলাই এই বিন্দুর সাঙ্গে বিয়ের বন্ধনে জড়িয়েছেন। বর্তমানে তারা রমনা টাওয়ারেই থাকছেন। শুধু তাই নয়, বিয়ের পর ইবরার তার নতুন বউকে নিয়ে সৈয়দপুরের গ্রামের বাড়িতেও ঘুরে এসেছেন। এর পরপরই ইবরারের আত্মীয়-স্বজন বুঝতে পেরেছেন দাম্পত্য কলহ নিয়ে আমার যে অভিযোগ ছিল তা সত্য। এখন তারাও আফসোস করছেন।” ইবরার যে তিনমাসের মধ্যে বিয়ে করলেন এতে কি আপনি কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেবেন- এমন প্রশ্নের উত্তরে মিথিলা বলেন, ” না না, সেটা কেন করতে যাবো? অতীত নিয়ে আর ঘাঁটাঘাঁটি করতে চাই না।” এখন তো ঘাঁটাঘাঁটিই করছেন, তাই না? এবার মিথিলা বলেন, “দেখুন আমি শুধু ইবরারের আসল চেহারাটা সমাজের সামনে তুলে ধরতে চাই যাতে নতুন করে কেউ তার ফাঁদে না পড়ে।

এছাড়া নিজের প্রতি যে অভিযোগ ছিল সেটাও এখন সবাই অনুধাবন করতে পারবেন। তিনমাস না গড়াতেই সেই নারীকেই বিয়ে করলো সে। এই জন্যই মিডিয়াতে এসব বলছি।” খোঁজ নিয়ে জানা গেছে ১২৫, বড় মগবাজার, রমনা টাওয়ারে ইবরার তার দ্বিতীয় স্ত্রী বিন্দুকে নিয়ে ঘর-সংসার করছেন। এছাড়া প্রতিবেশিদের নিজে থেকেই জানিয়েছেন তার এই বিয়ের কথা। এদিকে, ইবরার টিপু ব্যক্তিগত এসব বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। বাংলাদেশ প্রতিদিনকে তিনি বলেন, “বিয়ে, তালাক এসব নিয়ে কথা বলতে চাই না। এগুলো একান্তই ব্যক্তিগত বিষয়। এখনো কি ব্যক্তিগত আছে, যা কিনা মিডিয়াতে বেশ কয়েকবার প্রকাশিত এবং উচ্চারিত হয়েছে? আপনি নাকি রমনা টাওয়ারে বিয়ের পর দ্বিতীয় স্ত্রী বিন্দুকে নিয়ে ঘর করছেন? “ওই যে বললাম ব্যক্তিগত…সুতরাং, এসব বিষয়ে কথা বলতে চাই না।” মিথিলা অভিযোগ করেছেন, তিন মাসের মধ্যে বিয়ে করে প্রমাণ দিয়েছেন আপনিই ছিলেন অপরাধী। এবার টিপু বলেন, “একটা হলো মতামত আর আরেকটা হলো রেজিস্ট্রেশনে তালাক।

রেজিস্ট্রেশনে তালাক হলে পরের দিনই বিয়ে করা যায়।” তাহলে কি রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে তালাক হয়েছে? এমনটা জানতে চাইলে টিপু বলেন, “ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে আর কোনো কথা বলবো না।” অন্যদিকে তালাক নিয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে আইনজীবীরা জানান, তালাক পুরোপুরি বাস্তবায়ন হতে তিন মাস ১৩ দিন লাগবে। এর মাঝে কোনো পক্ষই বিয়ে করতে পারবে না। উল্লেখ্য, মিথিলা বর্তমানে তাদের নয় বছরের সন্তান ওহিকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। (বিশেষ দ্রষ্টব্য: ইবরার টিপুর বিরুদ্ধে মিথিলার এসব অভিযোগ লিখিত আকারে সংরক্ষিত আছে।) বিডি-প্রতিদিন

Related posts