November 16, 2018

একাদশ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্যাপুর-পলাশবাড়ী) আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাপ

wwww
তোফায়েল হোসেন জাকির, স্টাফ রিপোর্টার গাইবান্ধা : আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গাইবান্ধ-৩ (সাদুল্যাপুর-পলাশবাড়ী) আসনের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য প্রার্থীগণ দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশায় দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। সম্ভাব্য প্রার্থী প্রত্যেকেই দলের ও নিজের অবস্থান জানান দিচ্ছেন বিভিন্ন সভা-সমাবেশ থেকে শুরু করে পোস্টার-ফেস্টুনে। কেউ হাল ছাড়তে নারাজ। দলীয় কান্ডারি হতে মনোনয়ন পেতে কেন্দ্রে চলছে যোগাযোগ। সেই সাথে সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির পাশাপাশি আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা।
এছাড়াও একাদশ নির্বাচনকে সামনে রেখে নানা ধরণের সভা-সমাবেশে আসছেন নেতারা। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠান ও সভা-সমাবেশে জনসংযোগ শুরু করেছেন। তারা আগামী নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করছেন। বিএনপির ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের মুখে মুখে আলোচনা ছাড়া তেমন কোনো তৎপরতা নেই। তারা এখনও প্রকাশ্যে মাঠে নামেননি বলে স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে। তবে নির্বাচনের জন্য নিরব প্রস্তুতি চলছে।
গাইবান্ধ-৩ (সাদুল্যাপুর-পলাশবাড়ী) আসন থেকে ইতোমধ্যে সম্ভাব্য এমপি প্রার্থী হিসেবে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন- বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাদুল্যাপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বর্তমান সংসদ সদস্য ডা. ইউনুস আলী সরকার, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাংসদ উম্মে কুলসুম স্মৃতি, গাইবান্ধা জেলা আওয়ামীলীগের নেতা মতিয়ার রহমান, সাদুল্যাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক শাহারিয়ার খান বিপ্লব, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এমএ আব্দুল ওয়াহেদ মিয়া, বর্তমান কেন্দ্রীয় মুক্তিযুদ্ধ সংসদ কমান্ড কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) মাহমুদুল হক, পলাশবাড়ী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবু বকর প্রধান, সহ-সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব একেএম মোকছেদ চৌধুরী বিদ্যুৎ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি আলহাজ্ব তোফাজ্জল হোসেন সরকার। এছাড়াও ডা. শাহ মোঃ ইয়াকুবুল আজাদ, ফিরোজ কবির শুমন।
বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল (বিএনপি) থেকে- গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি ডা. মইনুল হাসান সাদিক, পলাশবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহ আলম সরকার (টুপি আলম), সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ মারো ও সাবেক ছাত্রনেতা ড. মিজানুর রহমান মাসুম।

জাতীয় পার্টি থেকে- জাতীয় পার্টির কেন্দ্রী প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিষ্টার দিলারা খন্দকার শিল্পী ও জেলা জাতীয় পার্টির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মনজুরুল হক সাচ্ছা। এদিকে ২০ দলীয় জোটের শরিক দল (জেপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও সাবেক এমপি ডাঃ টিআইএম ফজলে রাব্বী এ নির্বাচনে অংশ নিবেদন বলে জানা গেছে।
এছাড়াও আওয়ামীলীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আরও অনেকের নাম শোনা যাচ্ছে। সম্প্রতি সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজ নিজ এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠান ও সভা-সমাবেশ সহ জনসংযোগ শুরু করেছেন বলে দলীয় সুত্রে জানা গেছে।

 

Related posts