November 18, 2018

আ’লীগের কাউন্সিল পেপার নিয়ে আত্মগোপনে সভাপতি সেক্রেটারী

424জহুরুল ইসলাম,পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পটুয়াখালী জেলার নবগঠিত রাঙ্গাবালী উপজেলার ৪টি ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সাম্ভব্য প্রার্থীদের কাউন্সিল পেপার নিয়ে আত্মগোপনে আছেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, সাধারন সম্পাদক ।

কয়েক দিন পর্যন্ত উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আহসানুল কবির চানু এবং সাধারন সম্পাদক এনামুল হক লিটুর নেতৃত্বে রাঙ্গাবালী উপজেলার ৪টি ইউনিয়নের তৃর্নমুল পর্যায় প্রার্থী বাছাইয়ের কাউন্সিল চলছিল। ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ আয়োজিত তৃনমুল প্রার্থী বাছাই কাউন্সিল এ লিখিত ভাবে প্রত্যেক ওয়ার্ডের সভাপতি, সাধারন সম্পাদক ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ৬জন প্রতিনিধি তাদের পছন্দের যোগ্য দলের প্রতি আনুগত্য ব্যক্তিদের সর্মথন দিয়েছেন।

১৪ ফেব্রুয়ারী চরমোন্তাজের কাউন্সিলে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি একেএম আবু শামসুদ্দিন এবং চালিতাবুনিয়ায় ফজলুর রহমান, ১৫ই ফেব্রুয়ারী রাঙ্গাবালী ইউপির কাউন্সিলে বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি হুমায়ন তালুকদার এবং ছোটবাইশদিয়া হাজী আবদুল মান্নান সাম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে স্থানীয় আওয়ামীলীগসহ সকলের জনসর্মথন পান। কিন্তু উপজেলা সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক সকল সাম্ভাব্য প্রার্থীদের কাছ থেকে ব্লাংক পেপারে স্বাক্ষর নিয়ে সোমবার পর্যন্ত আত্মগোপনে আছেন। তাদের কোন খোজ খবর না পেয়ে সাম্ভাব্য প্রার্থীরা জেলা আওয়ামীলীগ এবং স্থানীয় গনমাধ্যম কর্মীদের সাথে যোগাযোগ করে এ তথ্য জানায়।

তাদের সাথে (সভাপতি-০১৭১৩৯৫৭৪৩২, সম্পাদক-০১৭১২৯৭২৪৪৮) নম্বরে একাধিক বার রাত ১০টা পর্যন্ত যোগোযোগ করার চেষ্ঠা করে পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় বিশস্ত সূত্রে জানাযায়, সভাপতি সম্পাদক অবৈধ ভবাবে তৃর্নমূলের সর্মথনকে উপেক্ষা করে মোটা অংকের টাকার বিনিময় তাদের লেনদেন হওয়া মনোনয়ন প্রত্যাশিদের নাম কাউন্সিলে না আসায় আসল কাউন্সিলের কাগজ পত্র নিয়ে আত্মগোপনে আছেন।

উপজেলা ও ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের একাধিক সদস্য (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) জানাযায়, সভাপতি সম্পাদক রাঙ্গাবালী ৪টি ইউনিয়নের সাম্ভাব্য কিছু দোটানা, জাতীয়তাবাদী ও জামায়াতের আর্শিবাদ পুষ্ঠ নব্য আওয়ামীগের সুবিধাবাদী সদস্য ও মনোনয়ন প্রত্যাশিদের কাছ থেকে দলের মনোনয়ন দিতে এক কোটি টাকারও বেশি লেনদেন করেছেন। দিনের আলোতে গনতান্ত্রিক পদ্ধতির কাউন্সিলের কাগজ নিয়ে উধাও, তাদের এই উর্ঘ আচারনে এবং প্রকাশ্যে দূর্নীতির খবরে স্থানীয় আওয়ামীলীগের মধ্য সৃষ্ঠি হয়েছে ক্ষোভ, বিরাজ করেছে হতাশা । এতে যেমন এলাকায় সৃষ্ঠি হয়েছে চা ল্যতা তেমন ক্ষুন্ন হয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামীগের দীর্ঘ দিনের সুনাম ও খ্যাতি।

এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব খান মোশারফ হোসেনসহ একাধিক নেতাদের সাথে যোগাযোগ করে জানা গেছে, তাদের কাছে এখন পর্যন্ত রাঙ্গাবালীর কোন সাম্ভাব্য প্রার্থীদের কাগজপত্র জমা হয়নি। যেহেতু দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১৮ ফেব্রুয়ারী পযর্ন্ত নাম জমা দেয়ার সময় আছে, তার আগে তারা কিছু বলতে পারছেন না। তবে প্রার্থী বাছাইয়ে যদি কোন রকমের স্বজন প্রীতি, দূর্নীতি এবং তৃর্নমূলের সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করা হয়, আর আমাদের কাছে এরকম কোন ধরনের অভিযোগ আসে তাহলে সাথে সাথেই দলীয় গঠনতন্ত্র মোতাবেক ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

রাঙ্গাবালী উপজেলার আওয়ামীলীগ অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীদের একটাই দাবি যাহাতে এ ধরনের কর্মকান্ড কেউনা করতে পারে সেজন্য জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতা কর্মীদের সজাগ ও সু-দৃষ্ঠি কামনা করেন।

Related posts