September 21, 2018

আলমারীর নিচে লুকানো সিল দেয়া ১৩৫টি ব্যালট উদ্ধার

রফিকুল ইসলাম রফিক             
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সোনারগাঁয়ে সাদিপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার ৩দিন পর গতকাল বুধবার সকালে গজারিয়াপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে আলমারীর নিচে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় পরাজিত স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল হাশেমের চমশা প্রতীকে ভোট দেয়া ১৩৫টি ব্যালট পেপার উদ্ধার করা হয়েছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে থানার এস.আই আল-আমীন ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যালট পেপারগুলো উদ্ধার করেন। ধারণা করা হচ্ছে, প্রশাসনের অসাধু কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় নির্বাচনের দিন চশমা প্রতীকের প্রতিপক্ষ নৌকারকর্মীরা চশমা প্রতীকে ভোট দেয়া উক্ত ১৩৫টি ব্যালট পেপার কৌশলে আলমারীর নিচে লুকিয়ে রাখে।

ব্যালট পেপার উদ্ধারকারী সোনারগাঁ থানার এসআই আল-আমিন জানান, সাদিপুর ইউনিয়নের গজারিয়াপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে একটি আলমারীর নিচে লুকিয়ে রাখাবস্থায় চশমা প্রতীকে সিল দেয়া ১৩৫টি ব্যালট পেপার উদ্ধার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ ব্যাপারে সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সাদিপুর ইউনিয়নে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বপালনকারী হাবিবা আখতার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমি উক্ত ব্যালট পেপারগুলো উদ্ধারের জন্য কেন্দ্রে পুলিশ পাঠিয়েছি। পুলিশ ওগুলো উদ্ধার করে থানায় জিডি করলে আমরা পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নিব।

নারায়ণগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা তারিফুজ্জামান জানান, চশমা প্রতীকে সিল দেয়া ১৩৫টি ব্যালট পেপার উদ্ধারকারী পুলিশের এসআই আল-আমিন এ প্রসঙ্গে সোনারগাঁ থানায় একটি জিডি করে আমাদের কাছে সব হস্তান্তর করলে আমরা অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা

নারায়ণগঞ্জের আরো খবর।

মিলের ভেতর শিশু শ্রমিক ধর্ষণ

আড়াইহাজারে স্পিনিং মিলের ভিতর শ্রমিক নিয়ন্ত্রনের লাইনম্যান কর্তৃক শিশু শ্রমিক ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানাগেছে, গত ২৬ মে বেলা ১১টার দিকে উপজেলার গোপীন্দী এলাকার ভাই ভাই স্পিনিং মিলের তুলা কাটার শিশু শ্রমিককে তার কাজের লাইনম্যান রোমান ফুসলিয়ে মিলের ভিতর পশ্চিম দিকে মেশিনের আড়ালে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। পরে শিশুটি ধর্ষনের ঘটনাটি মিল কর্তৃপক্ষকে জানালে মিলের জিএম শিশুটির পিতা-মাতাকে ডেকে এনে শিশুটিকে তার পিতা-মাতা ও স্থানীয় পৌরসভার কাউন্সিলর নজরুল ইসলামের কাছে তুলে দেন।

স্থানীয়ভাবে ধর্ষণের ঘটনাটি মিমাংসা করবে বলে স্থানীয় একটি মহল সময় ক্ষেপন করে ঘটনাটিকে আড়ালের চেষ্টা করে।

ধর্ষিতার মা রাশিদা ১জুন বুধবার ধর্ষক রোমানকে আসামী করে আড়াইহাজার থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

শিশুটি উপজেলার আড়াইহাজার পৌরসভাধিন চামুরকান্দী গ্রামের এক রিক্সা চালকের কন্যা।
অপরদিকে ধর্ষক রোমান উপজেলার আড়াইহাজার পৌরসভাধিন দাসপাড়া এলাকার আরমান মিয়ার ছেলে বলে পুলিশ জানায়।

আড়াইহাজার থানার ওসি শাখাওয়াত হোসেন ধর্ষণের ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,খুব দ্রুত ধর্ষণকারীকে গ্রেফতার করা হবে।

দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডটকম/রিপন/ডেরি ১ জুন ২০১৬

Related posts