July 18, 2018

আমেরিকা-রাশিয়াকে ছাড়িয়ে গেল ভারত

এ ছাড়াও আধাসামরিক বাহিনীতে রয়েছেন প্রায় ২৩ লক্ষ কর্মী। সব মিলিয়ে সংখ্যাটা ৪৬ লক্ষের কাছাকাছি। ভারতের সেনাবাহিনীতে এই মুহূর্তে কর্মীর সংখ্যা ১৩ লক্ষ ২৫ হাজার। সঙ্গে আধাসামরিক বাহিনীতে রয়েছেন আরও প্রায় ২২ লক্ষ। সব মিলিয়ে ৩৫ লক্ষের মতো।

রাশিয়ার সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক ফৌজ মিলিয়ে মোট সৈন্যসংখ্যা ৩২ লক্ষের কিছু বেশি। আর আমেরিকার সেনাবাহিনীতে এখন কর্মীর সংখ্যা ১৪ লক্ষের মতো।আধাসামরিক বাহিনী বা রিজার্ভ ফোর্সে রয়েছে আরও প্রায় ৮ লক্ষ। মোট ২২ লক্ষ। ভারতের চেয়ে এই হিসেবে রাশিয়া সামান্য পিছিয়ে। বেশ খানিকটা পিছিয়ে আমেরিকা।

তবে শুধু সৈন্যসংখ্যা দিয়ে সেনাবাহিনীর প্রকৃত শক্তি বিচার করেন না প্রতিরক্ষা বিশারদরা। সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ কতটা জোরদার, পেশাদারিত্বের মাপকাঠিতে বাহিনী কতটা এগিয়ে, কতটা আধুনিক যুদ্ধাস্ত্র এবং সরঞ্জাম ব্যবহার করে একটি দেশের সেনা, যুদ্ধ বা প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাফল্য কতটা পেয়েছে বাহিনী, এই সব নানা মাপকাঠি মাথায় রেখেই সমীক্ষক সংস্থা শক্তিশালী সেনাবাহিনীর র‌্যাঙ্কিং নির্ধারণ করে।

ট্যাঙ্কের সংখ্যায় পৃথিবীর সব দেশের চেয়ে অনেক এগিয়ে থাকায় রাশিয়া শক্তিধরের তালিকায় ভারত আর চিনকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।আর অত্যাধুনিক যুদ্ধ কৌশলে ব্যবহারে সবচেয়ে দক্ষ হওয়ায় মার্কিন বাহিনী সবার আগে স্থান পেয়েছে। তার পরেই চিন ও ভারতের জায়গা।

কিন্তু অত্যাধুনিক যুদ্ধে অদক্ষতা, পেশাদারিত্বের অভার, প্রশিক্ষণের ঘাটতি-সহ নানা খামতির কারণে সৈন্যসংখ্যার বিচারে পঞ্চম স্থানে থাকা সত্ত্বেও পাকিস্তানের সেনা প্রথম দশ শক্তিধর সেনাবাহিনীর তালিকার ধারেকাছেও পৌঁছতে পারেনি। বলছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা।

দি গ্লোবাল নিউজ ২৪ডট কম/মেহেদি/ডেরি

Related posts