September 19, 2018

আমেরিকার ইসরাইল নীতিতে পরিবর্তন আসছে?

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কঃ  এবারের আমেরিকার বহুল আলোচিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারণায় ইসরাইল ও মধ্যপ্রাচ্য একটি প্রধান ইস্যু। এ সময়ে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরাইলি নৃশংসতার ওপর মার্কিন প্রশাসনের অনুসন্ধানী রিপোর্ট দেয়াটাকে অনেকে মনে করছেন, ইসরাইল নিয়ে আমেরিকানদের মনোভাব পরিবর্তনের একটি অর্থবহ ইঙ্গিত। ভারমন্টের সিনেটর ও ডেমোক্র্যাটিক দলের প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়নপ্রত্যাশী বার্নি স্যান্ডার্স তার সাম্প্রতিক বক্তব্যে ফিলিস্তিনিদের সংগ্রামের বিষয়ে কথা বলেছেন। এসব নিয়ে জেমস রেইনের বিশ্লেষণমূলক কলামটির অনুবাদ করেছেন সুমাইয়া হাবীবা

আপাতদৃষ্টিতে ইসরাইল সম্পর্কে বরাবরের মতোই বলিষ্ঠতা দেখা যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে। জরিপের ফলাফলও এটাই বলছে। জরিপ অনুযায়ী, ৭০ ভাগ আমেরিকান ইসরাইলের প্রতি অনুরক্ত। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটির (আইপ্যাক) বৈঠক, আমেরিকান রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা ইসরাইলপন্থী লবিস্ট গ্রুপ এবং প্রধান দু’টি দলের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীদের কর্মকাণ্ড, সব মিলে বোঝা যাচ্ছে, তারা আগের মতোই তাদের একান্ত মিত্র ইসরাইলের দিকেই ঝুঁকে থাকবে।

কিন্তু সম্পর্কের ফাটল যেন ক্রমেই ভেসে উঠছে। মিত্র দেশটির প্রতি যে একচোখা সমর্থন ছিল, সেটাতেও চির ধরেছে বলে অনুভূত হচ্ছে। বিগত মাসগুলোতে ডেমোক্র্যাটিক আইনপ্রণেতারা একটি অনুসন্ধানের দাবি তুলেছেন ফিলিস্তিনিদের ওপর নির্যাতনকারী হিসেবে অভিযুক্ত হওয়া ইসরাইলিদের বিষয়ে। যখন আইনপ্রণেতারা ক্রমাগতভাবে আদালতকে ইসরাইলের বিপক্ষে দাঁড় করিয়ে যাচ্ছেন, তখন কিছু জরিপ পরিচালনাকারী বলতে বাধ্য হয়েছেন, সম্ভবত জনমতে ইসরাইলিদের প্রতি অনুরাগ আগের চেয়ে কিছুটা কমেছে।

লক্ষণীয় ব্যাপার হলো, যখন ইসরাইল-ফিলিস্তিন দ্বন্দ্ব নিয়ে আলোচনা ওঠে তখন ভারমন্ডের ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স বেশ জোরালোভাবেই ফিলিস্তিনিদের পক্ষ নিয়ে তাদের জীবন সংগ্রামের কথা তুলে ধরেন। সাধারণত, আমেরিকান প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীদের এ ধরনের কাজ দেখা যায় না। জরিপ পরিচালনাকারী সংগঠন ‘জুইশ ভয়েস ফর পিস’-এর সভাপতি সিথ মরিসন ‘মিডল ইস্ট আই’কে বলেন, ‘জনগণের মনোভাব পরিবর্তন হচ্ছে। আমেরিকান তরুণেরা তাদের বাবা-মায়ের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি পরিবেশে বেড়ে উঠছে। তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই ইসরাইল-ফিলিস্তিন যুদ্ধকে তারা সম্পূর্ণ ভিন্ন দৃষ্টিতেই দেখছে।’

গত মাসে ভারমন্টের আরেক ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর প্যাট্রিক লেহাই যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরিকে একটি চিঠি দিয়েছেন। চিঠির বিষয় ছিল ইসরাইল কর্তৃক চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের একটি তালিকা তৈরি করা, যাতে ইসরাইলি বর্বরতা, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের হিসাব থাকবে। ওই চিঠিতে দশজন আইনপ্রণেতাও স্বাক্ষর করেছেন। আর একই চিঠিতে ফিলিস্তিন ইস্যুর পাশাপাশি মিসরকে উদ্দেশ করেও অনুসন্ধান চালানোর সুপারিশ করা হয়েছে। ইসরাইল ও মিসরই হলো যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাধিক সামরিক সহায়তাপ্রাপ্ত রাষ্ট্র।

আইনপ্রণেতাদের মধ্যে প্যাট্রিক লেহাইয়ের স্বাক্ষর বিশেষ গুরুত্ববহ। কারণ লেহাই সামরিক বাহিনীর বিষয়ে একজন বিশেষ আইনপ্রণেতা; যে আইন বলবৎ হবে সুনির্দিষ্ট পরিপ্রেক্ষিতে। যখন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী কোনো দেশে সামরিক সহায়তা বা অভিযান পরিচালনার সময়ে সে দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে মিলে অত্যাচার নির্যাতনে জড়িত হয় এবং মারাত্মক মানবাধিকার লঙ্ঘনে জড়িয়ে পড়ে। এদিকে প্যাট্রিক লেহাইয়ের চিঠির প্রতিক্রিয়ায় ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ক্ষুব্ধ হয়ে বলেছেন, ‘রক্তপিপাসুদের (ফিলিস্তিনি) সাথে কখনোই ইসরাইলি বাহিনী সীমা লঙ্ঘন করে না।’

যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র পূজা ঝুনঝুনওয়ালা ‘মিডল ইস্ট আই’কে জানিয়েছেন, ‘চিঠির বিষয় পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং এর প্রতিক্রিয়াও প্রস্তুত হচ্ছে। চিঠির জবাবে নিরাপত্তা বাহিনীতে থাকা মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনার ব্যাপারটি বিস্তারিতভাবে জানানো হতে পারে।’ হয়তো এই চিঠি কোনো প্রাপ্তি বা সাফল্য অর্জন করতে পারবে না। তবু প্রচার কর্মীরা এর মাধ্যমে একটি জোরালো ভিত্তি পেলেন প্রচারণার। সিথ মরিসন অবশ্য বলেছেন, ‘চিঠির ব্যাপারটি অর্থপূর্ণ। কারণ, আইপ্যাকের কাছ থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া তারা পাবেন এটা জানার পরও স্বেচ্ছায় জেনে-বুঝে আইনজ্ঞরা এ অবস্থান গ্রহণ করেছেন।’ আমরা কংগ্রেস সদস্যদের সাথে দেখা করেছি। চিঠিতে স্বাক্ষরের ব্যাপারে কথা বলেছি। অতীতে আমরা এ সুযোগটিই পাইনি। বর্তমানে এ ইস্যুটিকে বোঝার জন্য তাদের বেশ উদার মনোভাব রয়েছে।

আরেকটি উদাহরণ হলো, গত মাসে ফিলিস্তিনিদের একটি গ্রুপ আমেরিকার আদালতে ৩৪ বিলিয়ন ডলারের বেশ উচ্চাভিলাষী একটি ক্ষতিপূরণ মামলা করেছেন। এতে অভিযুক্ত করা হয়েছে চার দশক ধরে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলি নির্যাতন, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং ফিলিস্তিনিদের ভূমি জবরদখলের মতো ঘৃণ্য কাজে ইসরাইলকে সহায়তা দানকারী যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, দাতব্য সংস্থা এবং আমেরিকান বেশ কয়েকজন ধনকুবেরকে।

তারা পূর্ব জেরুসালেমের ভূসম্পদের ওপর লোভ করা এবং ফিলিস্তিনি ভূমিতে অন্যায়ভাবে বসতি নির্মাণকাজে অর্থলগ্নি করার অপরাধে, লাস ভেগাসের ‘ক্যাসিনো সম্রাট’ শেলডন অ্যাডেলসন, ‘বিশ্বপ্রেমিক’ হিসেবে খ্যাত আরভিং মসকুইটজ এবং পবিত্র গির্জার যাজক জন হেগের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ চান। ওয়াশিংটন ডিসিতে মামলাটি নিয়ে আসেন প্রচারণাকর্মী বাসেম আল তামিমি এবং আরো ৩৫ জন ফিলিস্তিনি, তাদের মধ্যে ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত আমেরিকানও আছেন। মামলাতে আরো কিছু বিষয় যেমন ষড়যন্ত্র, যুদ্ধাপরাধ, অনধিকার প্রবেশ, দখলদারিত্ব, লুণ্ঠন, ধান্ধাবাজি ইত্যাদিতে জড়িতদেরও বিবাদি করা হয়েছে।

সর্ম্পূণ বিপরীতমুখী পরিবর্তন আসছে আমেরিকায়

সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রের আদালতগুলোতে ফিলিস্তিনপন্থী আইনজীবীদের সাফল্যের হার খুব কম। তবে এবারে আশার কথা হলো, আইনজীবী মারটিন ম্যাকমাহন তার নিজের প্রতিষ্ঠান ‘মারটিন অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস’-এর পক্ষ থেকে মামলাটি লড়ছেন। তিনি বলেছেন, ‘বর্তমানে আমেরিকার বিচারকেরা আর তেমনটা নেই, যেমনটা তারা আগে ছিলেন। আর আমেরিকাও এর আগের সে অবস্থানে নেই যে, তারা ইসরাইলের এমন আচরণগুলো মেনে নেবে আমাদের আইনি কার্যক্রমটি দৃশ্যত তাদের জন্য একটি চালিকাশক্তি, যারা বিচারব্যবস্থার ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন।’

এখানে স্যান্ডার্সের বিষয়টি যোগ করা যায়, যিনি এ বছরের হোয়াইট হাউজে পৌঁছার দৌড়ে হিলারি ক্লিনটনকে পেছনে ফেলতে চাইছেন। ইসরাইল-ফিলিস্তিন সঙ্কটে তার ভূমিকা অন্যান্য রাজনীতিকের চেয়ে অনেকটাই বেশি নিরপেক্ষ বলা যায়। গত মাসে আইপ্যাকের সভায় হিলারি বলেছেন ‘ইসরাইলের নিরাপত্তার বিষয় সব আলোচনার ঊর্ধ্বে।’ রিপাবলিকান অগ্রণী ডোনাল্ড ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেছেন, ‘ইসরাইল ও আমেরিকার এ বন্ধন অটুট অবিচ্ছেদ্য।’ অথচ বার্নি স্যান্ডার্স মনোনয়ন প্রত্যাশী হওয়া সত্ত্বেও এ প্রীতিমিলনী সভায় যোগ দেননি।

নিউ ইয়র্ক ডেইলিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে স্যান্ডার্স ইসরাইল-ফিলিস্তিন ইস্যু নিয়ে কথা বলেন। তিনি শুধু এটুকুই বলেননি যে, ইসরাইলেরই অস্তিত্বের অধিকার আছে। তিনি একই সাথে ফিলিস্তিনিদের দুঃখ-যন্ত্রণা, ক্রমেই নিম্নমুখী জীবনমান, দারিদ্র্যসীমার একেবারে তলানিতে ঠেকে যাওয়া, বেকারত্ব এবং গাজা ক্রমেই একটি পরিত্যক্ত ধ্বংসপুরীতে পরিণত হওয়ার বিষয়ও যুক্তি দিয়ে তুলে ধরেন।

ম্যারিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক এবং মধ্যপ্রাচ্য বিশেষজ্ঞ শিবলী তেলহামির মতে, এটা শুধু আদর্শবাদ নয়। বরং তরুণ ডেমোক্র্যাট সিনেটরদের সমর্থন লাভেরও চেষ্টা। স্যান্ডার্স ইসরাইল-ফিলিস্তিন ইস্যুর মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে যে বক্তব্য রেখেছেন, অন্য কোনো প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী কখনো তা করেছেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তেলহামি বলেন, ‘কোনো দিনই না। সুবর্ণ সুযোগ থাকা সত্ত্বেও না।’ তিনি আরো বলেন, ‘স্যান্ডার্সের এ অবস্থান, তিনি যা প্রত্যাশী বা যেটার কাছে অবস্থান করছেন, তাতে হিলারির বিপরীতে কোনো সাহায্য করবে বলে মনে হয় না।’

স্যান্ডার্সের নিরপেক্ষতার বিষয়ে তেলহামির মত হলো, ‘এটি বৃহত্তর প্রবণতারই একটি অংশ।’ অথচ মূলধারার জনমত জরিপগুলো দেখাচ্ছে, এখনো আমেরিকার জনগণের ইসরাইলের প্রতি অটল সমর্থন রয়েছে। তা হলে বলা যায়, সম্ভবত এগুলো প্রকৃত চিত্র নয়। সাম্প্রতিককালের গ্যালাপ জরিপ নিয়েও বলা যায়। এ জরিপ বলছে, আমেরিকানরা বর্তমানে ইসরাইলের প্রতি আরো অত্যাধিক সহানুভূতিশীল। তাদের ফলাফল অনুযায়ী, ইসরাইলের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ৭০ শতাংশ লোক, ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন মাত্র ১৭ শতাংশ লোক!

জরিপ হওয়া উচিত নিরপেক্ষ কূটনীতিনির্ভর

অধ্যাপক তেলহামি নিজেই একজন জরিপ পরিচালনাকারী। তিনি নিজের জরিপের ব্যাপারে বলেন, যখন আমরা লোকজনকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের কেমন ভূমিকা পালন করা উচিত ইসরাইল-ফিলিস্তিন যুদ্ধের ব্যাপারে?’ ৬৬ শতাংশ বলেছেন, ‘ওয়াশিংটনের নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখা উচিত।’

তথ্যানুসারে, গোঁড়া রিপাবলিকানরাই হলো যুক্তরাষ্ট্রে ইসরাইলের অনুরক্ত একটি প্রশাসন গঠনের চাবিকাঠি। এদের সংখ্যা আমেরিকার মূল জনসংখ্যার দশ ভাগের এক ভাগ। গোঁড়া রিপাবলিকানদের প্রায় ৭৭ শতাংশ চান, সঙ্কট আলোচনায় আমেরিকা ইসরাইলের দিকেই ঝুঁকে থাকুক। ২৯ শতাংশ তুলনামূলকভাবে সামগ্রিক বিবেচনা চান। এ ক্ষেত্রে অবশ্য প্রধান দু’টি দলের মধ্যে তেমন পার্থক্য ছিল না। এ ব্যাপারে এক ধরনের জাতীয় ঐকমত্য কাজ করত। তবে বিগত কয়েক বছরে আমেরিকার মূলধারার রাজনীতিতে দলীয় মতপার্থক্য বেশ প্রকট। এখন ডেমোক্র্যাটদের ৮০ শতাংশ, যাদের অধিকাংশের বয়স পঁয়ত্রিশের নিচে, সেসব তরুণ ডেমোক্র্যাট সর্বান্তকরণে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি নিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চাইছেন।

অবশ্য ইসরাইলি লবি তা চাইছে না। তাদের মতে, ইহুদি বসতি নির্মাণ ও ইরানের পরমাণু প্রজেক্ট ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর মধ্যে যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়, সম্পর্কের অবনমন হয়েছে, সেটা খুব গুরুতর কিছু নয়। এটি সময়পরীক্ষিত একটি সবল সম্পর্ক।

একই সুর শোনা যায় কনফারেন্স অব প্রেসিডেন্ট অব মেজর আমেরিকান জুইস অর্গানাইজেশনসের এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান (প্রধান আমেরিকান ইহুদি সংগঠনগুলোর সভাপতি সম্মেলনের নির্বাহী উপপ্রধান) ম্যালকম হোয়েনলিনের কথায়। হোয়েনলিন বলেন, ‘বর্তমানে আমেরিকান জনগণ সর্বান্তকরণে ইসরাইলপন্থী। আগের চেয়ে আরো বেশি অনুরক্ত। আমার এ ব্যাপারে সন্দেহ নেই যে, এ সম্পর্ক আরো বলিষ্ঠভাবে এগিয়ে যাবে বহুদূর; ত্রুটিবিচ্যুতি যাই থাকুক না কেন।’

লেহাইয়ের চিঠির ফলাফল, আল তামিমির মামলা এবং স্যান্ডার্সের প্রচারণাই সম্ভবত ভবিষ্যতে বলে দেবে, কে যথার্থভাবেই সঠিক।নয়াদিগন্ত

দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডটকম/১৬ এপ্রিল ২০১৬/রিপন ডেরি

Related posts