November 21, 2018

আমিরের পাশে এ আর রহমান

এ আর রহমান

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কঃ অসহিষ্ণুতার প্রসঙ্গে এবার আমিরের পাশে দাঁড়ালেন এ আর রহমান। বললেন, মাস কয়েক আগে আমিরের মতোই মনে হয়েছিল তাঁর। যখন ইরানি ছবি ‘মহম্মদ: মেসেঞ্জার অফ গড’-এ সুর দেওয়ার জন্য তুমুল বিতর্কের মুখে পড়েন। ইসলাম ধর্মের নবী মহম্মদের (স.) জীবনী নিয়ে ছবিটি তৈরি করেছিলেন পরিচালক মাজিদ মাজিদি। সুর দিয়েছিলেন অস্কারজয়ী সুরকার রহমান। ছবিতে ইসলাম-বিরোধী প্রচার হয়েছে। এই অভিযোগ তুলে রহমান এবং পরিচালক মাজিদ মাজিদির বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করেছিল মুম্বইয়ের রাজা আকাদেমি। তার জেরে দিল্লি এবং উত্তরপ্রদেশে রহমানের বেশ কিছু অনুষ্ঠানও বাতিল হয়ে যায়।

সেই সময় বিশ্ব হিন্দু পরিষদ আবার রহমানকে হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করে ‘ঘর ওয়াপসি’-র পরামর্শ দেয়। উল্লেখ্য, তামিলনাড়ুর হিন্দু পরিবারেই জন্ম হয়েছিল রহমানের। পরে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন তাঁর পরিবার। মাজিদির এই ছবি ঘিরে বিতর্কের জেরে বিরক্ত হয়েছিলেন রহমান। ফেসবুকে নিজের এক দীর্ঘ বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছিলেন সেই ক্ষোভের কথা। কী তাঁর ধর্মবিশ্বাস, কেনই বা মাজিদির ছবিতে সুর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সবই লিখেছিলেন পোস্টে। নিজের যুক্তির স্বপক্ষে তুলে ধরেছিলেন কোরানের কিছু লাইনও। মঙ্গলবার গোয়ায় ৪৬তম ফিল্মোৎসবে গিয়ে এই অভিজ্ঞতার কথা জানালেন রহমান। সেই সঙ্গে এও জানালেন, যে কোনও ধরনের হিংসার তিনি ঘোরতর বিরোধী। মার্জিতভাবে প্রতিবাদ করাই যায়। কিন্তু কোনও কিছু নিয়ে বাড়াবাড়ি ঠিক নয়। ভারত মহাত্মা গান্ধীর দেশ। মহাত্মা গান্ধীই গোটা দুনিয়ায় ছড়িয়ে দিয়েছিলেন অহিংসার নীতি।

ভারতবাসী হয়ে একথা ভোলা উচিত নয়, জানালেন রহমান। তবে খেতাব ফেরানোর বিষয়টিকে সমর্থন করেন তিনি। কারণ এটাও এক ধরনের অহিংস প্রতিবাদ। তাঁর কাছে ‘কাব্যিক’ও বটে। রহমানের পর আমিরের পাশে দাঁড়ালেন পরিচালক ফারাহ্ খানও। তাঁর মতে, এমনিতে দেশে অসহিষ্ণুতা নেই। কিন্তু কেউ নিজের মত প্রকাশ করলেই সবাই প্রায় ঝাঁপিয়ে পড়েন তাঁর ওপর। শুরু করে দেন আক্রমণ। ‘অসহিষ্ণুতা’-র জন্ম তখনই। ‘অসহিষ্ণুতা কোথায়!’, এই প্রশ্নটাই জন্ম দেয় অসহিষ্ণুতার, কটাক্ষ ফারাহ্র। আজকাল

দি গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডট কম/রিপন/ডেরি

Related posts