November 16, 2018

আমার জীবনটা নষ্ট করে দেওয়া হলো – পরিমল

পরিমল

পরিমল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি ২৯তম বিসিএসে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে টিকেছিলাম। এ রায় দিয়ে আমার জীবনটা নষ্ট করা হলো। বাদীপক্ষ আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগই প্রমাণ করতে পারেনি। আমি নির্দোষ।’

এর আগে আজ বুধবার দুপুরে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ৪-এর বিচারক সালেহ উদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে পরিমলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

ছাত্রী ধর্ষণের মামলায় শুরু থেকেই কারাগারে ছিলেন পরিমল। রায়ের আগে আজ দুপুর দেড়টার দিকে তাঁকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।ওই মামলায় ৩৭ সাক্ষীর মধ্যে ২৮ জন বিভিন্ন সময়ে আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। গত ১০ নভেম্বর এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায়ের দিন ধার্য করেন বিচারক।

২০১১ সালের ২৮ নভেম্বর ভিকারুননিসা স্কুলের বসুন্ধরা শাখার প্রধান লুৎফর রহমান ও অধ্যক্ষ হোসনে আরা বেগমকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক মাহবুবে খোদা। ওই সময় ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে শুধুমাত্র পরিমল জয়ধরের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্রটি দাখিল করেন তিনি।

উল্লেখ্য ২০১১ সালের ৫ জুলাই রাজধানীর বাড্ডা থানায় ভিকাররুননিসা স্কুল অ্যান্ড কলেজের বসুন্ধরা শাখার দশম শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে মামলা করেন তার বাবা মাহমুদুল হক। এর পরের দিন পরিমলকে ঢাকার কেরানীগঞ্জে তাঁর স্ত্রীর বড় বোনের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ছাত্রীকে প্রলোভন দেখিয়ে ২০১১ সালের ২৮ মে প্রথমে ধর্ষণ করেন পরিমল। এ সময় ওই ছাত্রীর নগ্ন ছবি মোবাইলে ভিডিও আকারে ধারণ করেন তিনি। পরে একই বছরের ১৭ জুন আবারও ছাত্রীকে ব্ল্যাকমেইল করে ধর্ষণ করেন পরিমল।

Related posts