September 22, 2018

‘আমার এমপি ডটকমে’ নাগরিকের প্রশ্নের জবাব দিলেন এমপি কেয়া

1

বাংলাদেশের সব এলাকার সংসদ সদস্যদের সঙ্গে জনগণের মেলবন্ধন গড়তে এসেছে ওয়েবসাইট ‘আমার এমপি ডটকম’।বাংলাদেশের সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব, কাজের স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা প্রচারের জন্য একটি উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম এই ওয়েবসাইট।

সম্প্রতি আমার এমপি ডট কমের মাধ্যমে এক নাগরিক যোগাযোগ করার পর সিলেট নগরীর কিশোরীমোহন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করায় লৈঙ্গিক বৈষম্যসহ বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টির বিষয়টি জাতীয় সংসদে উত্থাপন এবং শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের দৃষ্টি আকর্ষণের আশ্বাস দিয়েছেন সিলেট ও হবিগঞ্জের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য আমাতুল কিবরিয়া কেয়া।

সিলেটের সুবহানীঘাট এলাকার বাসিন্দা দীপঙ্কর দাস দীপনের স্থানীয় একটি স্কুলের নাম পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট বিভিন্ন সমস্যার বিবরণ আমার এমপি ওয়েবাসাইটে তুলে ধরে তা সমাধানের জন্য সংসদ সদস্যের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

তারই করা এক প্রশ্নের জবাবে এমপি আমাতুল কিবরিয়া কেয়া এসব সমস্যার কথা জাতীয় সংসদে এবং শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের সামনে উত্থাপনের আশ্বাস দেন।

দীপঙ্কর দাস দীপনের প্রশ্ন ছিল : ‘এমপি মহোদয়, প্রথমেই আমার শুভেচ্ছা নিবেন। আমি সিলেটের সুবহানীঘাট এলাকার একজন ভোটার। সিলেট বিভাগে একজন নারী এমপি হিসেবে আমরা আপনার পারফরমেন্সে খুবই খুশি। আপনি নিশ্চয়ই অবগত আছেন যে, সিলেট নগরীর কিশোরীমোহন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে কিশোরীমোহন (বালক) প্রাথমিক বিদ্যালয় করা হয়েছে। এই স্কুলে মেয়ে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার সুযোগ বন্ধ করে দেয়ার কারণে লিঙ্গ-বৈষম্যের সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে হয়, এবং একই সাথে মেয়ে শিক্ষার্থীদের দুরের স্কুলে ঠেলে দেয়াও হয়েছে, যা স্থানীয়দের জন্য অনেক ব্যয়সাধ্য ব্যাপার। এই অবস্থায় নগরীর মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের মেয়েদের লেখাপড়ার সুযোগ করে দিতে এই স্কুলকে আগের অবস্থায় নিয়ে আসার কোনো উদ্যোগ এমপি মহোদয় নেবেন কি?’

সিলেট ও হবিগঞ্জের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য আমাতুল কিবরিয়া কেয়ার উত্তর : ‘আমি প্রথমেই প্রশ্নকর্তা জনাব দীপঙ্কর দাস দীপনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে বিষয়টি নিয়ে উনার সৃষ্টিশীল ভাবনার জন্য। সেই সাথে উত্তর দিতে অনিচ্ছাকৃতভাবে দেরি হওয়ায় দুঃখপ্রকাশ করছি। ঐতিহ্যবাহী কিশোরীমোহন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টির নাম পরিবর্তন আসলেই কাম্য নয় এবং স্বাভাবিক দৃষ্টিতে এটা লিঙ্গ বৈষম্যের সৃষ্টি করতে পারে বলে আমি মনে করি। তবে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের বিষয়টি পুরোপুরিভাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে। আমি আপনাদের প্রতিনিধি হয়ে বিষয়টি জাতীয় সংসদে উত্থাপন করব এবং আমাদের শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করব জাতীয় সংসদের মাধ্যমে। আমি আশাবাদী যে, আমার এ প্রচেষ্টা ফলপ্রসূ হবে।

Related posts