September 25, 2018

আফ্রিকায় মনোযোগ জি-সেভেন নেতাদের

d542d_জি সেভেন_long

ঢাকা: পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী সাতটি দেশ মিলে গঠিত জি-সেভেন গ্রুপের ৪৩তম সম্মেলনে আফ্রিকার নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে আগ্রহী জি-সেভেনের নেতারা।

ইতালির সিসিলি দ্বীপে তিউনিশিয়া, কেনিয়া, ইথিওপিয়া এবং নাইজেরিয়ার নেতারা সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে অংশগ্রহণ করবে বলে জানা যায়। আফ্রিকার অভিবাসী সঙ্কট নিয়ে আলোচনা করার লক্ষেই আফ্রিকান নেতাদের সঙ্গে জি-সেভেনের নেতারা আলোচনায় বসতে আগ্রহী বলে জানা যায়।

আফ্রিকা ও লাখ লাখ শরণার্থীর মনোযোগ আকর্ষণের উদ্দেশ্যে সিসিলিকে সম্মেলন আয়োজনের জন্য বেছে নিয়েছে ইতালি। তবে সব কিছু ছাপিয়ে এখন আলোচনায় প্রাধান্য পাচ্ছে সন্ত্রাসবাদ ও জলবায়ু পরিবর্তন।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথমবারের মতো শুক্রবার জি সেভেন সম্মেলনে অংশ নেন ট্রাম্প। জি সেভেনভুক্ত দেশ ব্রিটেন, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি ও জাপানের নেতাদের উদ্দেশ্য করে ট্রাম্প বলেন, গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমন কমাতে স্বাক্ষরিত প্যারিস চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র অনুমোদন দেবে কি দেবে না তা এখনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র প্যারিস চুক্তি থেকে সরে গেলে অন্যরাও এ চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে বলে শঙ্কা রয়েছে।

এদিকে, জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতিরেসও সিসিলিতে ওই সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন। ট্রাম্পের বিরোধী অবস্থান সত্ত্বেও এ চুক্তি টিকে যাবে বলে তিনি মনে করেন। শরণার্থী ইস্যুতে বড় ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার জন্যও বিশ্বনেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন গুতিরেস।

চলতি বছর এ পর্যন্ত ১৫০০-রও বেশি অভিবাসী ভূমধ্যসাগরে ডুবে গেছে। ইতালি চায় বিশ্বের ধনী দেশগুলো আফ্রিকান দেশগুলোকে তাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা দেবে। আর তখন আফ্রিকার তরুণরা দেশের ভেতরেই কর্মসংস্থান খুঁজে পাবে। তাদেরকে ঝুঁকি নিয়ে ইউরোপে পাড়ি দিতে হবে না।

Related posts