November 13, 2018

আত্রাইয়ে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সেবায় এ্যাম্বুরেন্স সেবা চালু!

একেএম কামাল,
নওগাঁ প্রতিনিধিঃ
নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে একটি করে এ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করা হয়েছে। উপজেলার দরিদ্র অবহেলিত অসহায় মানুষরা মাত্র ১শ থেকে ২শ টাকায় এসব এ্যাম্বুলেন্সের সেবা পাবেন। এ ছাড়া শিক্ষার ক্ষেত্রে মেধাবী শিক্ষার্থী দের উৎসাহের লক্ষে বিশা ইউনিয়নের প্রতিটি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরন করা হয়েছে।

বিশা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল মান্নান মোল্লার সভাপতিত্বে রোববার দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এ্যাম্বুলেন্স ও স্কুল ব্যাগ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মোঃ রপিক ডিডিএলডি,নওগাঁ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আত্রাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মোখলেছুর রহমান,মোঃ মোয়াই মেলন,ডিএফ,নওগাঁ।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী গোলাম মোস্তফা বাদল, পাঁচুপুর ইউনিয়ন পরিষদের নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক মোঃ আফছার আলী প্রামানিক, মনিয়ারী ইউনিয়নের নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান আল্লা মা শেরই বিপ্লব,সাহাগোলা ইউনিয়নের নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান সফিকুল ইসলাম বাবু, আত্রাই উপজেলা মডেল প্রেস ক্লাবের সভাপতি একেএম কামাল উদ্দিন টগর, উপজেলা যুব লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আমিনুল ইসলাম প্রমূখ।

জানা গেছে,২০১৫-১৬ অর্থ বছরের এলজিএসপি-২ প্রকল্পের অর্থায়নে আত্রাই উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে এই এ্যাম্বুলেন্স সেবা পল্লীর অবহেলীত মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। স্থানীয় ভাবে তৈরি একটি ব্যাটারি চালিত চার্জারকে এ্যাম্বুলেন্সে রুপ দিয়ে তার নাম দেয়া হয়েছে “মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা এ্যাম্বুলেন্স” (গ্রামীন এ্যাম্বুলেন্স) ছাদে ঘূর্ণায়মান লাল আলোর বিচ্ছুরণ আর সাইরেন বাজিয়ে গ্রামের কাঁচা-পাকা সড়কে ছুটে চলবে এইএ্যাম্বুলেন্স।

এ সব এ্যাম্বুলেন্সের চালক হিসেবে দায়িত্ব দেযা হয়েছে সংশ্লিষ্ট ইউনিয় পরিষদের কর্মরত গ্রাম পুলিশদের। এ্যাম্বুলেন্স গুলো ইউনিয়ন পরিষদের তত্বাবধানে থাকবে। প্রতিটি এ্যাম্বুলেন্সের গায়ে একটি মোবাইল নম্বর দেয়া হয়েছে। এই নম্বরে ফোন দিয়ে সেবা পাওয়ার জন্য স্থানীয় লোকজন তাঁদের প্রয়োজনে কথা জানতে পারবেন।

এ্যাম্বুলেন্স উদ্যেক্তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মোখরেছুর রহমান জানান, একটি ইজিবাইককে এ্যাম্বুলেন্স রুপ দিতে ১লাখ টাকা ৬৫হাজার টাকা করে করচ হয়েছে। ৮টি এ্যাম্বুলেন্সের খরচ হয়েছে ১৩ লাখ ২০হাজার টাকা। এ্যাম্বুলেন্স গুলো ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের তত্বাবধান করবেন। মাত্র ১০০ থেকে ২০০ টাকায় গ্রামের দরিদ্র মানুষরা এ্রাম্বুলেন্স সেবা পাবেন।

দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডটকম/রিপন/ডেরি

Related posts