September 19, 2018

আঠারোতে যে দক্ষতা অর্জন জরুরি

সোশাল মিডিয়া ‘কুয়োরা’তে প্রশ্ন রাখা হয়, ১৮ বছর বয়সে মানুষের কোন ৮ বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করা উচিত? এর জবাব দিয়েছেন কুয়োরা সেলিব্রিটি ও বিশেষজ্ঞ জুলি লিথকট-হাইমস। তিনি স্ট্যানফোর্ডের সাবেক ডিনও বটে।

১. এ বয়সে মানুষের অবশ্যই সদ্য পরিচিত মানুষের সঙ্গে কথা বলার দক্ষতা থাকতে হবে। নতুন কলেজের নতুন বন্ধু, ডিন, পরামর্শক, শিক্ষক, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজার সবার সঙ্গে কথা বলতে হবে। এর মধ্যে কোনো জড়তা থাকলে হবে না। সাধারণত শিশুরা অপরিচিত মানুষের সঙ্গে কথা বলতে চায় না। তবে বাবা-মাকে সময়মতো এ শিক্ষা দিতে হবে সন্তানকে।

২. বাড়ি বা ক্যাম্পাসের চারপাশটা নিজেই খুঁজে আবিষ্কার করার ক্ষমতা ও আগ্রহ থাকতে হবে এ বয়সে। এই গুণ দেশ বা বিদেশে দারুণ কাজে দেবে। তাকে বাসে, ট্রেনে, গাড়িতে বা সাইকেলে চড়তে হবে। কাজেই আশপাশটা নিজেকেই চিনে নিতে হবে।

৩. শিক্ষা বিষয়ক যাবতীয় কাজ নিজ দায়িত্বে শেষ করার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে ১৮ বছর বয়সীকে। পড়া বা অ্যাসইনমেন্টের চাপ সামলাতে হবে একাই। শেষ দিনের মধ্যে সব কাজ গুছিয়ে আসার পরিকল্পনা প্রণয়নের বুদ্ধিমত্তা থাকতে হবে।

৪. বাড়িতে একা থাকতে হলে যা যা করতে হবে, তার সবই শিখে নিতে হবে। নিজের খাবার রান্না করা, ঘর পরিষ্কার রাখা, কাপড় গুছিয়ে রাখা ইত্যাদি গুণ অর্জন করা জরুরি।

৫. জীবনে উত্থান-পতন আসবে। শিক্ষাজীবনে বিভিন্ন কারণে এ অভিজ্ঞতা হবে তাদের। এর সঙ্গে খাপ-খাওয়ানোর মানসিকতা অর্জন করতে হবে।

৬. একান্ত ব্যক্তিগত জীবনের নানা সমস্যার সমাধান নিজেই বের করতে পারার ক্ষমতা থাকতে হবে।

৭. প্রয়োজনে নিজ প্রচেষ্টায় কাজ জুটিয়ে কিছু অর্থ উপার্জনের ক্ষমতা থাকতে হবে। এতে পকেট খরচ চলে যাবে তার। তা ছাড়া এমনটা হলে পরবর্তি পূর্ণ কর্মজীবনে তাকে নতুন পরিবেশে অস্বস্তিবোধ করতে হবে না।

৮. কাজে ঝুঁকি গ্রহণের সাহস ও মানসিকতা থাকতে হবে। বাধা যেকোনো কাজে আসবেই। কাজেই বাধাহীন কাজ একটা দুটো ভাগ্যক্রমে পেয়ে গেলেও তা দিয়ে জীবন কাটবে না। তা ছাড়া ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণের চর্চা চালাতে হবে। নয়তো ভবিষ্যতে এগোনো কঠিন হয়ে পড়বে।

দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডট কম/রিপন ডেরি/২২ এপ্রিল ২০১৬

Related posts