November 17, 2018

আটকে আছে নরসিংদী ছাত্রদলের কমিটি!

না, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি পূর্ণাঙ্গ করার দায়িত্ব ‘নরসিংদী’র না। তবে ঢাকার পাশের এ জেলার অধিবাসী ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসানের দ্বৈরথে আটকে আছে ছাত্রদলের কমিটি গঠনের কার্যক্রম। আর এর পেছনে মূল সংকট হিসেবে কাজ করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিটির সভাপতি-সেক্রেটারি কারা হবেন-এর ওপর। দেশের সর্বোচ্চ এই প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্ব কোন দুইজনকে দেওয়া হবে-এ নিয়ে জুয়েল-আকরাম দ্বন্দ্বে যুক্ত হয়েছে একই জেলার বেলায়েত হোসেন, সেলিমুজ্জামান সেলিম ও বিএনপির সহ-ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু। এই ৫ জনের ‘স্বেচ্ছাচারিতা ও কূটকৌশলে’র কারণে অনিশ্চয়তায় পড়েছে ছাত্রদলের অন্তত ২ হাজার নেতাকর্মীর রাজনৈতিক ভাগ্য। বার বার পিছিয়ে যাচ্ছে বিএনপির ভ্যানগার্ড হিসেবে পরিচিত ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গকরণ। পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মহানগরের চারটি কমিটি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিটি গঠন হচ্ছে না। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন জেলার শীর্ষ পর্যায়ের ছাত্রদল নেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। তবে ছাত্রদলের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানিয়েছে, আগামী ১ জানুয়ারি ২০১৬ সালেই ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনসহ সুপার ইউনিটগুলো ঘোষণা করা হবে।

ছাত্রদল নেতারা জানান, নরসিংদী জেলার অধিবাসী ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আকরামুল ইসলাম দুজনেই নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি করতে প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আর ভবিষ্যতে বিএনপির রাজনীতিতে ‘ব্যক্তিবলয়’ টিকিয়ে রাখতে তাদের দ্বৈরথে রসদ যোগাচ্ছেন বিএনপির সহ-ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু। নরসিংদীর শিবপুরের আঞ্চলিক রাজনীতি নিয়ন্ত্রণের ইচ্ছায় এ দ্বৈরথে নিজেকে যুক্ত করেছেন তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত বেলায়েত হোসেন। অন্যদিকে ফরিদপুর অঞ্চলে নিজের প্রভাব বৃদ্ধিতে ছাত্রদল সংকটে জড়িত হয়েছেন সেলিমুজ্জামান সেলিম।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি করতে বার বার বৈঠক করছেন নেতারা। এরইমধ্যে একাধিকবার বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গেও বৈঠক করেছেন তারা। এসব বৈঠকে দ্রুত গতিতে কমিটি করার তাগাদা দেওয়া হলেও খালেদা জিয়ার নির্দেশ অনেকটাই অকার্যকর হয়ে পড়েছে। ছাত্রদল নেতারা বলছেন, অতীতে যেকোনও সময়ের চেয়ে বর্তমান কমিটি ও ঢাবি কমিটি নিয়ে ‘রাজনীতি’ হচ্ছে বেশি। এর কারণ হিসেবে জানা গেলো বিএনপি ও ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের নিজেদের চাহিদা ও স্বেচ্ছাচারিতার বিষয়টি।

ছাত্রদলসূত্র জানায়, আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েলের বাড়ি নরসিংদী জেলার মনোহরদীতে। তিনি বিএনপির সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক দলের সেক্রেটারি হতে আগ্রহী। এ কারণে তার আগামী দিনের রাজনীতি আরও নিষ্কণ্টক করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব দিতে চান আল মেহেদী তালুকদারকে। মেহেদীর বাড়ি নরসিংদী জেলার শিবপুরে। একইসঙ্গে তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন বিএনপিতে তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত বেলায়েত হোসেন। তার আঞ্চলিক-সংসদীয় রাজনীতির এলাকা নরসিংদীর শিবপুর। ফলে, ছাত্রদলের সেক্রেটারি আকরামুল হাসান আগামী কমিটিতে সভাপতি হয়ে গেলে আঞ্চলিক রাজনীতিতে তার খবরদারী ও প্রভাব পুরোটাই থেমে যাবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল সম্পৃক্তরা জানান, আল মেহেদী তালুকদারের বিষয়ে নানাবিধ দুর্নাম প্রচার আছে। নিজের ক্যাডার ইমেজের কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আগে থেকেই নেতাকর্মীদের কাছে তিনি আতঙ্কের নাম। আল মেহেদী তালুকদার ২০০২-০৩ সেশনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং বিভাগের শিক্ষার্থী। বর্তমানে তার কোনও ছাত্রত্ব নেই। ড্রপআউটের কারণে স্নাতক শেষ করলেও শেষ করতে পারেননি স্নাতকোত্তর। একাধিক বিয়ে, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলমের সঙ্গে সখ্যতা, গাড়িচুরি বিষয়ে তার সমালোচনা রয়েছে ছাত্রদলে। এক ঘটনায় তার পক্ষে থাকা আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল থানা থেকে মুচলেকা দিয়ে ছাড়িয়ে এনেছিলেন বলেও জানা গেছে। এ নিয়ে জানতে চেয়ে মেহেদী আল তালুকদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে দুটি মোবাইলই বন্ধ পাওয়া গেছে।

সূত্র জানায়, বর্তমান সেক্রেটারি আকরামুল হাসান আগামী কমিটিতে সভাপতি হিসেবে আসতে চান। এ কারণে তার চেষ্টা-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজের প্রভাব-বলয়ে থাকা কোনও ছাত্রনেতা। যে কারণে সিনিয়র কাউকে দায়িত্ব দিয়ে আগামী কমিটিতে সভাপতি হিসেবে আসাটা বাধাহীন হয়। তার এই ইচ্ছায় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন তারই এলাকার বেলায়েত হোসেন।

সূত্রের দাবি, বেলায়েতের সঙ্গে আকরাম ঠেকানোর কৌশলে যুক্ত হয়েছেন যুবদলের সভাপতি প্রার্থী বিএনপির সহ-ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা খায়রুল কবীর খোকনও যুবদলের শক্ত ক্যান্ডিডেট। বর্তমানে যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। তার স্ত্রী মহিলা দলের সেক্রেটারি শিরিন সুলতানা নিজেকে খালেদা জিয়ার কাছের হিসেবে পরিচিত।

টুকুর ঘনিষ্ঠ ছাত্রদলের একনেতা বলেন, খায়রুল কবির খোকন যুবদলের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী। তাকে ঠেকাতে আল মেহেদী তালুকদারকে ঢাবির সভাপতি করতে আগ্রহী টুকু। এতে করে ছাত্রদলের সেক্রেটারি ও ঢাবি সভাপতি একই জেলার অধিবাসী হবেন। পরবর্তীতে যুবদলের কমিটিতে নরসিংদী জেলার প্রাধান্য নিয়ে খালেদা জিয়ার কাছে প্রশ্ন তুলতে সক্ষম হবেন টুকু। ফলে, যুবদলের সভাপতি হিসেবে টুকুর নামটি সহজেই খালেদা জিয়ার পছন্দ হবে।

সূত্রের দাবি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির সেক্রেটারি হিসেবে আবুল বাশারের নাম জোরেশোরে উঠেছে। বাশারের বাড়ি মাদারীপুরে। তার জন্য কাজ করছেন আবদুল কাদের ভুইয়া জুয়েলের বন্ধু যুবদল নেতা সেলিমুজ্জামান সেলিম। তার আগামী দিনের রাজনীতিতে কাজ করার সুবিধার জন্যই আবুল বাশারকে ঢাবির নেতৃত্বে তুলে আনতে চান সেলিম।

ছাত্রদলসূত্র জানায়, আবুল বাশার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি অ্যান্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০০৩-০৪ সেশনের ছাত্র। শাহবাগ থানার সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালের মার্চ মাসের ১৪ তারিখ ইয়াবা ব্যবসার অভিযোগে শাহবাগের হোটেল ইয়ামেনী ইন্টারন্যাশনালে র‌্যাবের হাতে ধরা পড়েন। পরে শাহবাগ থানায় তার বিরুদ্ধে এসআই অহিদুর রহমান মজুমদার বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-১৯ (১)। যার ভিত্তিতে তিনি ছয় মাস কারাভোগও করেন।

এ ব্যাপারে আবুল বাশার বলেন, রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার কারণে এ ধরনের মামলা খুব স্বাভাবিক। এগুলো হচ্ছে রাজনৈতিক ড্রামা। দোয়েল চত্বর থেকে আমাকে র‌্যাব ধরে নিয়ে হোটেলে যায়। এরপর র‌্যাব-৩ এর কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরইমধ্যে কী ধরনের নির্যাতন করা হয়েছে, এটি বলাবাহুল্য। এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিটির প্রার্থী হওয়ার কারণেই ইর্ষান্বিত মহল আমার বিরুদ্ধে এসব রাজনৈতিক মামলাকে দাঁড় করাচ্ছে। এটি দুঃখজনক। আজকে রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার কারণে আমার পরিবার আর আমি নির্যাতিত হচ্ছি সরকারদলীয় লোকদের দিয়ে।

যুবদল নেতা সেলিমুজ্জামান সেলিম তার পেছনে কাজ করছেন-এমন প্রশ্নের উত্তরে আবুল বাশার বলেন, ঢাবি কমিটির জন্য সিনিয়র-জুনিয়র সবার নামই দায়িত্বপ্রাপ্তরা ম্যাডামের কাছে জমা দিয়েছেন। এতে আমার নামও আছে। ছাত্রদলের সভাপতি-সেক্রেটারি, এ্যানি ভাই-টুকু ভাই, ম্যাডাম ও তারেক রহমানের নির্দেশেই কমিটি করা হচ্ছে। এর পেছনে আর কেউ নেই।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী গ্রুপেই ছিলেন আবদুল কাদের ভুইয়া জুয়েল ও আকরামুল হাসান। সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে দুজনের ভূমিকাই বিতর্কিত ছিল। এ কারণে তৎকালীন টুকু-আলিম কমিটি আকরামকে এবং মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বহিষ্কার করেন জুয়েলকে। ওই সময় অফিস ভাঙচুরে জুয়েলের নামে মামলা করেছিল বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের এক কর্মচারী। পরবর্তীতে আবদুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা না রাখলেও আকরামুল হাসান কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত হন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দুজনের সম্পর্কে ফাটল ধরে।

সোমবার রাতে ছাত্রদলের একজন শীর্ষনেতা জানান, আল মেহেদী তালুকদার ও আবুল বাশারকে দিয়েই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি গঠন হতে যাচ্ছে। লন্ডনে থাকা বিএনপির সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান তারেক রহমান সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে এই দুজনের নামই পাস করাতে চান বেলায়েত হোসেন ও সেলিমুজ্জামান। প্রাথমিকভাবে নির্ধারিত এ দুজন বিতর্কিত নেতাকে ঢাবির দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি ওই সূত্রের।

তবে গুলশান কার্যালয়ের একটি সূত্র জানায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব নিতে সভাপতি হিসেবে এজমল হোসেন পাইলট, ইখতিয়ার কবীর ও মামুন বিল্লাহ এবং সেক্রেটারি হিসেবে আল মেহেদী তালুকদার ও আবুল বাশারের নাম গেছে। সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত জানা গেছে- এদের মধ্যে চূড়ান্তদের নাম জানা যায়নি। এর বাইরে নুরুল হুদা বাবু, আলমগীর হোসেন সোহানের নামও উচ্চারিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে ওই সূত্রটি।

ছাত্রদলসূত্র জানায়, এই দুজনকে ছাত্রদল সভাপতি কারাবন্দি রাজিব আহসান, সেক্রেটারি আকরামুল হাসান ও ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুনুর রশীদ মামুন পছন্দ করছেন না। এ কারণে এ দুজনের নেতৃত্বে কমিটি হলে কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে ঢাবি কমিটির সমন্বয় অনেকটাই বাধাগ্রস্ত হবে। এমনকি কর্মসূচি বাস্তবায়নে ঢাবি কমিটির সঙ্গে কেন্দ্রীয় কমিটির বিরোধ প্রকাশ্যে রূপ নিতে পারে-এমন শঙ্কাও রয়েছে ছাত্রদলসংশ্লিষ্টদের।

জানতে চেয়ে যোগাযোগ করা হয় বেলায়েত হোসেন, আবদুল কাদের ভুইয়া জুয়েল, সালাহউদ্দিন টুকু, আকরামুল হাসানের সঙ্গে। একাধিকবার চেষ্টা করেও তাদের ব্যবহৃত নম্বরগুলোয় সংযোগ পাওয়া যায়নি।

কমিটি গঠনের কাজ শেষ পর্যায়ে

ছাত্রদলের কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা জানান, কমিটি পূর্ণাঙ্গকরণ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটিসহ সুপার ইউনিট গঠনের কার্যক্রম মোটামুটি শেষ পর্যায়ে। আগামী ১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান শেষে সন্ধ্যার পর কমিটিগুলো ঘোষণার প্রস্তুতিও রয়েছে ছাত্রদলের। করা হতে পারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলকমিটিগুলোও। জানতে চাইলে ছাত্রদলের ১নং সহ-সভাপতি এজমল হোসেন পাইলট বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, খুব দ্রুত ঘোষণার চেষ্টা চলছে। আশা করি ১ জানুয়ারি ঘোষণা আসতে পারে।

প্রসঙ্গত, এ মাসের শুরুর দিকে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তার বাসায় ছাত্রদলের শীর্ষ ৬ নেতাকে ডেকে নিয়ে দ্রুত কমিটি করার নির্দেশ দেন। এরপরও রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব-বিরোধের কারণে কমিটিগুলো করা যায়নি। তবে শেষপর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি আল মেহেদী তালুকদার ও আবুল বাশারকে মনোনীত করা হচ্ছে-এমন খবর চাউর হওয়ায় সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, ১ জানুয়ারিতেই নতুন কমিটি দেখবে ছাত্রদলকর্মীরা।

এসব বিষয়ে জানতে চেয়ে যোগাযোগ করা হয় বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক শহিদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির সঙ্গে। কয়েকবার রিং হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

দি গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডট কম/রিপন/ডেরি

Related posts