September 25, 2018

না’গঞ্জঃ গৃহবধূকে গণধর্ষণ, কঙ্কাল উদ্ধার, শ্যামল কান্তির মামলা পিছাল

রফিকুল ইসলাম রফিক, ব্যুরো চীফঃ নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সিদ্ধিরগঞ্জে স্বামীকে বেঁধে রেখে এক গৃহবধূকে গণধর্ষনের অভিযোগে তিন লম্পটকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো, সিদ্ধিরগঞ্জের আটি ওয়াবদা এলাকার জয়নাল আবেদীনের ছেলে নূর হোসেন (৩২), মোঃ মন্ডল মিয়ার ছেলে আশিক (২৩) ও মৃত আব্দুল কাইয়ুমের ছেলে অহিদ মিয়া (২৬)। তাদের প্রত্যেকের বাড়ি সিদ্ধিরগঞ্জের আর্টি ওয়াবদা এলাকায়। বুধবার রাতে আটি ওয়াবদা এলাকায় পরিত্যক্ত একটি তেলের কারখানায় গণধর্ষণের শিকার হয় গৃহবধু।পরে ধর্ষিতা বাদি হয়ে বৃহস্পতিবার থানা মামলা দায়ের করলে পুলিশ নাসিক ৪নং ওয়ার্ডের আর্টি ওয়াবদা কলোনী এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ ৩ ধর্ষককে গ্রেফতার করে। এছাড়াও অভিযুক্ত আরো একজনকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) ওমর ফারুক জানান, ‘বুধবার রাতে সিলেটের সুনামগঞ্জ থেকে সিদ্ধিরগঞ্জের আটি ওয়াবদা কলোনী এলাকায় ফুফুর বাড়ীতে স্বামীসহ বেড়াতে আসেন ধর্ষণের শিকার ওই নারী। কিন্তু রাতে ওই ফুফুর বাসায় যাওয়ার সময় রাস্তায় চার যুবক ওই নারীর স্বামীকে বেঁধে রেখে সোহরাব ভেজিটেবল অয়েল মিল নামে পরিত্যক্ত একটি তেলের কারখানায় নিয়ে গণধর্ষণ করে। বুধবার রাতেই ধর্ষিতা ওই নারী বাদি হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটা মামলা দায়ের করেন। এরপর অভিযান চালিয়ে তিন ধর্ষককে গ্রেফতার করা হয়। অভিযুক্ত আরো একজন ধর্ষককে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নারায়ণগঞ্জের আরো সংবাদঃ 

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক  রূপগঞ্জে লেগুনা চালক নিহত আহত ৪
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দ্রুতগামী দ্ইুটি ট্রাক একটি লেগুনাকে চাপা দিয়ে নাদিম মিয়া নামে এক লেগুনা চালক নিহত হয়েছেন। এসময় আহত হয়েছেন লেগুনায় থাকা আরো চার যাত্রী। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার যাত্রামুড়া এলাকার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ঘটে এ ঘটনা। নিহত নাদিম মিয়া উপজেলার বিশ্বরোড খালপাড় এলাকার ইমান আলীর ছেলে।
কাঁচপুর হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আক্তারুজ্জামান জানান, সকাল ৯টার দিকে যাত্রামুড়া এলাকার উভয় পাশ থেকে আসা দ্রুতগামী দুটি ট্রাক এসে একটি যাত্রীবাহী লেগুনাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই লেগুনা চালক নাদিম মিয়া নিহত হন। এসময় আহত হয় চার যাত্রী। আহতদের মুমুর্ষ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘাতক ট্রাক দুটি আটক করেছে।
রূপগঞ্জে ট্রাক চালকের লাশ উদ্ধার
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কর্ণগোপ এলাকার হাসেম ফুড কারখানার ভেতর থেকে সালাউদ্দিন (৫০) নামে এক ট্রাক চালকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার রাতে ওই ট্রাক চালকের লাশটি উদ্ধার করা হয়। সালাউদ্দিন নোয়াখালী জেলার কবিরহাট উপজেলার জাদবপুর এলাকার নুরুল হকের ছেলে।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন জানান, কর্ণগোপ এলাকার হাসেম ফুড নামে কারখানা থেকে খাবার জাতীয় পণ্য বহন করে বিভিন্ন এলাকায় সাপ্লাই দেয়ার জন্য মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) রাত থেকেই ট্রাক নিয়ে উপেক্ষায় ছিলেন চালক সালাউদ্দিন। বুধবার দিনের যেকোন সময় ট্রাকের ভেতরেই সালাউদ্দিনের মৃত্যু হয়। কারখানার শ্রমিক-কর্মচারীরা ট্রাকের ভেতর লাশ দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ওই চালকের লাশ উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। তবে, কি ভাবে মৃত্যু হয়েছে তা বোঝা যাচ্ছেনা। ময়না তদন্তের প্রতিবেদন আসলে প্রকৃত ঘটনা বলা যাবে বলেও জানান ওসি।

রূপগঞ্জে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অনুদান-সনদ বিতরণ

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, আর্থিক অনুদান, বই ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়েছে। ডেভেলাপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ ফর সোশাল এডভান্সমেন্ট (দিশা) এর উদ্যেগে বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে উপজেলার ভুলতা স্কুল এন্ড কলেজ মিলনায়তনে শিক্ষার্থীদের এ সংবর্ধনা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সিদ্দিক নুর আলম। দিশার কাঁচপুর এলাকার ব্যবস্থাপক জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, ভুলতা স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল আউয়াল, শিক্ষক আব্দুর রহিম মাষ্টার, সাংবাদিক এসএম শাহাদাত, ভুলতা শাখা ব্যবস্থাপক নজরুল ইসলাম, লুৎফর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম, জসিম উদ্দিন প্রমুখ। রূপগঞ্জ, আড়াইহাজার, সোনারগাঁও উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২৫ জন শিক্ষার্থীকে এ সংবর্ধনা দেয়া হয়।

আড়াইহাজারে ৩ মানব কঙ্কাল উদ্ধার
আড়াইহাজারে একটি ধান ক্ষেত থেকে তিনটি মানব কঙ্কাল উদ্ধার করেছে আড়াইহাজার থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, গতকাল ২৭ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের ব্রা‏হ্মনপাড়া এলাকার জালাকান্দি-শ্রীনিবাসদী কাঁচা রাস্তার পাশে ধান ক্ষেতে কিছু মানব দেহের কঙ্কাল দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেয়।
পুলিশ দুপুরে ঘটনাস্থলে গিয়ে সেখান থেকে তিনটি মানব দেশের মাথার খুলি ও দেহের বিভিন্ন অংশের কঙ্কাল উদ্ধার করে।
আড়াইহাজার থানা পুলিশের উপপরিদর্শক আতাউর রহমান জানান,কঙ্কাল গুলোর পাশের ছেড়া বস্তার অংশ ও পলিথিন পাওয়া যায়। তবে কঙ্কালের সাথে কোন পরিধেয় জামা-কাপড়ের অংশ পাওয়া যায়নি।
আড়াইহাজার থানার ওসি শাখাওয়াত হোসেন জানান, তিনটি মানব দেহের কঙ্কাল পাওয়ার ঘটনায় তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
আড়াইহাজারে সড়ক দূর্ঘটনায় আহত ৭ঃ ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ১ঘন্টা যান চলাচল বন্ধ
আড়াইহাজার সড়ক দূর্ঘটনায় অন্তত ৭ব্যক্তি আহত হয়েছে। জানাগেছে,গতকাল ২৭ অক্টোবর সকাল ১০টায় উপজেলার সাতগ্রাম ইউনিয়নের ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পুরিন্দা বাজার এলাকায় ঢাকা থেকে আসা মোজাদ্দেদ এজেন্সির কার্বাড ভ্যান (ঢাকা মেট্রো ট-১১-৫৭০৫ ও নরসিংদীর দিক থেকে আসা কার্বাড ভ্যান ঢাকা মেট্রো ট-১৬-১২৯১) ২টির মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে দুই কার্বাড ভ্যানের চালক ভ্যানের সামনের অংশ থেতলে গিয়ে ভিতরে আটকে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন ভ্যানের সামনে অংশ ভেঙ্গে দুই চালককে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। প্রত্যক্ষদর্শী সফিকুল ইসলাম জানান,চালক দুই জনের পায়ের অংশ দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ভ্যান দুটি মহাসড়কে পড়ে থাকলে ঘটনার পর ঢাকা সিলেট মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের কারনে ১ঘন্টা যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে হাউওয়ে পুলিশ কার্বাড ভ্যান সরালে পুনরায় যান চলাচল শুরু হয়। একই দিন বেলা সাড়ে ১১টার সময় একই স্থানে একটি যাত্রীবাহী লেগুনার সাথে একটি বড় চাকার ইচার মাথার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে লেগুনার চালক ও ৪যাত্রী আহত হয়। স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে মাধবদী ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠায়।

সাতগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান অদুদ মাহমুদ সড়ক ২টি সড়ক দূর্ঘটনার কথা স্বীকার করে জানান,স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানোর পর হাইওয়ে পুলিশ এসে যনবাহন চলাচল স্বাভাবিক করে।

সিদ্ধিরগঞ্জে আ’লীগ জি হুজুরে পরিনত
সিদ্ধিরগঞ্জে ক্ষমতাশীন দলের কাধে বর করে বিএনপির নেতাকর্মীরা রাজনীতির মাঠে বিচরন করায় ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রয়া দেখা দিয়েছে আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের ভেতরে। এনিয়ে প্রতিদিন থানা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে দলের র্শীষ নেতাদের সাথে আলোচনা করলেও শীর্ষ নেতারা কোন কর্নপাত করছেনা। উল্টো আওয়ামীলীগের জাতীয় সম্মেলনে অতিথি কার্ড দিয়ে বিএনপি’র নেতাদের সম্মেলনে এক গাড়িতে করে নিয়ে যায়। এসমন কি আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় তাদের উপস্থিতি দেখে আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সাথে থানা আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতাদের মনস্তান্তিক বিরোধ দেখা দিয়েছে। তাই এ থেকেই বুঝা যায়, সিদ্ধিরগঞ্জ আওয়ামীলীগ এখন আর আওয়ামীলীগের হাতে নাই। চলে গেছে জি হুজুর মহোসয়দের হাতে।

জানা গেছে, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সকল মিছিল মিটিংয়ে পুলিশের তালিকাভূক্ত সন্ত্রাসী বিএনপি’র অস্ত্রধারি ক্যাডার, হত্যা, গাড়ি পোড়ানো, বিষ্ফোরন মামলার আসামীরা দেখা যায়। মূখে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে মিছিল মিটিং মূখরিত করে রাখে। এমনকি মিছিল ও মিটিংয়ে বিএনপি’র কর্মীরা সমানের কাতারে থাকে। এতে আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠেছে। এনিয়ে কয়েক বার থানা আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতাদের আওয়ামীলীগ ও সহযোগী নেতাকর্মীরা বলেও তারা কোন কর্নপাত করেনা। বিএনপির কর্মীদের বিরোদ্ধে ব্যবস্থা নেয়না। উল্ট তাদের প্রতিটা মিছিল মিটিংয়ে তারা নিয়ে আশে। তাদের দিয়ে জয় বাংলা স্লোগান দেওয়ার বলে নেতাকর্মীরা বলে।

এ ব্যপারে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি নাম না প্রকাশ করা স্বর্থে বলেন, থানা আওয়ামীলীগ এখন এক পেষে হয়ে গেছে। যে যার যার মনের ইচ্ছায় দল পরিচালনা করে। কে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনা আওয়ামীলীগ করে তাদের মূল্যয়ন না করে কে তার লোক মিছিল মিটিংয়ে লোক নিয়ে আসবে আর তাদের কথায় ‘জি হুজুর’ বলে অন্ধের মত তাদের কথা মানবে তাকে দলের সকল সুবিধা দিবে। হক সে অন্যদলের সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী , সরকার বিরোধী আন্দোলনের মামলা হামলার আসামী বা দাগি ব্যাক্তি। তাতে থানা শীর্ষ নেতাদের কোন যায় আসেনা । তারা জি হুজুর মহাসয় বলেতো । তাতে ই চলবে। এ কারনে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বুকে নিয়ে শেখ হাসিনর নৌকার সম্মানের কথা চিন্তা করে অনেক ত্যাগী নেতাকর্মীরা পার্টি অফিসে আশা কমিয়ে দিয়েছে। কোন মিছিল বা মিটিং থাকলে তারা আশে। অনেক কষ্টে কথা গুলো বললাম, তার পরেও যদি নেতাদের একটু সুববুদ্ধি হয়।
যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষকলীগ, মহিলালীগ,শ্রমিকলীগ, সেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকমর্াীরা নাম প্রকাশ না করা স্বর্থে বলেন, সরকার বিরোধী আন্দোলন ও বিএনপির গুপ্তচর হয়ে আওয়ামীলীগের র্শীষ নেতাদের চামচাঘীড়ি করে দাগি আসামীরা সিদ্ধিরগঞ্জে বিচরন করছে। রাজনীতি করছে। তারা দলের নেতাদের নাম ভাঙ্গিয়ে মাদক ব্যবসা করছে। বাধা দিলে শীর্ষ নেতারা আমাদের তাদের প্রতিপক্ষ মনে করে। পার্টি অফিসের আশপাশ ও ভেতরে বিএনপির গুপ্তচরেরা চেয়ার নিয়ে বসে থাকে। অনেক সময় বসার চেয়ার পাইনা। নেতাদের বলেও কোন সুফল পাইনাই। তারা আরো বলেন, দলের অনেক গুরুত্ব পুর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হয়। গুপ্তচরেরা বসে থাকায় তাদের সামনেই নিতে হয়। এ টা মেনে নেয়া যায়না। আমাদের মনে হয় আওয়ামীলীগের র্শীষ নেতাদের কাধে বর করে রিএনপির কর্মীরা সিদ্ধিরগঞ্জে রাজনীতি করছে। সুধু তাই নয়, দাগী ব্যাক্তিরা জাতীয় সম্মেলনে অতিথি কার্ড পায়। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও শেখ হাসিনার নৌকার কর্মীরা কার্ড পায়না। এ থেকেই বুঝা যায়, সিদ্ধিরগঞ্জ আওয়ামীলীগ একন আর আওয়ামীলীগের হাতে নাই। চলে গেছে জি হুজুর মহসয়দের হাতে। এ কারনে পাটি অফিসে যাওয়া ছেড়ে দিয়েছি ।
বন্দরে পরিক্ষা কেন্দ্র পরির্দশকদের সাথে  ইউএনও’র মত বিনিময়
আসন্ন জিএসসি পরিক্ষা ২০১৬ইং উপলক্ষে পরিক্ষা কেন্দ্রসহ সকল ভ্যানু কক্ষের পরিদর্শকদের দায়িত্ব পালনসহ বিভিন্ন কাজের উপর মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় বন্দর বিএম ইউনিয়ন স্কুল এন্ড কলেজ এ অনুষ্ঠিত হয়। মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বন্দর উপজেলা পরিষদের র্নিবাহী র্কমর্কতা মৌসুমী হাবিব। বন্দর বিএম ইউনিয়ন স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল সাত্তারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন বন্দর র্গালস স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ বদরুজ্জামান, হাজী ই্ব্রাহিম আলম চাঁন স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আলহাজ্ব আহাম্মদ হালিম মজহার, শিকদার আব্দুল মালেক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহমুদ আলী, সোনাকান্দা ডকইয়ার্ড উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলী, মীরকুন্ডি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আইয়ুব আলী ভূঁইয়া, কলাগাছিয়া র্গালস স্কুলের প্রধান শিক্ষক খলিলুর রহমান ও কলাগাছিয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফাসহ বন্দর উজেলার বিভিন্ন উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষকগন।
বন্দরে মাদক বিক্রেতা সোহেল গ্রেপ্তার
৫০ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ সোহেল (২৫) নামে এক ইয়াবা ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে বন্দর থানা পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় বন্দর বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ব্যাপারে বন্দর থানায় মাদক আইনে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। জানা গেছে, বন্দর থানার এসআই ফরিদ ও এএসআই জামালসহ তাদের সঙ্গীয় র্ফোস গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় বন্দর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায়। অভিযান চলাকালে পুলিশ ৫০ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ নারায়ণগঞ্জ সদর থানার উত্তর র‌্যালী বাগান থানা পুকুরপাড় এলাকার মৃত সহিদ মিয়ার ছেলে মাদক ব্যবসায়ী সোহেল (২৫)কে গ্রেপ্তার করে। এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত ধৃত মাদক ব্যবসায়ী সোহেল বন্দর থানা হাজতে আটক আছে বলে থানার ডিউটি অফিসার সুত্রে জানা গেছে।
বন্দরে ওয়ারেন্টভুক্ত ৪ আসামী গ্রেপ্তার
বন্দর থানা পুলিশ ওয়ারেন্ট তামিল অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন মামলার মহিলাসহ ৪ পলাতক আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে। গত বুধবার রাতে বন্দর থানার বিভিন্ন এলাকা থেকে এদেরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ধৃতরা হলো বন্দর থানার রুপালী এলাকার মৃত আক্তার হোসেন কাইল্লা মিয়ার ছেলে বন্দর থানার ৩৩(২)০৭ নং মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত পলাতক আসামী কাইল্লা আরিফ (৩২) একই থানার রুপালী গেইট এলাকার সুলতান আহাম্মেদের ছেলে সিআর মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত পলাতক আসামী মাহাবুব রহমান (৪২) ও তার স্ত্রী তাসলিমা (৩৫) একই থানার লালখারবাগ এলাকার সহিদ মিয়ার ছেলে আতাবুর রহমান (৩২)। ধৃত ৪ পলাতক আসামীকে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে উক্ত ওয়ারেন্টে আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ।

রূপগঞ্জে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে সরকারি জমি দখল
রূপগঞ্জ উপজেলার ভুলতা ইউনিয়নের হাটাব আতলাশপুর এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রায় ৩ বিঘা জমি দখলে নিতে একটি প্রভাবশালী মহল শিল্প প্রতিষ্ঠানের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজ অব্যাহত রেখেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করলে তিনি নির্মাণ কাজ বন্ধের নির্দেশ দেন। তারপরও মহলটি প্রাচীর নির্মাণ অব্যাহত রেখেছেন। স্থানীয় এমপির এপিএস নাফিজ সরকারের সহযোগিতায় সরকারি জমি দখলে নিচ্ছে বলেও এলাকাবাসী জানান।
জানা গেছে, হাটাব আতলাশপুর এলাকার এমএ আকরাম নামে এক হুন্ডি ব্যবসায়ী পেপার প্যাকেজিং এন্ড কনভার্টিং লিমিটেড নামে একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেন। গত কয়েক দিন ধরে ওই প্রতিষ্ঠানে নামে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে সীমানা প্রাচীরের ভেতরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ক্যানেলের প্রায় ৩ বিঘা জমি রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানা ইসলাম সরকারি জমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ বন্ধের নির্দেশ দেন। এ নিদের্শকে উপেক্ষা করে স্থানীয় এমপির এপিএস নাফিজ সরকারের সহযোগিতায় ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক এমএ আকরাম কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমি দখল করায় এলাকার পরিবেশও বিনষ্ট হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, জমি দখলে নিয়ে সীমানা প্রাচীরের নির্মাণ কাজ চলছে। এমএ আকরামের ভাই বেলায়েত হোসেন ওই সম্পত্তির দেখা শোনা করছেন। এ বিষয়ে বেলায়েত হোসেন বলেন, এখানে প্রতিষ্ঠান হলে এলাকাবাসী উপকৃত হবে। পানি উন্নয়নের বোর্ডের জমি দখলের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এপিএস নাফিজ সরকারের সাথে যোগাযোগ করার কথা বলেন। এমএ আকরাম মুঠোফোনে জানান, সরকারি জমি দখলের বিষয়টি পুরোপুরি সঠিক নয়।
এ ব্যাপারে নাফিজ সরকার বলেন, এমএ আকরামের সাথে আমার কোনো যোগাযোগ নেই। তাছাড়া সরকারি জমি দখলে কাউকে সহযোগিতা করার প্রশ্নই আসে না। কেউ পানি উন্নয়নের জমি দখল করলে তার বিরুদ্ধে প্রশাসন আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।

এ ব্যাপারে রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানা ইসলাম জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ক্যানেলের জমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজ বন্ধের নিদের্শ দেয়া হয়েছে। সরকারি জমি ঠিক রেখে যে কোন প্রতিষ্ঠান মালিক সীমানা প্রাচীর করতে পারবে। এক প্রশ্নের জবাবে ইউএনও বলেন, বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে। নির্দেশ অমান্য করে কাজ করলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

না’গঞ্জে কমিটি গঠনে ব্যস্ত আ’লীগ-বিএনপি

সাংগঠনিক ভাবে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা এবার আটঘাট বেঁধে মাঠে নেমেছেন। দুই দলের জেলা কমিটি দেই, দিচ্ছি গন্ডির সীমানায় আবদ্ধ থাকলেও দীর্ঘ প্রতিক্ষা শেষে ক্ষমতাশীন দলের নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের আংশিক কমিটি ঘোষনার মধ্য দিয়ে তাদের শুভ সূচনার শুরু করেছেন। এদিকে ২০ দলীয় জোটের প্রধান শরিক দল বিএনপি সরকার পতন আন্দোলনে ব্যর্থ হওয়ার পর সাংগঠনিক অবস্থান নিয়ে অনেকটাই আশাহত। তাই এবার নিজেদের ব্যর্থতার প্রধান কারণ সাংগঠনিক দূবর্লতাকে গুছাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।
এ নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের রয়েছে ভিন্ন মতামত। তাদের মতে বর্তমান রাজনীতিতে জনগনের অধিকার আদায়ের কথা বারবার উঠে আসলেও, প্রকৃত পক্ষে সেটা হচ্ছে ক্ষমতা ধরে রাখা বা নিজেদের অবস্থান তৈরি করার মত। তবে এই দু’য়ের মাঝখানে অনেক রাজনীতিবিদ রয়েছেন যারা দেশ ও জাতির কল্যানে কাজ করে যাচ্ছেন। এটা অস্বীকার করার মত উপায় নেই। প্রধান দুই রাজনৈতিক দল তাদের সাংগঠনিক অবস্থান শক্তিশালী করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। একটা নতুন নেতৃত্ব বিকাশের জন্য আশারবাণী। তবে সেটা হওয়া উচিৎ সম্পূর্ণ নির্ভুল। কারণ দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে হত্যা, গুম, নৈরাজ্য, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজী সহ ক্ষমতার জন্য বিভিন্ন অপকর্মে জনগন অনেকটাই অসহায় হয়ে পড়েছে। অপরাজনীতির হাতে ক্ষমতা চলে গেলে জনগণ আরও ক্ষতিগ্রস্থ হবে। রাজনীতিবিদরা জনগনের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করবে। যে দেশে রক্ষক যখন বক্ষক হয়ে যায়, সেই দেশের ভবিষ্যত অগ্রগতি কতটুকু আশানুরূপ হবে তা ভালই ধারনা করা যায়। তাই দুই দলের নেতা কর্মীদের এই বিষয়টিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।

এ নিয়ে আওয়ামীলীগ সমর্থিত কয়েক জন নেতাকর্মীদের সাথে আলাপকালে তারা বলেন, দীর্ঘ ২১ বছর বাঙ্গালী জাতি অধিকার থেকে বি ত ছিলো। শুধু তাই নয় সে সময়কালে পাকিস্তানীদের দোষর শক্তি এই দেশের রাষ্ট্রনায়ক ছিলো। ৭১ সালে যারা দেশের জন্য যুদ্ধ করেছিলো এবং যারা শহীদ হয়েছিলো। পাকিস্তানী পরাশক্তি তাদেরকে প্রকৃত সম্মান দিতে চায়নি। আওয়ামীলীগ স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি হওয়ায় মুক্তিযুদ্ধে যারা অংশগ্রহণ করেছিলো এবং শহীদ হয়েছিলো তাদের প্রকৃত সম্মান দিচ্ছে। এছাড়াও বাংলাদেশকে কলঙ্ক মুক্ত করার জন্য রাজাকার আলবদরদের বিচার এখনো অব্যাহত রয়েছে। স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি জনগনের জন্য বিএনপি রাজনীতি করেনা। তারা ক্ষমতার জন্য জীবিত মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে। দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি, জ্বালাও-পোড়াও ধ্বংসাত্মক কর্মকান্ডে তারা বিশ্বাস করে।

রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ শাহজাহান ভুঁইয়া বলেন, আমরা জনগণের প্রতিনিধি হয়ে আওয়ামীলীগের রাজনীতি করি। দেশ ও জনগনের উন্নয়ন কর্মকান্ডের অগ্রগতি ধরে রাখতে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করছি। স্বাধীনতা স্বপক্ষের শক্তি আওয়ামীলীগের রাজনীতি মানেই দেশ ও জনগনের সেবা করা। তাদের অধিকার ও জনগনের সেবার মান বাড়িয়ে দিতেই সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার জন্য সিনিয়র নেতৃবৃন্দরা চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

রূপগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সভাপতি আলহাজ গোলাম ফারুক খোকন বলেন, এই অনির্বাচিত সরকার জনগনের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েই ক্ষ্যান্ত হয়নি। গুম, হত্যা, লুটপাট, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজী, দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি করে রক্ত চোষা জোকের ন্যায় আচরন করছে। তাদের অত্যাচারে জনগন আজ নির্যাতিত। এই অবৈধ সরকারের কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহন করার অপরাধে আমাদের মিথ্যা মামলা ও হামলার শিকার হতে হয়েছে। ৫ জানুয়ারী জনগনের সব অধিকার ছিনিয়ে নিয়ে, গণতন্ত্র হত্যা করে বিজয় দিবস হিসেবে পালন করে আসছে আওয়ামী লীগ। এই অবৈধ সরকার তাদের পেটুয়া পুলিশ বাহিনীর উপর নির্ভর করে ক্ষমতায় টিকে রয়েছে। কারণ তাদের পায়ের তলায় মাটি নেই, জনগনের কাছে তাদের অবস্থান শূণ্য হয়ে গেছে।

বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু বলেন, জনগনের অধিকার আদায়ে আমাদের নেতাকর্মীদেরকে আরও সক্রিয় হতে হবে। এ জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির কমিটির রদ-বদল প্রয়োজন। কেন্দ্রীয় কমিটি জেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষনা করার পর আমরা আবারো সক্রিয় হয়ে আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণ করে জনগনের অধিকার আদায় করবো। তাই জনগনের অধিকার আদায়ে আমাদের সাংগঠনিক কর্মকান্ড আরও শক্তিশালী করতে হবে। দেশ ও জনগনের অধিকার আদায়ে আবারো বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনকে ঢেলে সাজাঁনো প্রয়োজন রয়েছে। তাই কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র নেতৃবৃন্দরা সাংগঠনকে ঢেলে সাজাঁতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। অচিরেই তার বর্হিঃপ্রকাশ ঘটবে জনগনের সামনে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের আব্দুল হাইকে সভাপতি, মেয়র সেলিনা হায়াত আইভীকে সহসভাপতি ও আবু হাসনা বাদলকে সাধারণ সম্পাদক করে আংশিক কমিটি ঘোষণায় জেলার প্রতিটি উপজেলায় তৃণমূল আওয়ামী লীগেও চাঙ্গা ভাব বিরাজ করছে। অন্যদিকে জেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার, সহসভাপতি শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক কাজী মনিরুজ্জামানের ব্যর্থ কমিটি পরিবর্তনের জোর গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে সর্র্বত্র।

সাংবাদিক আ: সালামের শাশুরী  প্রবীন নারী আলহাজ সালেহা খাতুনের কুলখানী আজ
নারায়নগঞ্জের প্রবীন নারী আলহাজ সালেহা খাতুনের কুলখানী আজ শুক্রবার মরহুমার গ্রামের বাড়ী আড়াইহাজার উপজেলার বিষনন্দি গ্রামে বাদ জুম্মা অনুণ্ঠিত হবে। তিনি গত শনিবার রাতে বাধ্যর্কজনিত কারনে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন।মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৬ বছর। রোববার তাকে নারায়নগঞ্জের উত্তর ইসডাইর জামে মসজিদ এবং আড়াইহাজারের বিষনন্দি জামে মসজিদে দুইবার নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে তিনি তিন পুত্র এবং ৬ কণ্যা সহ অসংখ্য আতœীয় – স্বজন রেখে গেছেন। তার মেঝো ছেলে বিশ্বব্যাংকের বিএমডিএফ প্রকল্পের টিম লিডার ইন্জিনিয়ার মোঃ শাহআলম এবং সেঝো ছেলে তিতাস গ্যাস এন্ড টান্সমিশনের অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল ম্যানেজার ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আলম এবং মেয়ের জামাতা এটিএন বাংলা ও এটিএন নিউজের নারায়নগঞ্জ প্রতিনিধি আবদুস সালাম। তার মৃত্যুতে স্থানীয় সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু সহ বিভিন্ন মহল থেকে শোক প্রকাশ করেছেন।
কুতুবপুরবাসী সন্ত্রাসী-মাদক বিক্রেতাদের কাছে জিম্মি

আবারও অশান্ত হয়ে উঠেছে কুতুবপুর ইউনিয়ন। হত্যা, ধর্ষন, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসায় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষ এখন ইউনিয়নটির দৈনন্দিন ঘটনায় রূপ নিচ্ছে। ফলে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে ইউনিয়নের প্রায় আড়াই লাখেরও বেশি বসবাসরত মানুষ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৩৬৪৭ একর ভূমি নিয়ে ২৯ গ্রামে বিভক্ত হয়ে গঠিত হয় কতুবপুর ইউনিয়ন। এই ইউনিয়ণ এলাকার বসবাসরত মানুষ সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট অনেকটাই জিম্মি হয়ে পড়েছে। গ্রাম্য আদালত ও স্থানীয় প্রশাসন, সন্ত্রাসীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হচ্ছে। কখনো আবার তাদের দিকেই অভিযোগের আঙ্গুল তুলছে অনেকে।
সম্প্রতি সাংসদ শামীম ওসমানের কাছে কুতুবপুরের অনেকে জনপ্রতিনিধি অভিযোগ করেছেন, কুতুবপুরের অনেক অপরাধীর সাথে পুলিশের সখ্যতা রয়েছে। পুলিশ অপরাধীরে বেশী মুল্যায়ন করেছে। থানায় গেলে আমাদের তেমন মুল্যায়ন করা হয় না। তবে অনেক সময় অপরাধীর সাথে বসে ‘চা’ খায় পুলিশ এমন অভিযোগও তুলেন তারা। এসময় ওখানে পুলিশের দুই কর্মকর্তাও উপস্থিত ছিলেন।
তথ্যমতে, গত এক মাসে সবচেয়ে বেশি অপকর্মের ঘটনা ঘটেছে পাগলা পূর্বপাড়া, পাগলা নয়ামাটি, পাগলা পশ্চিমপাড়া, দক্ষিণ নয়ামাটি, আলীগঞ্জ, নন্দলালপুর, পিলকুনি, রামারবাগ, লামাপাড়া, কুতুবপুর ও নয়ামাটি এলাকায়।
গত ১৮ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে স্ত্রী, সন্তান নিয়ে বাসায় ফেরার পথে ফতুল্লা আওয়ামী জনতা লীগের সভাপতি শেখ স্বাধীন মনির দুর্বৃত্তের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নিহত হয়। এঘটনায় ১৯ অক্টোবর (বুধবার) রাতে সন্ত্রাসী মীরুর বড় ভাই আলমগীর, শাকিল, জনিসহ ৭ জনের নাম উল্লেখ করে নিহত মনিরের স্ত্রী পারভীন বেগম মেঘলা বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।
৮ অক্টোবর রাত ৮টায় র্পূব শত্রুতার জের ধরে ৪ যুবককে কুপিয়ে জখম করে স্থানিয় সন্ত্রাসীরা। এসময় আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে পালিয়ে যায়।
এদিকে ১৯ অক্টোবর রাতে নন্দলালপুর এলাকা থেকে ৪ রাউন্ড গুলি ও একটি বিদেশি পিস্তলসহ প্রজন্ম লীগের সহ-সভাপতি পলাশকে (৩২) আটক করেছে পুলিশ।
এছাড়াও অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে কিশোরী গার্মেন্টস কর্মী ধর্ষণ করার দায়ে ১৮ অক্টোবর পাগলা শাহি মহল্লা এলাকা থেকে জামালকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তিনি একই এলাকার মোবারক মিয়ার ছেলে ও কুতুবপুরের দুর্ধষ সন্ত্রাসী মীর হোসেন মীরু বাহিনীর অন্যতম সদস্য বলে জানা গেছে।
এর পূর্বে ১২ অক্টোবর কুতুবপুরের ভূইঘর এলাকা থেকে দুই নারীসহ ৭ ভুয়া ডিবি পুলিশকে গ্রেফতার করে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে একজোড়া হ্যান্ডকাপ, খেলনা পিস্তল ও ভুয়া ভিজিটিং কার্ড উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে গত ১৫ অক্টোবর তক্কার মাঠের বড় বাড়ি থেকে দুটি গাঁজা গাছসহ চিহ্নত মাদক ব্যবসায়ী আয়নাল হককে (৪৮) গ্রেফতার করে পুলিশ।
তার কিছুদিন পূর্বে একই এলাকার দোকান থেকে ডেকে নিয়ে বিচারের কথা বলে শান্ত নামের এক তরুনকে শারীরিক নির্যাতন করে স্থানীয় ভূমিদস্যু হাসান আলী মীর ও তার সহযোগীরা।
ফতুল্লা খাঁন সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়াম এলাকার খেজুরতলা কাঁচা রোড এলাকায় প্রতিরাতেই ঘটে ছিনতাই এর ঘটনাও।
এবিষয়ে ফতুল্লা থানার ভারপাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল উদ্দিন বলেন, কুতুবপুর একটি জনবহুল এলাকা এখানে যে কোন ধরণের ঘটনা ঘটতে পারে। তবে এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। আমরা চেষ্টা করছি জনসাধারণদের নিরাপত্তা দিতে।
তৈমূর আলমের অভিযোগ একপেশে এক দলীয় নির্বাচন হবে বলে বিএনপি নিস্ক্রিয়ঃ জেলা পরিষদ নির্বাচনে আ’লীগের তোড়জোড়
নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে জেলার ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতারা সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। তবে তেমন আগ্রহ দেখা যায়নি বিএনপিসহ অন্যান্য দলের মধ্যে । এমনকি কোনো প্রার্থীর দলীয় লবিংয়ের কথাও শোনা যায়নি। আগামী ২৮ ডিসেম্বর জেলা পরিষদ নির্বাচন করার কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
এদিকে, নির্বাচনের প্রস্তুতির লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগও বেশ তৎপর হয়ে উঠেছে। নারায়ণগঞ্জের সকল পৌরসভার ও সিটি মেয়র, কাউন্সিলর, সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর, উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা মিলে এখানে সর্বমোট ভোটার হচ্ছে ৬ শ ১১ জন। নির্বাচন করার পুরো প্রস্তুতিও রেখেছে জেলা নির্বাচন কমিশন।
উপ-মন্ত্রী পদমর্যাদা সম্পন্ন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা পুরোদমে তদবির, লবিং চালালেও প্রধান বিরোধী দল বিএনপি নিস্ক্রিয় রয়েছে। নির্বাচনের জন্য এখনো কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশনা পায়নি বলে জানিয়েছেন তারা। তবে নির্দেশনা আসলে প্রার্থীতার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিবেন।
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুল হাই, নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সভাপতি আনিসুর রহমান দিপু, ঘাতক দালাল নির্মল কমিটির সভাপতি বাবু চন্দন শীল ও রূপগঞ্জের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নূরুজ্জামান খান ও আওয়ামী ওলামালীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাবিবুল্লাহ কাঁচপুরী।
জানা গেছে, জেলা পরিষদ নির্বাচনে স্ব স্ব রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন নিয়ে মাঠে নামতে দলের সিনিয়র নেতার দিকে তাকিয়ে রয়েছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা কখন অনুমতি দেবেন সেই প্রহর গুণছেন তারা।
জেলা পরিষদের নির্বাচনের জন্য দলীয় ভাবে প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা। দলীয় সভানেত্রী যে সিদ্ধান্ত দেবেন আওয়ামী লীগের প্রতিটি নেতাকর্মী সেইভাবেই দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবে বলে জানান তারা।
অপরদিকে, বিএনপির অনাগ্রহ ও নিষ্ক্রিয়তার ব্যাপারে কথা হয় নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. তৈমূর আলমের সঙ্গে।
তিনি বলেন, জেলা পরিষদের নির্বাচন নিয়ে আমরা কিছুই ভাবছি না। কেননা এটি একটি একপেশে ও এক দলীয় নির্বাচন হবে, যা বাকশালের নামান্তর। তাই বিএনপির এ বিষয় নিয়ে কোনো মাথা ব্যথা নেই।
তবে তার মতের সাথে দ্বিমত প্রকাশ করে আওয়ামী ওলামালীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাবিবুল্লাহ কাঁচপুরী বলেন, এই নির্বাচনে যেহেতু ভোটার জনপ্রতিনিধিরা, তাই তাদের সমর্থন যে প্রার্থীর থাকবে সেই নির্বাচন করবে, এখানে একদলীয় কোন বিষয় নেই। দেশরতœ শেখ হাসিনা দেশকে এগিয়ে নিতে সর্বত্র গণতন্ত্রের চর্চার ধারা অব্যহত রেখেছেন। আমার বিশ্বাস, জেলা পরিষদ নির্বাচন উন্নয়নের কাজকে আরো গতিশীল করবে।
অন্যদিকে বিএনপির একাধিক নেতা বলেন, জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে কিনা তা নির্ভর করছে দলীয় হাই কমান্ডের সিদ্ধান্তের উপর। দলের একাধিক নেতা মনে করেন ইতোমধ্যে পৌর, উপজেলা ও ইউপি নির্বাচনে যেভাবে ভোট ডাকাতির মাধ্যমে ভোট ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে এবং যারা নির্বাচিত হয়েছেন তারা সবাই আওয়ামী লীগের লোক ও ভোটার। তাই এ নির্বাচনে বিএনপির আগ্রহ কম বরং বিএনপি এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে আওয়ামী লীগের নির্বাচনকে বৈধতা দেয়া হবে বলেও তারা জানান।
জাতীয় পার্টির নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার আহ্বায়ক আবু জাহের জানান, নারায়ণগঞ্জ জাতীয় পার্টির প্রার্থী আছে। সুবিদা জনক সময়ে নাম ঘোষনা করা হবে।

শিক্ষক শ্যামল কান্তির বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়ার অভিযোগে মামলা আবার পিছাল
পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না হওয়ায় জেলার বন্দরের পিয়ার সাত্তার লতিফ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে করা মামলাটি আবারও পিছিয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে নির্ধারিত শুনানীতে নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান এ আদেশ দেন। এ সময় আদালত আগামী ১১ ডিসেম্বর পরবর্তী শুনানীর দিন ধার্য করে বন্দর থানা পুলিশকে ওই দিন তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেন। গত ১৪ জুলাই পিয়ার সাত্তার লতিফ উচ্চবিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক মোর্শেদা বেগমকে এমপিওভুক্ত করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে শ্যামল কান্তির বিরুদ্ধে ওই শিক্ষক আদালতে মামলাটির আবেদন করেছিলেন।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী হারুনুর রশিদ পাটোয়ারী বলেন, মোর্শেদা বেগমকে এমপিওভুক্ত করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্ত দুই দফায় তার কাছ থেকে ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছিলেন। কিন্তু তাকে এমপিওভুক্ত করতে তিনি কোনোরূপ সহায়তা করেননি। ওই মামলায় বৃহস্পতিবার শুনানীর সময়েও তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা না হওয়ায় আগামী ১১ ডিসেম্বর পরবর্তী শুনানীর দিন প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ১৪ জুলাই ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, শিক্ষার্থী রিফাতকে মারধর ও শিক্ষককে এমপিওভুক্ত করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে পৃথক তিনজন বাদী নারায়ণগঞ্জ আদালতে তিনটি মামলার আবেদন করেন। আদালত ওই দিন বিকেলে শুনানি শেষে প্রথম দুটি মামলা খারিজ করে দেন এবং পিয়ার সাত্তার লতিফ উচ্চবিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক মোর্শেদা বেগমকে প্রলোভন দেখিয়ে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে বন্দর থানা পুলিশকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়। আদালত আদেশের জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেছিলেন।

মহানগরের আনন্দ মিছিলে লাঠি চার্জে আহত ১১
নারায়ণগঞ্জ যুবদল ৩৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আনন্দ মিছিলে মিছিল বের করলে পুলিশ বাধা দিয়ে ব্যানার ছিনিয়ে নিয়েছে। এসময় নেতাকর্মীরা প্রতিরোধ করলে পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে পুলিশ লাঠি র্চাজ করে। পুলিশের লাঠিচার্জে জেলা বিএনপির সভাপতি এড. তৈমূর আলম খন্দকার, নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহবায়ক মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ, যুগ্ম আহবায়ক রানা মুজিব, যুবদল নেতা মাহাবুব হাসান জুলহাস, মাসুদ আহম্মেদ সহ ১১ জন নেতাকর্মী আহত হয়।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় নগরীর বানিজ্য কেন্দ্র নিতাইগঞ্জের আলাউদ্দিন আলী ষ্টেডিয়াম থেকে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের কয়েকশত নেতাকর্মী ব্যানার ফেষ্টুন ও বদ্য বাজনা নিয়ে আনন্দ মিছিল বের করে। মিছিলটি মহানগরীরর প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে সমাবেশ করার জন্য ডিআইটিস্থ জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সামনে গেলে পুলিশ বাধা দিয়ে ব্যানার ছিনিয়ে নিলে এ ঘটনাটি ঘটে। পরে নেতাকর্মীরা পুলিশ ব্যাড়িকেডের মধ্যেই বিক্ষোভ করে মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক কারাবন্ধী সাগর প্রধান ও জমিয়ত নেতা মাওলানা ফেরদৌস সহ সকল কারাবন্দী নেতাকর্মীদের অবিলম্বে মুক্তি দাবী করে নারায়ণগঞ্জ বিএনপি কার্যালয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন।
নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহবায়ক মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদের নেতৃত্বে এ কর্মসূচীতে প্রধান অতিথি ছিলেন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্ঠা ও জেলা বিএনপির সভাপতি এড.তৈমূর আলম খন্দকার। বিশেষ অতিথি ছিলেন- জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খান,নগর বিএনপির উপদেষ্ঠা আব্দুল মজিদ ও নগর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব জাহাংগীর আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান আহম্মেদ, নুরুল হক চৌধুরী দিপু প্রমুখ।
বিক্ষোভ মিছিলে আরো নেতৃত্ব দেন মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সানোয়ার হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক মাসুদ রানা,সরকার আলম, আনোয়ার হোসেন আনু,রানা মুজিব, আক্তার হোসেন খোকন শাহ, জুয়েল প্রধান, জুয়েল রানা। বন্দর থানা যুবদলের সভাপতি আমির হোসেন,সহ-সভাপতি শহীদুল ইসলাম রিপন, মহানগর যুবদল নেতা গাজী মনির,নাজমুল কবীর নাহিদ, রিটন দে, ইছালউদ্দিন ইশা, সাইফুল প্রধান, ইউনুছ খান বিপ্লব, মোঃসেলিম গেদা, আঃরহমান, আল-আমিন খান, লিমন সরকার, মন্জু মিয়া, সালাউদ্দিন দেওয়ান, আকতার অপু, আল-মামুন, জানে আলম দুলাল, মিঠু আহম্মেদ, মুসা মিয়া, ইমন, মুহিন আহম্মেদ রিপন, রাসেল মনির, সামছুল হক, কবির হোসেন, ওসমান গনি, জামাল হোসেন, বন্দর থানা যুবদলের ফিরোজ আহম্মেদ, নজরুল ইসলাম, আকতার হোসেন, ফারুক মিয়া, হুমায়ুন, সজীব খন্দকার, সোহেল খান বাবু জয়ন্ত ফেরদৌস, সিদ্দিরগন্জ্ঞ যুবদলের ইকবাল হোসেন, দুলাল হোসেন, হাফেজ রহিম, ফয়সাল, আক্তার হোসেন, আসলাম হোসেন প্রমুখ।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ্যাড. তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, দেশ এখন পুলিশী রাষ্ট্রে পরিনত হয়েছে। মনে রাখা দরকার এ সরকারই শেষ সরকার নয়। সরকার বাক স্বাধীনতায় বিস্বাস করে না বলেই বাকশাল কায়েম করছে।
নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহবায়ক মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, সরকারের পায়ের নীচে মাটি নাই তাই সরকার বিএনপিকে ভয় পায়। প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী কোন সরকার বিরোধী কর্মসূচী না হলেও পুলিশ হামলা করে প্রমান করেছে সরকার গনতন্ত্রে বিস্বাস করে না।
মুক্তিযোদ্ধা ইউছুফ মোল্লার কুলখানি আজ
শুক্রবার ( ২৮ অক্টোবর) আড়াইহাজারের ফতেপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা ইউছুফ মোল্লার কুলখানি বাদ জুমা তার নিজ বাড়ীতে অনুষ্ঠিত হবে। তিনি গত শুক্রবার (২১ অক্টোবর) জুমার নামাজ পড়ে বাড়ীতে ফিরে হৃদ যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেন। ইন্নাহলিল্লাহি…রাজিউন। তাঁর এ মৃত্যুতে পবিত্র কোরআন খানি, মিলাদ মাহফিল, বিশেষ মোনাজাত ও গরিব দুখী ও এলাবাসীর জন্য খাবারের আয়োজন কার হয়েছে।
ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের ৩ সার্জেন্টের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ
ব্যস্ততম ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইলমোড়ে বেপরোয়াভাবে চলছে ট্রাফিক সার্জেন্টের যানবাহনে চাঁদাবাজি। যানবাহনের কাগজপত্র চেক করার নামে এবং গাড়ি রিকুইজিশন করার নামে এরা প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। যে সকল যানবাহনের চালক সার্জেন্টের দাবিকৃত চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানায় সে সকল গাড়ির নামে একাধিক ধারায় ঠুকে দিচ্ছে মামলা। হাতেগোনা কয়েকজন সার্জেন্টের কাছে শিমরাইলমোড়ে যানবাহনের চালকরা জিম্মি হয়ে পড়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টা থেকে ১২ টা এবং বিকেল ৩ টা থেকে সাড়ে ৪ টা পর্যন্ত দুদফা শিমরাইলমোড়ে অবস্থান করে ট্রাফিক সার্জেন্টদের যানবাহনে চাঁদাবাজির তান্ডব লক্ষ্য করা যায়। অভিযুক্তরা হলেন সার্জেন্ট হাসানুর, সার্জেন্ট শাহাদাত ও সার্জেন্ট হাবিবুল্লাহ। সার্জেন্ট জিয়াউল করিম, সার্জেন্ট শরীফ ও সার্জেন্ট সাখাওয়াত নারায়ণগঞ্জ ট্রাফিক বিভাগ থেকে অন্য জেলায় বদলী হয়ে যাওয়ার পর থেকে এই তিনজন সার্জেন্টরা বেপরোয়াভাবে চাঁদাবাজিতে মেতে উঠেছে। এরা গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা না করার শর্তে প্রতি গাড়ি থেকে ৫০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিচ্ছে। আবার রিকুইজিশন না করে গাড়ি ছেড়ে দিতে২০০০/৩০০০ টাকা উৎকোচ আদায় করে। তবে যে সকল গাড়ি চালক সার্জেন্টের দাবিকৃত ঘুষ দিতে অপারগতা প্রকাশ করে সেসব গাড়ি রিকুইজিশন করে থাকে। এই সার্জেন্টদের শিমরাইলমোড়ে অপেক্ষা করে দেখা যায়, উক্ত সাজেন্টরা পিকাপ, মাইক্রোবাস, পুরানো মডেলের কিছু প্রাইভেটকার এবং মিনি কভার্ডভ্যান আটক করে গাড়ির কাগজপত্র নিয়ে শিমরাইলস্থ ট্রাফিক পুলিশ বক্সে নিয়ে দরদাম হাঁকেন। সার্জেন্টর দাবিকৃত ঘুষ দিতে পারলে গাড়ি ছেড়ে দেয় আর দিতে না পারলে হয় মামলা নয় রিকুইজিশন। মিনি কভার্ডভ্যান চালক ইব্রাহিম,খোকন ও পিকাপ চালক আয়নাল জানায়, সকাল সাড়ে ১০ টা থেকে ১১টার মধ্যে শিমরাইলমোড়ে সার্জেন্ট হাসানুর ওই তিনজনের গাড়ি আটকিয়ে ৫০০ করে ১৫০০ টাকা হাতিয়ে নেয়। বেলা ১১ টার দিকে একটি মাইক্রোবাস আটকিয়ে সার্জেন্ট হাসানুর ৭০০ টাকা ঘুষ আদায় করে বলে গাড়ি চালক ইকবাল হোসেন জানায়। বেলা ৩ টায় শিমরাইলমোড়ে ট্রাক ষ্ট্যান্ডের একটু পূর্ব দিকে গিয়ে দেখা যায়, সার্জেন্ট শাহাদাত মালবাহী একটি পিকাপ আটক করে গাড়ির কাগজপত্র নিয়ে গাড়ি চালকের সাথে দরদাম হাঁকতে থাকেন। গাড়ি চালক আব্দুল মালেক সার্জেন্ট শাহাদাতকে ১০০০ টাকা দিয়ে তার কবল থেকে রক্ষা পান। একই স্থানে সার্জেন্ট হাবিবুল্লাহ একটি প্রাইভেটকার আটক করে ৫০০ টাকা হাতিয়ে নেয়। সাংবাদিক পরিচয় জেনে গাড়ি চালকরা শর্ত দিয়ে বলেন, অমাদের গাড়ির নম্বর পত্রিকায় দিলে পরবর্তীতে ওই সার্জেন্টরা আবারও গাড়ি আটক করে হয় মামলা না হয় রিকুইজিশন করবে। গাড়ি চালকদের অনুরোধে গাড়ির নম্বর দেওয়া হলোনা। সার্জেন্ট শাহাদাত বেলা সোয়া ৪ টার দিকে চট্রগ্রামগামী একটি মালবোঝাই পিকাপ আটক করে গাড়ির কাগজপত্র নিয়ে শিমরাইল ট্রাফিক পুলিশবক্সে গিয়ে গাড়ি চালকের কাছ থেকে ১৫০০ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। দাবিকৃত টাকা না দিলে পিকাপটি রিকুইজিশন করা হবে বলে গাড়ি চালক কামাল হোসেনকে জানায় সার্জেন্ট শাহাদাত। এভাবে শিমরাইলমোড়ে সার্জেন্টরা যানবাহনে চাঁদাবাজিতে মেতে উঠেছেন। এরা যানজট নিরসন করার কাজ না করে সামারিতে ব্যস্ত থাকেছেন বলে গাড়ি চালকরা সার্জেন্টদের প্রতি চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ব্যস্ততম মহাসড়কের মাঝপথে হাজার হাজার মানুষের সামনে বেহায়ার মতো সার্জেন্টরা গাড়ি থামিয়ে গাড়ি চালকদের জিম্মি করে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতিদিনই। অভিযুক্ত সার্জেন্ট শাহাদাত সাজেন্ট হাসানুর ও সার্জেন্ট হাবিবুল্লাহর চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে গাড়ি চালকরা ফুঁসে উঠেছে। কলংক এই অসাধু পুলিশ সার্জেন্টদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যক্ষেন সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থ গ্রহনের জন্য নারাযণগঞ্জ পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভুক্তভোগী যানবাহনের চালকরা।

শহরবাসী-পথচারীর বিড়ম্বনা অবৈধ রিকশা
শহরে অবৈধ রিকশা শহরবাসীর গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অবৈধ রিকশার উৎপাতে পথচারীদেরও পড়তে হয় বিড়ম্বনায়। শহরের ব্যস্ততম মোড় গুলোতে তীব্র যানজট এখন নিত্যদিনের ঘটনা। তীব্র যানজটের মুখে থমকে যাচ্ছে শহরবাসীর জীবনযাত্রা। চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে নাসিকবাসীসহ হাজার হাজার পথচারী। রাস্তার মাঝখানে পার্কিং করে যাত্রী ওঠানামা, যানজট সৃষ্টি ও কোনো ধরনের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করায় শহরের সড়কগুলোয় বিশৃঙ্খলার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এ অবৈধ রিকশা। পর্যাপ্ত রাস্তাঘাটের অভাবে, বাইপাস সড়ক না থাকায় এবং মাত্রাতিরিক্ত যানবাহন চলাচলে ট্রাফিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়া যানজটের অন্যতম প্রধান কারণ। ক্রমশ পথচারীদের দূর্ভোগ বেড়েই চলছে। ব্যস্ততম শহরের একমাত্র প্রধান সড়কটিতে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, রিকশা, ভ্যান, বাইসাইকেল, লেগুনা, মোটরসাইকেল ও টেম্পোর মতো ছোটখাটো যানবাহনের পাশাপাশি বাস, ট্রাকসহ নানা ভারি যানবাহন চলাচল করছে। বাড়তি চাপ পড়ছে লাইসেন্সবিহীন অবৈধ যানের দৌরাত্বে। এসব মাত্রাতিরিক্ত যানবাহনের বেসামাল চলাচলে প্রধান সড়কের বেশকটি স্থানে প্রায়ই যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে শহরের মন্ডলপাড়া থেকে রিক্সায় উঠে চাষাঢ়া পৌঁছাতে প্রায় ৩৫ মিনিট সময় ব্যয় হয়েছে চাকরীজীবি সোলেয়মান মিয়ার। যেই কারনে তিনি তখন শহরের ট্রাফিক জ্যামের ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করে লিখেন, ঢাকা থেকেও নারায়ণগঞ্জে মনে হয় যানজট বেড়ে গেছে!
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নাসিক এলাকার বৈধ রিকশার সংখ্যার চেয়ে এর দ্ধিগুন শহরে চলাচলকারী প্রায় ৯০ ভাগ রিকশার কোনো লাইসেন্স নেই। নাসিক কর্তৃপক্ষের লোকজনদের চোখকে ফাঁকি দিয়ে শহরের বিভিন্ন অলিগলিতে রিকশা দাবড়িয়ে বেড়াচ্ছে। নিয়ন্ত্রন করার জন্য কেউই নেই। এছাড়াও আশপাশের ইউনিয়নগুলো থেকে প্রতিদিন শত শত অটোরিকশা শহরের অভ্যন্তরে প্রবেশ করছে। আর নিয়ম-কানুন না জেনে গাড়ি চালানোয় ঘটছে দুর্ঘটনা। মাঝে মধ্যে নাসিক কর্তৃপক্ষ অবৈধ রিকশা আটক অভিযান চালালেও এর তেমন কোন প্রভাব না পরায় অবৈধ রিকশা চলাচল অব্যাহত রয়েছে।
শহরের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে দেখা গেছে, অটোরিকশার চালকরা ঠিক সড়কের মাঝখানে পার্কিং করছেন। কোনো কোনোটি সড়কের মাঝখানে গাড়ি রেখে যাত্রী ওঠাচ্ছেন, ভাড়া নিতে সড়কের মাঝখানেই দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। অপেক্ষাকৃত সরু সড়কগুলোয় ওভারটেক করতে গিয়ে সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। চালক এক হাতে মোবাইলে কথা বলছে, এক হাতে গাড়ি চালাচ্ছে। এছাড়া অবৈধ রিকশার পাশাপাশি শহরে প্রভাব খাটচ্ছে অনুমোদনহীন ব্যাটারীচােিলত অটোরিকশা। রাতের বেলা ৮০ ভাগ অটোরিকশার হেডলাইট, ইনডেকেটর বন্ধ রেখেই গাড়ি চালায়। এসব অটোরিকশার অধিকাংশ চালকরাই অদক্ষ ও অপ্রাপ্ত বয়সী। ওইসব লাইসেন্সবিহীন অদক্ষ চালকদের অবৈধ গাড়ি নিয়ে শহরের সর্বত্র বেপরোয়া চলাচলে নারায়ণগঞ্জ শহর এখন যানজটের নগরীতে পরিণত হয়েছে। শহরের প্রতিটা মোড় হতে প্রত্যেকটি পয়েন্টে সবসময় যানজট লেগেই থাকে।

না’গঞ্জ বারকে ডিজিটাল ঘোষণা অনুষ্ঠানে জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেন

আদালত পাড়াকে সুন্দর রাখা এক ধরনের ঈমানী দ্বায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) বিকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির আয়োজনে নারায়ণগঞ্জ বারকে ডিজিটাল বার ঘোষণা, বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতার পুরস্কার বিতরণ, ডাইরেক্টরীর মোড়ক উন্মোচন, জিপিএ পাঁচ প্রাপ্ত মেধাবী সন্তান এবং সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
সৈয়দ এনায়েত হোসেন আরো বলেন, বাংলাদেশে প্রথম ডিজিটাল বার হলো নারায়ণগঞ্জ। আর আমি এই আদালতের জজ হয়ে নিজেকে গর্বিত মনে করছি। নারায়ণগঞ্জ বার নারায়ণগঞ্জের সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে আরো উন্নতির দিকে যাবে এই আশাবাদ ব্যাক্ত করেন তিনি।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড. আনিসুর রহমান দিপু বলেন, বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের সামনে মোড়ক দেখে মনে হয়েছিল নারায়ণগঞ্জ বারের সামনে যদি একটি মোড়ক করতে পারতাম। সেই আশা আজ পূরন হয়েছে, আর এই আশা পূরনের পুরোপুরি ভাগিদার সাধারণ সম্পাদক হাসান ফেরদৌস জুয়েল।
জেলা আইনজীবী আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড.আনিসুর রহমান দিপুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এড. হাসান ফেরদৌস জুয়েল এর স লনায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিকেএমইএ’র সাবেক প্রথম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেড শহিদুল হক, অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ কামরুন নাহার, পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এড. ওয়াজেদ আলী খোকন, জেলা আইনজীবী সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহসিন মিয়া, আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক এড. আনোয়ার প্রধান, আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এড.আমিনুল হক, এড.আবদুর রশিদ ভূঁইয়া, এড.আবদুল বারী ভূঁইয়া, এড.সাখাওয়াত হোসেন, এড.আসাদুজ্জামান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এড.আব্দুর কাদের, এড.জাকির হোসেন প্রমুখ।
আলোচনা সভা শেষে সাংস্কৃতি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সাইনবোর্ডে ৩ জনকে অজ্ঞান  করে তেল ভর্তি ট্রাক ছিনতাই
চালক হেলপারকে অচেতন করে ট্রাক ভর্তি সরিষার তেল ছিনতাই করে নিয়ে গেছে অজ্ঞানপার্টি। অচেতন অবস্থায় ট্রাক চালকসহ তিনজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এরা হলেন, বিশ্বনাথ, সিদ্দিক এবং মর্তুজা। বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) বিকেল পৌনে ৩টায় তাদের ঢামেকে আনা হয়।
ছিনতাই হওয়া সরিষার তেলের মালিক রতন মাহমুদ জানান, বুধবার বিকেলে জয়পুরহাটের আবুল কালামের কাছ থেকে ১৫ ব্যারেল (৬০ ড্রাম) সরিষার তেল ট্রাকে (ঢাকা মেট্রো-ট-১৬-১১২৭) লোড করে বিশ্বনাথ, মর্তুজা ও সিদ্দিক নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকার সাদ্দাম মার্কেটের এসকে প্রোডাক্টের আবদুস সাত্তারের কাছে সরিষার তেল ডেলিভারী দেয়ার জন্য যাচ্ছিল। রাত ১০ টায় চৌরঙ্গী ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে দুর্বৃত্তরা ট্রাকের চালক, হেলপারসহ ৩ জনকে হাত-পা বেঁধে অচেতন করে তেল বোঝাই ট্রাক ছিনতাই করে নিয়ে পালিয়ে যায়।
মর্তুজার মামা আব্দুর রশিদ জানান, বুধবার রাত ১০টা পর্যন্ত ওই তিনজনের সঙ্গে আবুল কালামের কথা হয়েছে। এরপর আর কোনো যোগাযোগ করা যায়নি।
পরে নারায়ণগঞ্জের ভুলতা গাউসিয়া এলাকার সেজান জুস ফ্যাক্টরির সামনে তাদের অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। স্থানীয় লোকজন পকেটে থাকা মোবাইল নম্বর পেয়ে আমাকে (রশিদ মর্তুজার মামা) ফোন দেয়। পরে তাদের উদ্ধার করে একটি পিকআপ ভ্যানে করে ঢামেকে নিয়ে আসি। তবে তেল বোঝাই ট্রাকের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মু. শরাফত উল্লাহ জানান, ট্রাক ছিনতাই হওয়ার স্থানটি এখনো চিহিৃত করা যায়নি। ট্রাকের লোকজন আসলেই বিস্তারিত জেনে পদক্ষেপ নেয়া হবে।

টানবাজারে প্রাইভেটকারসহ চোর আটক
নারায়ণগঞ্জের সদর থানাধীন টানবাজার এলাকার কিশোর চন্দ্র দে’র বাড়িতে দরজা ভেঙ্গে চুরি করার সময় হাতেনাতে ধরা পরেছে সংঘবদ্ধ চোর চক্রের দুর্ধর্ষ সদস্য নিপু দে (৩০)। এ সময় তার কাছ থেকে লোহার তৈরী দেশীয় অস্ত্র ও একটি প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্টো-গ-১১-৪৫০৫) উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২৬ অক্টোবর) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে জানা যায়, ঢাকা জেলার ৮৩ শাহিনবাগ (সিভিল এভিয়েশন কোয়ার্টার), মহাখালির বাসিন্দা নরেন দে’র ছেলে নিপু দে বুধবার রাত আনুমানিক আটটার দিকে আরো ৪/৫ জন সঙ্গি নিয়ে টানবাজারস্থ কিশোর দে’র মালিকানাধীন ভবনের ছয় তলায় দরজা ভেঙ্গে প্রবেশ করার সময় স্থানীয় জনতা তাদের হাতে নাতে ধরে ফেলে। সহযোগীরা জনতার ধাওয়ায় পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও নিপুকে ধরে ফেলে তারা। এ সময় তার সঙ্গে থাকা একটি প্রাইভেট কার ও একটি লোহার তৈরী দেশীয় অস্ত্রসহ তাকে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান টাইমস নারায়ণগঞ্জকে বলেন, এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে। নিপু দে প্রাইভেট কার নিয়ে ঢাকা থেকে ৪/৫ জন মিলে এসে সর্বোচ্চ ১৫/২০ মিনিটের মধ্যে আপনার বাসার দরজা ভেঙ্গে আলমারি ভেঙ্গে সোনা-দানা, টাকা-পয়সা নিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা রাখে। সামান্য ১৫ মিনিট পর আপনি বাসায় এসে দেখবেন আপনার প্রিয় স্বর্ণ গহনা, টাকা পয়সাগুলি নেই। সে কুখ্যাত এবং ভয়ংকর চোর। তাকে সবই চিনে রাখুন এবং সবাই সর্বদা সজাগ থাকুন।
জনসভা সফলে কাশিপুরে আ’লীগের সভা
নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের নব-গঠিত কমিটির সাধারন সম্পাদক আবু হাসনাত শহিদ মো: বাদল বলেছেন, প্রধান শেখ হাসিনার আস্থাভাজন ছোট ভাই নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমানকে খুব ভাল বাসেন। সেই নেতাকে নারায়ণগঞ্জ আওয়ামীলীগের দায়িত্ব দিয়েছে। তিনি যেন আওয়ামীলীগকে সু-সংগঠিত করেন। শেখ হাসিনার নির্দেশ মোতাবেক আওয়ামীলীগকে শক্তিশালী করতে কাজ করছেন। আর শামীম ওসমানের নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জের আওয়ামীলীগ আজ ঐক্যবদ্ধ। দলের মধ্যে বেধাবেদ নেই। শামীম ওসমান সন্ত্রাস, ভুমিদস্যু ও মাদক ব্যবসায়ীদের আশ্রয় প্রশ্রয় দেয় না। অপরাধী বিরুদ্ধে তিনি সব সময় সোচ্চার রয়েছে। সেই নেতা ২৯ অক্টোর সমাবেশের আহবান করেছেন। তার ডাকে সারা দিয়ে আমরা দেখিয়ে দিতে নারায়ণগঞ্জবাসী শামীম ওসমানকে কতটাই ভাল বাসেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে দেওভাগ হাজী উজির আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কাশিপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের উদ্যেগে ইসদাইস্থ ওসমানী স্টেডিয়াম সংলগ্ন বালু মাঠে মহানগর আওয়ামীলীগের আয়োজিত বিশাল সমাবেশ সফল করার লক্ষে প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা হিসাবে ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও কাশিপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এম সাইফউল্লাহ বাদল বলেন, বিগত সময়ে নারায়ণগঞ্জ আওয়ামীলীগের কান্ডারী শামীম ওসমান এমপি থাকাকালিন যতটা উন্নয়ন করেছে তা জনগন তা বলতে পারবে। পরবর্তীতে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর ফতুল্লায় কোন উন্নয়ন করেনি। এরপর আওয়ামীলীগের একজন নারী এমপি হওয়ার পর উন্নয়নের কোন কাজ করেনি। কিন্তু শামীম ওসমান ফের এমপি হওয়ার পর কাশিপুর তথা গোটা ফতুল্লায় যেভাবে উন্নয়ন করছে তা বলার অবকাশ রাখে না। তিনি আরো বলেন, শামীম ওসমানের আহবানে ২৯ অক্টোবর ওসমানী স্টেডিয়ামে জনসভার আহবান করেছেন। কাশিপুরবাসী সেই সভায় ম একাই দখল করে নিয়ে শামীম ওসমানকে দেখিয়ে দিতে চায় কাশিপুরবাসী তাকে কতটুকু ভাল বাসেন।
অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম বলেন, আমার প্রান প্রিয় নেতা শামীম ওসমান বলেছেন ২৯ অক্টোবর হচ্ছে তার সমাবেশ। এই কথা শোনার পর আমার চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি। কেন তিনি এমন কথা বললেন। যেই নেতা আওয়ামীলীগের জন্য জীবন যৌবন সব কিছু শেষ করে দিয়েছেন। সেই নেতার জনসভা কেন শেষ সভা হবেন। তাই আমি সবার প্রতি আহবান করছি জোহর নামাজ পড়ে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করে তার জন্য দোয়া করবেন যাতে আমাদেরকে নিয়ে সব সময় সভা সমাবেশ করতে পারেন। আগামী ২৯ অক্টোর সমাবেশে যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে সমাবেশে যোগদান করবেন বলে এই প্রত্যাশা করছি।
কাশিপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আইয়ুব আলীর সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ন কবির রতনের স ালনায় বক্তব্য রাখেন ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক মোমেন শিকদার, প্রচার সম্পাদক জাহিদুল হক খোকন, কাশিপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক এমএ সাত্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন, স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা হারুন অর রশিদ, কাশিপুর ইউপি’র সাবেক সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব, কাশিপুর ইউনিয়ন কৃষকলীগের সাধারন সম্পাদক আবুল কালাম, কাশিপুর ইউনিয়ন যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আনিছুর রহমান শ্যামল, সাধারন সম্পাদক শামীম আহম্মেদ, কাশিপুর ইউপি সদস্য মরিয়ম আক্তার, হেলেনা আক্তার, কাশিপুর ইউপি সদস্য কাশিপুর ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মোক্তার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক নূর হোসেন, স্থানীয় প ায়েত কমিটির সাধারন সম্পাদক আহম্মেদ হোসেন রাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম জুয়েল প্রধান, যুবলীগ নেতা শাহিন, আমির হোসেন,মনির,সেলিম মিয়া, মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী মিনু বেগম, জাহানারা, ববি আক্তার, কাশিপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আল আমিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

ফতুল্লা সৈনিকলীগ নেতা মোখলেছ হত্যা মামলার আসামীঃ বেপোরোয়া ঝুট সন্ত্রাসী বড় মিজান
লাগামহীন হয়ে উঠেছে শিল্পা ল ফতুলার মাসদাইর এলাকার ঝুট সন্ত্রাসী হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি বড় মিজানসহ তার বাহিনীর সদস্যরা। এক সময় জেলা যুবলীগ নেতা শাহ্ নিজামের নাম ব্যবহার করে অপরাধ কর্মকান্ড করে বেড়ালেও বর্তমানে ভোল্ট পাল্টিয়ে সে নিজেকে প্রয়াত সাংসদ নাসিম ওসমানের একমাত্র ছেলে আজমেরী ওসমানের নাম ব্যবহার করে প্রতিদিনিই কোন কোন শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকদের বিভিন্ন ধরেনের ভয়ভীীতি দেখিয়ে জোড়পূর্বক ঝুট সেক্টর দখল করার চেষ্টা চালিয়ে আসছে। সে সাথে দিচ্ছে শিল্প প্রতিষ্ঠানের আশে পাশে সন্ত্রাসী মহড়া। সন্ত্রাসী বড় মিজানসহ তার বাহিনীর সদস্যদের এমন মহড়ায় ভীতসস্ত্র হড়ে পড়েছে সাধারন শিল্প মালিকসহ আশে পাশের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। আর এত করে সাংসদপুত্র আজমেরী ওসমানের সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে বলে মনে করছেন স্থাণীয় রাজনৈতিক ব্যাক্তিরা। অপরদিকে ফতুলার মাসদাইর এলাকার সৈনিকলীগ নেতা মোখলেছ হত্যা মামলার অণ্যতম আসামি বড় মিজানের এমন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে ক্ষুদ্ধ নিজ দলীয় নেতারা। তাই উক্ত এলাকায় অবস্থিত শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকদের নিরাপদে শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য অনতিবিলম্বে সন্ত্রাসী বড় মিজানসহ তার বাহিনীর সদস্যদের বির”দ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সূত্রে জানা যায়, ফতুল্লার মাসদাইর এলাকার সৈনিকলীগ হত্যার প্রধান আসামি হচ্ছে সন্ত্রাসী বড় মিজান। মোখলেছ হত্যা মামলার পর দীর্ঘদীন পলাতক থাকার পর আবারো সে এলাকায় ফিরে এসেছে। নতুন করে তৈরী করেছে বিশাল ক্যাডার বাহিনী। নিজ দলীয় নেতা হত্যার পর দলীয় কোন প্রভাবশালী নেতার সমর্থন না পাওয়ায় এবার সে সাংসদপুত্র আজমেরী ওসমানের নাম ব্যবহার করে ফার মাসদাইর চৌধুরী কমপেক্্র এলাকায় তার বাহিনী নিয়ে মহড়া প্রদান করছে। আর মহড়া প্রদানকালে সে কখনো জেলা যুবলীগ নেতা শাহ্ নিজাম আবার কখানো সাংসদপুত্র আজমেরী ওসমানের নাম ব্যবহার ত্রাসের সৃষ্টি করছে। ফলে ভীতসস্ত্র হয়ে পড়েছে সাধারন শিল্পপ্রতিষ্টানের মালিকরা। তাই কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আগেই সন্ত্রাসী বড় মিজানসহ তার বাহিনীর সদস্যদের গ্রেফতারের জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ ব্যাপারে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি কামাল উদ্দিন জানান, সন্ত্রাসী ঘটনার সাথে জড়িত কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। সন্ত্রাস মুক্ত ফতুল্লা গঠন করতে সাংসদ শামীম ওসমান এবং জেলা এসপি স্যারের নির্দেশনা রয়েছে। আইনশৃংখলা নিয়ন্ত্রনে রাখার জন্য সন্ত্রাসী বড় মিজানকে আইনের আওতায় আনা হবে বলেও সে জানান।
চেইঞ্জেস স্কুলের পক্ষ থেকে ২ লাখ টাকার চেকঃ ক্যান্সার আক্রান্ত সুমাইতা বেঁচে থাকার আলো
অবশেষে বেঁচে থাকার আলো দেখছে ক্যান্সারে আক্রান্ত সুমাইতা। দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত সুমাইতার চিকিৎসার সাহায্যে এগিয়ে এসেছেন অনেকেই। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সুমাইতা’র চিকিৎসার সহায়তায় দেওয়া হচ্ছে নগদ টাকা। এছাড়াও প্রশাসনের পক্ষ থেকে চিকিৎসার সহায়তার বিষয়টি প্রক্রিয়ধীন। সুমাইতা’র মুখে হাসি ফুটানোর জন্য সমাজের বিত্তবানদের পাশে দাঁড়ানোর আবারো আহ্বান জানিয়েছেন বিকেএমইএ’র সহ-সভাপতি ও চেইঞ্জেস স্কুলের চেয়ারম্যান সাদা মনের অধিকারী জি এম ফারুক।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর চাঁনমারীস্থ চেইঞ্জেস স্কুলের ক্যাম্পাসে অসুস্থ্য সুমাইতা’র চিকিৎসার জন্য স্কুল থেকে ২ লাখ টাকার অনুদানের চেক প্রদানকালে তিনি এ অহ্বান জানান।

এ সময় আবেগ আপ্লুত জি এম ফারুক ভেজা কণ্ঠে সকলের উদ্দেশ্যে বলেন- বাঁচতে দিন, দেখুক সু-দিন, বাঁচার অধিকার তারও আছে। সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে এসে, একটি মুখের হাসি দিন ফুটিয়ে। সুমাইতা পাক বাঁচার স্বাদ।
তিনি আরো বলেন, সুমাইতা আমাদের স্কুলের ছাত্রী। ক্যান্সারে ভুগছে র্দীঘ দিন। আমরা প্রত্যাশা করি, সুমাইতা সুস্থ্য স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে। এর আগেও আমাদের অন্য এক শিক্ষার্থী ‘লিন্ডা’ দুরারোগ্য ক্যান্সারকে জয় করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছে। সুমাইতাও আসবে আমাদের মাঝে।
তিনি আরো বলেন, সন্তানের জন্য মায়ের হাহাকার, তা কেউ বুঝতে পারে না। সুমাইতা’র মা মানুষ গড়ার কারিগর। মেয়ে জীবন বাঁচাতে আজ দ্বারে দ্বারে। তার চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবানসহ সকলে এগিয়ে আসবে এটাই আমি প্রত্যাশা করি। সমাজের বিত্তবানদের পাশাপাশি সঙ্গে যারা অবস্থাসম্পন্ন তাদের অনুরোধ করবো সুমাইতার পাশে দাঁড়াবেন। এই সময় মানুষ একটু সমবেদনা চায়, আমার বিশ্বাস আপনারা পাশে এসে দাঁড়ালে সুমাইতাসহ তার পরিবার একটু সাহস পাবে।
মেয়ের চিকিৎসার টাকার চেক হাতে পেয়ে অশ্রু ভেজা চোখে অভিমানি কণ্ঠে সুমাইতার মা মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষিকা শারমিন সুলতানা বিথি লাইভ নারায়ণগঞ্জকে বলেন, চলতি বছরের এপ্রিলে আমার সুমাইতার এ মরণ রোগ ধরা পড়ে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৭লাখ টাকার বেশি খরচ হয়েছে। সুমাইতা কিছুটা ভালোর দিকে । তবে সম্পূর্ণ সুস্থ্য হতে সময়ের প্রায়োজন। আরো প্রয়োজন প্রায় ২৫ লাখ টাকার। চেইঞ্জেস স্কুলের সুমাইতা’র সহপাঠী, শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটি’র সদস্যদের পক্ষ থেকে ২ লক্ষ টাকা দিয়েছেন। যদিও এর পেছনে ‘জি এম ফারুক’ স্যারের অবদান ভুলার নয়। যখন থেকে সুমাইতা অসুস্থ্য, তখন থেকে একের পর এক সাহায্য করে যাচ্ছেন তিনি। শুধু নিজেই নয় বরং বিভিন্ন স্থানে সুমাইতার জন্য সাহায্য চেয়ে যাচ্ছেন। মানুষ এমন হয় তা আমার জানান ছিলো না। মানুষের দুঃখে এগিয়ে আসে এই রূপ মানুষ কম আছে আমাদের সমাজে। জি এম ফারুক স্যার তার ভিন্ন উদাহরণ।
তিনি বলেন, এখনো আরো প্রায় ২২লাখ টাকার প্রায়োজন। সমাজে অনেক বিত্তবান রয়েছেন। শুধু বিত্তবানই নয়, অনেক দানশীল রয়েছেন। তাদের কাছে এ মায়ের আকুল আবেদন আপনাদের সহযোগিতা পারে আমার সুমাইতাকে সুস্থ্য জীবনে ফিরিয়ে আনতে।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন চেইঞ্জেস স্কুলের পরিচালক মানিক সোহেল সারোয়ার, অধ্যক্ষ মাহমুদুল ইসলাম, উপ অধ্যক্ষ সাদিকুর রহমান, শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ।
বন্দরের পিটিয়ে আহত করার ১০ দিন পর——————————–
ঢামেক হাসপাতালে দুলারীর মৃত্যু
বন্দরের নবীগঞ্জ রওশন বাগে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে দুলালী বেগম (২৫) কে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার ঘটনার ১০ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সে মারা যান। স্বামী পরিত্যাক্তা দুলালী বেগমকে বন্দরের তিনগাঁও এলাকার নূর ইসলাম ও তার পরিবার পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার আল আমিন (২৫)কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। দুলালী নিহত হওয়ার খবরে আসামীরা সকলে বাড়ি ঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় কাইতাখালি এলাকার মৃত সিদ্দিকুর রহমান মিয়ার ছেলে আক্তার হোসেন বাদী হয়ে বন্দর থানায় মামলা দায়ের করেন।
আক্তার হোসেন জানান, বন্দর থানার নবীগঞ্জ রওশনবাগ এলাকার মৃত বাছেদ মিয়ার মেয়ে দুলালী সাথে বন্দর তিনগাঁও সুতারপাড় ভদ্রসন এলাকার হাসান আলী মিয়ার ছেলে নূর ইসলামের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এ সুবাধে দুলালী অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রায় সময় প্রেমিক নূর ইসলামের বাড়ীতে যাতায়ত করত। এ সূত্র ধরে গত ১৬ অক্টবর সন্ধ্যা ৭টায় প্রেমিক নূর ইসলাম প্রেমিকা দুলালীকে কথা আছে বলে রওশানবাগ এলাকা থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে প্রেমিক নূর ইসলামের ২ স্ত্রী সেলিনা বেগম, হেলেনা বেগম, ছেলে আল আমিন, মা মাফিয়া বেগম তাকে বেদম পিটিয়ে হত্যা নিশ্চিত ভেবে কুশিয়ারায় চন্ডিতলা বিলে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় এলাকাবাসীর সহতায় দুলালীকে উদ্ধার করে প্রথমে বন্দর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করে। সেখানে কিছু দিন চিকিৎসা গ্রহন করে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে নারায়ণগঞ্জ ৩ শয্যা হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে তার অবস্থা বেগতি দেখে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১০ দিন চিকিৎসার পর অবশেষে সে মারা যায়। খবর পেয়ে বন্দর থানা পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে শাহবাগ থানা পুলিশের সহায়তায় লাশের সুরত হাল ও ময়না তদন্ত করায়।
এ ব্যপারে বন্দর থানার ওসি আবুল কালাম বলেন, লাশের ময়না তদন্ত হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

সিদ্ধিরগঞ্জে মাহিনের স্মরণে মিলাদ মাহফিল
সিদ্ধিরগঞ্জের আটি এলাকায় অবস্থিত মেসার্স খাজা লাইমসের মালিক প্রয়াত মহিউদ্দিন মাহিন স্মরণে এক মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতি মাসের শেষ বৃহস্পতিবার এ মিলাদেও দোয়ার আয়োজন করে মরহুম মহিউদ্দিন মাহিনের বড় ছেলে সাইফুল ইসলাম সোহেল।
মেসার্স খাজা লাইমসের মালিক মহি উদ্দিন মাহিন প্রায় ৩ বছর পূর্বে ইন্তেকাল করেছেন। এরপর থেকে খাজা লাইমস এর পক্ষ থেকে তার বড় ছেলে সাইফুল ইসলাম সোহেল প্রতি মাসের শেষ বৃহস্পতিবার মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল বৃহস্পতিবার বাদ আছর এক মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে নাতি অহিদুল ইসলাম শিফাত, শিবলী, জামাতা হাজী ইদ্রিস আলী,ম্যানেজার আলাউদ্দিন,ও খাজা লাইমছের
সকল কর্মচারী আলাল মিয়া, দেলোয়ার হোসেন, শাহজাহানসহ স্থানীয় এলাকার গন্যমান্য বক্তিবর্গ ও স্থানীয় মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উক্ত মিলাদ ও দোয়ায় উপস্থিত ছিলেন। মোনাজাত পরিচালা করেন মাওলানা জাকারিয়া।
আজই না’গঞ্জ আ’লীগ নেতাদের ভাগ্য নির্ধারন
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে শুক্রবার ২৮ অক্টোবর। এদিন দলের সভাপতি মন্ডলীর সভা আহবান করা হয়েছে যেখানে সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করবেন। আর এ সভাতেই পূর্ণাঙ্গ হবে আওয়ামী লীগের বাকি ৩৬টি পদ। ইতোমধ্যে ৪৫ পদে নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে নারায়ণগঞ্জের কোন নেতার পদ থাকবে কী না সেটাই এখন মুখ্য বিষয়। কারণ নারায়ণগঞ্জ জেলার কোন নেতার নাম না থাকলে সেটা এ জেলার জন্য কিছুটা অবমাননাকর হতে পারে। এদিকে ৩৬ পদের মধ্যে কোন একটিতে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমান ও নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের এমপি নজরুল ইসলাম বাবুর মধ্যে যে কারো থাকার সম্ভাবনা আছে। তবে শেষ দিকে এসে বাবুর নাম বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে আসছে। যদিও শামীম ওসমান বলছেন, তিনি কোন পদের জন্য রাজনীতি করেন না।
এছাড়া এখনো ৫টি পদও খালি আছে। এর মধ্যে বন ও পরিবেশ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, যুব ও ক্রীড়া, কৃষি ও সমবায় এবং আন্তর্জাতিক সম্পাদকের পদ রয়েছে। এছাড়া আরও দুটি উপ-সম্পাদকীয় পদও ফাঁকা রয়েছে। এগুলো হলো উপ-প্রচার ও উপ-দফতর বিষয়ক সম্পাদক।
দীর্ঘ ১৪ বছর পর গত ৯ অক্টোবর জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি ঘোষণা সেই চাঙ্গাভাবকে আরো জাগ্রত করে তুলেছে। আওয়ামী লীগ গঠন, দলকে শক্তিশালী করার প্রয়াস শুরু, মহান ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধেও নারায়ণগঞ্জ জেলার ভূমিকা অপরিসীম। কিন্তু দুর্ভাগ্য হলেও সত্য নারায়ণগঞ্জ জেলার কেউ এ মুহূর্তে কেন্দ্রীয় কমিটিতে নাই। নাই মন্ত্রীর তালিকাতেও। অথচ জেলার ৫টি আসনের মধ্যে তিনটিতে এখন আওয়ামী লীগের এমপি। আর বিগত ২০০৮ হতে ২০১৩ পর্যন্ত ৫ আসনের মধ্যে ৪টিতে ছিল আওয়ামী লীগের এমপি। রাজধানীতে আওয়ামী লীগের কোন বড় জনসভা হলে এর বেশীরভাগ নেতাকর্মী যায় নারায়ণগঞ্জ থেকে। বিগত দিনে আওয়ামী লীগ যখন বিরোধী দলে ছিল তখনও সরকার বিরোধী আন্দোলনে নারায়ণগঞ্জই সবচেয়ে বেশী ভূমিকা রেখেছিল।
শামীম ওসমান ছাড়াও নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের এমপি নজরুল ইসলাম বাবুও চেষ্টা করছেন কেন্দ্রীয় কমিটিতে ঠাই পেতে। এ দুইজনের কেউ কেন্দ্রে স্থান পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে পুরো বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী ও দলের সভাপতি শেখ হাসিনার উপর নির্ভর করছে।
ছাত্রলীগের কর্মসূচীতে লিখলো ২ গৃহিনী
চল্লিশোর্ধ রোশনা ও ষাটোর্ধ তাহেরা খাতুন জীবনের প্রথম হাতে কলমে নিজেদের নাম লেখা শুরু করলেন। লেখা নামের ওপর হাত ঘুরিয়ে প্রচন্ড উচ্ছাসিত এই দুই নারী। দুজনেই গৃহিনী। সংসারের অভাব মেটাতে বিয়ে বাড়ির রান্নার জন্য রাত জেগে মসলা বাটেন তারা। এতে যে টাকা পায় কোন রকম সংসার চলে। সংসারের অভাবে শিক্ষার চাহিদা মেটাতে পারেনি তারা।
২৭ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুরে হঠাৎ নারায়ণগঞ্জ শহরের জিমখানা বস্তিতে চলে যায় নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ। হাতে তাদের নতুন খাতা কলম। বস্তিতে গিয়েই সকলের উদ্দেশ্যে ঘোষণা দেয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগকে নিরক্ষরতা দূরীকরণে কাজ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। আমার সেই নির্দেশ পালনে আপনাদের কাছে এসেছি। বস্তিতে থাকা রোশনা ও তাহেরা খাতুনের মত নিরক্ষর মানুষগুলো বের হয়ে আসে ঘর থেকে। নেতাকর্মীরা প্রথমে বড় অক্ষরে তাদের নামগুলে খাতায় লিখে দেন। এতে লেখার ওপর হাত ঘুরানো শুরু করে বস্তির নিরক্ষর মানুষগুলো।
ষাটোর্ধ রোকেয়া বেগম জীবনের প্রথম খাতায় নাম লিখে তার প্রতিক্রিয়া বলেন, “আমার খুব ভাল লাগতাছে। জীবনে কোন দিন খাতা কলমে নাম লেহি নাই। সব সময় টিপসই দিয়া চলি। পোলাডি আমার নাম লেইক্কা দিয়া গেছে। ওইডার ওপর হাত ঘুরামু”।
একই বস্তির রোশনা (৪২) বলেন, “স্বামী মারা গেছে। অভাবের সংসার। পড়ালো কইত্তে শিখমু। তবে আইজকা ভাল লাগতাছে। এ প্রথম নাম লেহা শুরু করলাম। পোলাগুলো ভাল কাজ করছে”।
এভাবেই একের পর এক বস্তির ঘরে ঘরে গিয়ে নিরক্ষতা দূরীকরণে হতে কলমে নাম লেখা ও স্বরলিপি অক্ষর চেনার জন্য কাজ শুরু হাতে কলমে নাম লিখে দিয়ে অক্ষরের ওপর হাত ঘুরানো শিক্ষা দেন ছাত্রলীগ নেতা কর্মীরা জানতেই চাইলে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাফায়েত আল সানি জানান, নেত্রীর নির্দেশ পলনে মাঠে নেমেছি নিরক্ষতা দূরীকরণে। মানুষগুলো আমাদের হাতে নাম লিখা শিখছিল। অনেকটা আগ্রহী তারা। খুব খারাপ লাগল এই কাজ আমাদের আরো আগে করা উচিত ছিল। অনেকে আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেছেন, বাজান আমরা তো টিপ সই দিতে জানি। এই কাজ শুধু ছাত্রলীগের না যারা অক্ষর জ্ঞান জানে সকলের করা উচিত।
নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সুজন, জানান, আমারা ছাত্রলীগ বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে বস্তিগুলোতে নিরক্ষতার দূরীকরণে কাজ শুরু করব। এটা খুব প্রয়োজন।
ছাত্রলীগের এই কর্মসূচীতে আরো উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি মিনহাজুল ইসলাম রিয়াদ, মো: আলী আকবর, আওলাদ হোসেন। যুগ্ম সা: সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রায়হান, নূওে আলম রঞ্জু, আজিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আতাউর রহমান নান্নু। আইন বিষয়ক সম্পাদক, সুজন প্রধান, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক নিশান কাফি, সমাজ কল্যান সম্পাদক খাঁন সৌরভ, গণশিক্ষা সম্পাদক মামুন মোল্লা, শিক্ষা সম্পাদক সজীব রায় ও আপ্যায়ন সম্পাদক মো: ইব্রাহীমসহ প্রমুখ।
প্রসঙ্গত জেলা ছাত্রলীগ ২০১৪ সালের ১৭মার্চ থেকে শহরের স্বপ্নডাঙ্গা স্কুলে বাস্তুহারা শিশু শিক্ষার্থী. শিবু মাকের্ট এলাকার লিপি ওসমান শিশু নিকেতন ও দেওভোগ জান্নাত নারী পাঠশালায় শিক্ষা উপকরণসহ বিতরণসহ নানা কর্মসূচী পালন করে আসছে।

ভূইগড় এলাকায় চালক হেলপার আটকঃ ফতুল্লায় যাত্রীবাহী বাসে উঠে ব্যবসায়ীর ৭ লাখ ছিনতাই
নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা লিংক রোডে একটি যাত্রীবাহী বাসে উঠে দুইজন স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৭ লাখ টাকা ছিনতাই হয়েছে। ওই ঘটনায় বাসের চালক ও এর হেলপারকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় লিংক রোডের ভূইগড় এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে।

নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আবদুল্লাহ মোমেন জানান, ছিনতাইয়ের শিকার স্বর্ণ ব্যবসায়ীদ্বয় ফালান ঘোষ ও প্রদীপ ঘোষ ঢাকায় স্বর্ন ও রূপা বিক্রি করে উৎসব পরিবহনের একটি বাসে (ঢাকা মেট্রো ব-১৪-১৮০১) করে নারায়ণগঞ্জ আসছিল। লিংক রোডের ভূইগড় এলাকাতে বাসটি যাত্রী নামানোর সময়ে দুটি মোটরসাইকেল দিয়ে আসা ৬ জন ছিনতাইকারী বাসটিতে উঠে যাত্রীদের জিম্মী করে ফেলে। তখন ছিনতাইকারীরা ফালান ঘোষ ও প্রদীপ ঘোষের সঙ্গে থাকা ৭ লাখ টাার ব্যাগটি জোর করে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে বাসটি চাষাঢ়া আসার পর অন্য যাত্রীরা চালক ও হেলপারকে মারধর করে ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পুলিশ গিয়ে চালক দেলোয়ার হোসেন (৪৩) ও হেলপার জাফরকে (৪২) আটক পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।

যাত্রীদের অভিযোগ, ওই দুইজন ছাড়াও অন্য আরো কয়েকজন যাত্রীর কাছ থেকেও মোবাইল সহ অন্য মালামাল লুটে নেওয়া হয়েছে। বাসটি না থামানোর জন্য বলা হলেও চালক সেটাকে থামিয়ে দেন।
রিমান্ডে আসামীর গোপনাঙ্গে ছ্যাকাঃ সদর ওসি সহ তদন্তকারীকে শোকজ
নারায়ণগঞ্জে মোটর সাইকেল চুরি মামলায় জড়িত সন্দেহে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় গ্রেফতারকৃত ইমরুল হাসান ইমরান নামে এক যুবককে বর্বর নির্যাতন চালানোর অভিযোগ উঠেছে।
আদালত থেকে এক দিনের রিমান্ডে নিয়ে ওই যুবকের গোপনাঙ্গে জলন্ত সিগারেটের ছ্যাকা দেয়া হয় এবং তার পশ্চাৎদ্দেশে এ বেত্রাঘাত করে রক্তাক্ত জখম করা হয়েছে। এঘটনায় আদালত নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি আসাদুজ্জামান ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আমীর হামজাকে এর কারণ জানতে শোকজ করেছেন। আগামী ১ নভেম্বর স্বশরীরে আদালতে হাজির হয়ে এর ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার অফিসার ইনচার্জ ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার হাতে আদালতের এ আদেশ পৌছানো হয়েছে বলে আদালতের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সূত্রে জানাযায়, ২৬ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জ শহরের ১৭৪/৪ ডনচেম্বার এলাকায় জনৈক হারিছ মোল্লার আড়াই লাখ টাকা মূল্যের মোটর সাইকেল চুরি হয়ে যায়। এতে হারিছ মোল্লা সদর মডেল থানায় ২৭ সেপ্টেম্বর অজ্ঞাত চোরের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় ২২ অক্টোবর ইমরুল হাসান ইমরানকে(২৫) পুলিশ গ্রেফতার করেন।
পরে এসআই আমীর হামজা আদালত থেকে ইমরানকে এক দিনের রিমান্ডে নেয়। এরপর রাতে থানার ভিতরে ইমরুল হাসান ইমরানের লিঙ্গে জলন্ত সিগারেটের ছ্যাকা দেয় এসআই আমীর হামজা। একই সাথে তার পশ্চাৎদ্দেশশে এ বেত্রাঘাত করে রক্তাক্ত জখম করা হয়। এরপর দিন ক্ষত অবস্থায় গত ২৩ অক্টোবর আদালতে প্রেরন করে ওই যুবকের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আবেদন করেন পুলিশ। এসময় নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান এর আদালতে ইমরানকে হাজির করা হলে সে কান্নাকাটি করতে থাকে। এতে আদালত তার সমস্যার বিষয় জানতে চায়। এসময় পুলিশী নির্যাতনের ক্ষত স্থান আদালতকে দেখিয়ে ওই যুবক কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন এবং মোটর সাইকেল চুরির বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানান। এতে আদালত তার জবানবন্দি গ্রহন না করে থানার অফিসার ইনচার্জ ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে এর কারন জানতে চেয়ে শোকজ করেন।
রাষ্ট্র পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের এসআই কাওছার আহমেদ এর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আগামী ১ নভেম্বর স্বশরীরে আদালতে হাজির হয়ে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে এর ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। তবে তিনি আসামীর নাম জানালেও ঠিকানা দিতে অস্বীকৃতি জানান।
না’গঞ্জ মহানগর জাসদের সমাবেশ
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শুক্রবার বিকাল ৩টায় শহরের ২নং রেল গেইট এলাকার সৈয়দ আলী চেম্বারের সামনে নারায়ণগঞ্জ মহানগর জাসদের উদ্যোগে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
নারায়ণগঞ্জ মহানগর জাসদের সভাপতি মোসলেম উদ্দিন আহমেদ সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহানের স ালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন জাসদ কেন্দ্রয়ি কিমিটির সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার, জাসদের কেন্দ্রীয় কিমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শওকত রায়হান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবা আক্তার লিপি, জেলা জাসদের সভাপতি আব্দুস সাত্তার, সাধারণ সম্পাদক মোহর আলী চৌধুরী, নারায়ণগঞ্জ জেলা ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনিছুর রহমান দিপু, মহানগর জাসদের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান।

সেচ্ছাসেবক দল নেতা আকরাম প্রধানের জামিন
জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির অঙ্গ সংগঠন যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের নেতাকর্মীরা। কেক কেটে ও আলোচনা সভার মাধ্যমে এ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) সকালে নারায়ণগঞ্জ ডিআইটি বানিজ্যিক এলাকায় জেলা বিএনপি কার্যালয়ে এ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদল।
প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সভাপতি মোশাররফ হোসেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শাহআলম মুকুল, কেন্দ্রীয় সদস্য সাদেকুর রহমান সাদেক, সোনারগাঁও থানা যুবদল সভাপতি জাকির হোসেন বাবু, সাধারণ সম্পাদক আবদুর রউফ, আড়াইহাজার থানা যুবদলের আহ্বায়ক জুয়েল হোসেন, ফতুল্লা থানা যুবদলের সাধরণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান মাসুদ, সহ-সভাপতি ইসমাইল প্রধান, সাংগঠনিক সম্পাদক সালাউদ্দীন সহ যুবদল নেতা রুহুল আমিন, আতাউর রহমান, আলমগীর হোসেন প্রমুখ।
কেক কেটে জেলা যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন
সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার ২৭ অক্টোবর সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদল কেক কেটেছেন। জেলা বিএনপির কার্যালয়ে জেলা যুবদলের ওই কেক কাটা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সভাপতি মোশাররফ হোসেন। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সদস্য সাদেকুর রহমান সাদেক, জাকির হোসেন বাবু, আবদুর রউফ, জুয়েল হোসেন, রুহুল আমিন, মাসুদুর রহমান, শাহ আলম মুকুল, সালাউদ্দিন, আতাউর রহমান, ইসমাইল প্রধান, আলমগীর হোসেন প্রমুখ।
তল্লা সবুজবাগ মডেল একাডেমীতে বিদায় সংবর্ধনা
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার তল্লা সবুজবাগ মডেল একাডেমী কিন্ডারগার্টেন ও হাইস্কুলের পিএসসি সহ জেএসসির পরক্ষার্থীদের বিদায় ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার সকাল ১০বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মাওলানা মো: আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো: সুলতান আহমেদ ফয়েজী। বিশেষ অতিথি নারায়ণগঞ্জ বার একাডেমী স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক মো: দেলোয়ার হোসেন, সাংবাদিক ও হোমিও চিকিৎসক মো: দেলোয়ার হোসেন, বেইলী স্কুলের শিক্ষক মো: রাব্বি আলী, মো: আন্তা হক ও মো: আক্তার হোসেন। এছাড়া বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকাবৃন্দের মধ্যে যারা উপস্থিত ছিলেন রাবেয়া বেগম, মো: মোস্তাফিজুর রহমান, মো: সাইফুর রনি, মো: মিরাজ হোসেন, আসমা, মো: তুষার, মো: জোবায়ের আলম সহ অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সহ অন্যান্য অতিথিরা বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে গঠনমূলক বক্তব্য রাখেন এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শিক্ষামূলক উপহার সামগ্রী বিতরন করেন। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো: লুৎফর রহমান এবং মিলাদ শেষে দোয়া পরিচালনা করেন তল্লা সবুজবাগ জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মাও: মো: আবুল কাশেম।
দেশ এখন পুলিশী রাষ্ট্রে পরিনত:এড.তৈমূর
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৩৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে নগরীতে বিশাল ও বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল করেছে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদল। সকাল ১১টায় নগরীর বানিজ্য কেন্দ্র নিতাইগন্জ্ঞের আলাউদ্দিন আলী ষ্টেডিয়াম থেকে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের কয়েকশত নেতাকর্মী ব্যানার ফেষ্টুন ও বদ্য বাজনা নিয়ে আনন্দ মিছিল বের করে।মিছিলটি মহানগরীরর প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে সমাবেশ করার জন্য ডিআইটিস্থ জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সামনে গেলে পুলিশ মিছিলে বাধা দেয় ও ব্যানার ছিনিয়ে নেয়।এসময় নেতাকর্মীরা প্রতিরোধ করলে পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে ও পুলিশ লাঠি র্চাজ শুরু করে।পুলিশী হামলায় জেলা বিএনপির সভাপতি এড.তৈমূর আলম খন্দকার, নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহবায়ক মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ, যুগ্ম আহবায়ক রানা মুজিব,যুবদল নেতা মাহাবুব হাসান জুলহাস,মাসুদ আহম্মেদ সহ ১১ জন নেতাকর্মী আহত হয়। এসময় পুলিশী বাধায় যুবদলের নেতাকর্মীরা পুলিশ ব্যাড়িকেডের মধ্যেই বিক্ষোভ শুরু করে। সমাবেশে মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক কারাবন্ধী সাগর প্রধান ও জমিয়ত নেতা মাওলানা ফেরদৌস সহ সকল কারাবন্দী নেতাকর্মীদের অবিলম্বে মুক্তি দাবী করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহবায়ক মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচীতে প্রধান অতিথি ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া উপদেষ্ঠা ও জেলা বিএনপির সভাপতি এড.তৈমূর আলম খন্দকার,বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খান,নগর বিএনপির উপদেষ্ঠা আব্দুল মজিদ ও নগর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব জাহাংগীর আলম,সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান আহম্মেদ,নুরুল হক চৌধুরী দিপু প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধান অতিথি ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া উপদেষ্ঠা ও জেলা বিএনপির সভাপতি এড.তৈমূর আলম খন্দকার বলেন,দেশ এখন পুলিশী রাষ্ট্রে পরিনত হয়েছে।মনে রাখা দরকার এ সরকারই শেষ সরকার নয়।সরকার বাক স্বাধীনতায় বিস্বাস করে না বলেই বাকশাল কায়েম করছে।
সভাপতির বক্তব্যে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহবায়ক মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন সরকারের পায়ের নীচে মাটি নাই তাই সরকার বিএনপিকে ভয় পায়।প্রতিষ্ঠা বাষিকী কোন সরকার বিরোধী কর্মসূচী না হলেও পুলিশ হামলা করে প্রমান করেছে সরকার গনতন্ত্রে বিস্বাস করে না। তিনি মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক কারাবন্ধী সাগর প্রধান ও জমিয়ত নেতা মাওলানা ফেরদৌস সহ সকল কারাবন্দী নেতাকর্মীদের অবিলম্বে মুক্তি দাবী করেন।
বিক্ষোভ মিছিলে আরো নেতৃত্ব দেন মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সানোয়ার হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক মাসুদ রানা,সরকার আলম, আনোয়ার হোসেন আনু,রানা মুজিব, আক্তার হোসেন খোকন শাহ, জুয়েল প্রধান, জুয়েল রানা। বন্দর থানা যুবদলের সভাপতি আমির হোসেন,সহ-সভাপতি শহীদুল ইসলাম রিপন, মহানগর যুবদল নেতা গাজী মনির,নাজমুল কবীর নাহিদ, রিটন দে, ইছালউদ্দিন ইশা,সাইফুল প্রধান,ইউনুছ খান বিপ্লব,মোঃসেলিম গেদা,আঃরহমান,আল-আমিন খান,,লিমন সরকার,মন্জু মিয়া,সালাউদ্দিন দেওয়ান,আকতার অপু,আল-মামুন,জানে আলম দুলাল,মিঠু আহম্মেদ,মুসা মিয়া,ইমন,মুহিন আহম্মেদ রিপন,রাসেল মনির,সামছুল হক,কবির হোসেন,ওসমান গনি,জামাল হোসেন,বন্দর থানা যুবদলের ফিরোজ আহম্মেদ,নজরুল ইসলাম,আকতার হোসেন,ফারুক মিয়া,হুমায়ুন,সজীব খন্দকার, সোহেল খান বাবু জয়ন্ত ফেরদৌস,সিদ্দিরগন্জ্ঞ যুবদলের ইকবাল হোসেন,দুলাল হোসেন,হাফেজ রহিম,ফয়সাল,আক্তার হোসেন,আসলাম হোসেন প্রমুখ।
রফিকুল ইসলম রফিক
নারায়ণগঞ্জ
তাং ২৭-১০-২০১৬

Related posts