November 17, 2018

আকাশের মেঘ দেখলেই বিদ্যুৎ উধাও

images
তোফায়েল হোসেন জাকির, গাইবান্ধা ॥ আকাশের মেঘ দেখলেই বিদ্যুৎ উধাও হচ্ছে গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলায়। একটু ঝড়ো-হওয়ার সাথে সাথেই বিদ্যুৎ চলে যায়। কখন ফিরে আসবে এর নিশ্চয়তা দিতে পারেনা সংশ্লিষ্ঠ বিদ্যুৎ অফিস। শুধু মেঘ দেখলেই নয়, সারাদিন-রাত নাচনী বুড়িরর মতো নাচতে থাকে সাদুল্যাপুরের পল্লী বিদ্যুৎ।
উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে পল্লী বিদ্যুতের ঘন ঘন লুকোচুরি খেলায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। দিন-রাত যে কতবার বিদ্যুৎ আসে যায় তা হিসেবে পাওয়া যায় না। এই আছে, এই নেই। বিদ্যুতের এমন লুকোচুরি খেলাকে স্থানীয়রা বলছেন মিসকল। একদিনের নয়, নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে এই ভোগান্তি। ফলে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যুতের ঘন ঘন মিসকলের কারণে কম্পিউটার, ফ্রিজ, পানির মোটর, ফটোকপি মেশিনসহ বিদুৎ চালিত যন্ত্রপাতি বিকলসহ নষ্ট হয়ে পড়ছে। এর সাথে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা লেখা-পড়ায় চরম বেকায়দায় পড়েছে।
ভূক্তভোগিরা জানান, অন্ধকারে কাটাতে হয় অনেক সময় পর্যন্ত। গুরুত্বপূর্ণ অফিস আদালত, স্কুল, কলেজ, বিভিন্ন কারখানায় সময় মতো বিদ্যুৎ না থাকায় কাজের ভোগান্তির পোহাতে হয়। বিদুৎ গ্রাহকরা জানান, নির্দিষ্ট সময়ে লোডশেডিং হলে আমরা আগেভাগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে থাকতে পারতাম। এ অবস্থায় লোডশেডিং চলতে থাকলে বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকাই ভালো।
সাদুল্যাপুরের পল্লী বিদ্যুতের সীমাহীন লোড সেডিংয়ের কারণে ব্যসায়ীদের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ ব্যাহত হচ্ছে বলে জানা গেছে। ফলে লোকসান গুনতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। বিদ্যুতের মিসকল ও ভেলকিবাজি থেকে মুক্তি চায় সাধারণ মানুষ। এবিষয়ে বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, বিদ্যুতের নানান অজুহাত।
রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর সাদুল্যাপুর সাব-জোনাল অফিস এজিএম সামছুল হক বলেন, চাহিদানুযায়ী সরবরাহ না থাকায় এবং গরমে বিদ্যুৎ উৎপাদন কম হওয়ায় সাময়িক এ সমস্যা হচ্ছে।

Related posts