September 25, 2018

আইসিএসবির ৬ষ্ঠ কনভেনশন ও কনভোকেশন অনুষ্ঠিত

 

তৌফিক মাহমুদ, ঢাকাঃ ইন্সটিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারীজ অব বাংলাদেশ এর ৬ষ্ঠ ন্যাশনাল কনভেনশন ও ৬ষ্ঠ কনভোকেশন, ২০১৬ অনুষ্ঠান ২৪শে ডিসেম্বর, ২০১৬, শনিবার দিনব্যপী প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেল, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সকাল ৮:১৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত কনভেনশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী লে. কর্ণেল (অব.) জনাব মোহাম্মদ ফারুক খান এমপি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এর হাইকোর্ট ডিভিশনের মাননীয় বিচারপতি সিদ্দিকুর রহমান মিয়া, চেয়ারম্যান ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লি:। তিনি বলেনঃ এটি খুবই আনন্দের বিষয় যে, এ ইনষ্টিটিউট ও ইনষ্টিটিউটের সদস্যগন বাংলাদেশের কর্পোরেট খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। আমি এ জাতীয় সম্মানীয় ব্যক্তিবর্গের সাথে মতবিনিময়ের অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পেয়ে আনন্দিত। আমি বিশ্বাস করি যে, একজন দক্ষ কোম্পানি সেক্রেটারী হওয়ার জন্য প্রয়োজন বিশ্লেষণী ক্ষমতা, সিদ্ধান্ত গ্রহণের শক্তি, দায়িত্ববোধ, সর্বোপরি পেশার প্রতি মমত্ববোধ। এ ইনষ্টিটিউটের সদস্যগণের ভেতরে এটি বিদ্যমান রয়েছে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

কনভেনশন স্যুভিনির অবমুক্ত করেন ইন্সটিটিউট এর প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জনাব ইতরাত হোসাইন এফসিএস। ৬ষ্ঠ জাতীয় কনভেনশন এর মূল প্রতিপাদ্য বিষয় তুলে ধরেন ইন্সটিটিউট এর সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. ফিরোজ ইকবাল ফারুকী এফসিএস। সমাপনি বক্তব্য রাখেন ইন্সটিটিউট এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব মোহাম্মদ বুল হাসান এফসিএস।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব মোহাম্মদ ফারুক খান, এমপি বলেন, আমি খুশি হব যদি এ ইনস্টিটিউটের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনায় সাধ্যমত সহায়তা দিতে পারি। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে চার্টার্ড সেক্রেটারীজ এ্যাক্ট, ২০১০ পাশ হওয়ার মাধ্যমে এ ইনস্টিটিউটের সদস্যগণের কোম্পানি সেক্রেটারী হিসেবে দায়িত্ব পালনের এবং প্রাইভেট প্র্যাক্টিস করার সুযোগ তৈরী হয়েছে। চার্টার্ড সেক্রেটারী পেশা বর্তমানে জাতীয়ভাবে স্বীকৃত। এ পেশা কর্পোরেট ব্যবস্থাপনা ও সুশাসনের অভিযাত্রাকে আরও উন্নত করবে। আমি দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় এ ইনস্টিটিউটের বলিষ্ঠ ভূমিকার সার্বিক সাফল্য কামনা করি।

 

বিকেল ২:৪৫ মিনিটে শুরু হওয়া ৬ষ্ঠ কনভোকেশনে  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মাননীয় মন্ত্রী ব্যারিষ্টার শফিক আহমেদ। কনভোকেশন স্পীকার হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুল মান্নান। কনভোকেশন স্যুভিনির অবমুক্ত করেন ইনষ্টিটিউটের সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ শহীদ ফারুকী এফসিএস। অনুষ্ঠানে সমাপনি বক্তব্য রাখেন ইনষ্টিটিউটের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ সেলিম রেজা এফসিএ, এফসিএস।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মাননীয় মন্ত্রী ব্যারিষ্টার শফিক আহমেদ বলেন, তরুণ চার্টার্ড সেক্রেটারীগণের জন্য আজকের দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যময়। এ দিনটি তাঁদের জন্য এবং ইনষ্টিটিউটের জন্য গৌরবের। আমি নিশ্চিত যে, ইনষ্টিটিউটের সদস্যগণ বৃহত্তর ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অগ্রসেনানী হিসেবে কাজ করতে সক্ষম হবেন। তাঁরা এ লক্ষ্যে সরকারকেও সহযোগিতা প্রদান করতে পারেন। বাংলাদেশের ব্যবসা ও আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক পরিমন্ডলে তরুণ চার্টার্ড সেক্রেটারীগণ যুগান্তকারী মাইল ফলক হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে আমি দৃঢ় আশা পোষণ করি।

কনভোকেশন স্পিকার প্রফেসর আবদুল মান্নান বলেন, আমি আশা ও বিশ্বাস করি যে, এ ইনষ্টিটিউট থেকে উত্তীর্ণ তরুণ চার্টার্ড সেক্রেটারীগণ যে জ্ঞান ও শিক্ষা অর্জন করলেন তা তাঁদের স্ব স্ব কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগের মাধ্যমে জাতীয় জীবনে গুরত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবেন। এ ডিগ্রী তাঁদের ভবিষ্যৎ চলার পথে হবে আলোকবর্তিকা স্বরূপ।

আমি আরও বিশ্বাস করি যে, এ ডিগ্রী তরুণ পেশাদ্বারগণকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োজিত করার মাধ্যমে এ ইনষ্টিটিউটের ভাব মর্যাদাকে আরো শাণিত করে তুলবে। একটি বিশেষায়িত ডিগ্রী হিসেবে এটি তাঁদের ভবিষ্যৎ চলার পথ ও ক্যারিয়ার গঠনে শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে।

তরুণ পেশাজীবীগণ আজ জীবনের এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করলেন, সুতরাং তাঁদের মনে রাখতে হবে যে, তাঁদেরকে সুকঠিন বাস্তবতার অনেক গভীরে প্রবেশ করতে হবে। অনেক দুর্গম পথ পাড়ি দিতে হবে। কর্মক্ষেত্রে তাঁরা তাঁদের জ্ঞানের দ্বারা বার বার পরীক্ষিত হবেন এবং এভাবেই পেশগত উৎকর্ষ সাধনের পথ প্রশস্থ ও গতিময় হবে, হবে অবারিত।

আমি আশা করবো যে, কৃতিমান এ তরুণ বন্ধুরা কর্মক্ষেত্রে তাঁদের পেশগত মান ও নৈতিকতার পতাকা সদা উড্ডীন রাখবেন। গড়ে তুলবেন কর্পোরেট সুশাসন। এরাই সার্থক বাংলাদেশের আগাম দিনের ভিত নির্মাণের অকুতোভয় কারিগর।

 

পরিশেষে সন্ধ্যায়, ইন্সটিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারীজ অব বাংলাদেশ  এর ৩য় আইসিএসবি ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড, ২০১৫ ফর করপোরেট গভর্নেন্স এক্সসিলেন্স প্রদান অনুষ্ঠান হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা জনাব ড. মশিউর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ লি. এর চেয়ারম্যান ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এর সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ। স্বাগত ভাষণ দেন ইন্সটিটিউট এর প্রেসিডেন্ট জনাব মোহাম্মদ সানাউল্লাহ এফসিএস। আইসিএসবি সিজিই এওয়ার্ড চার্টার সম্পর্কে বক্তব্য উপস্থাপন করেন ইনস্টিটিউটের সাবেক প্রেসিডেন্ট জনাব মো. ইতরাত হোসেন এফসিএস।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা জনাব ড. মশিউর রহমান বলেনঃ আমি জেনে আনন্দিত হয়েছি যে, বিগত কয়েক বছর ধরে এ ইনষ্টিটিউট দেশের কোম্পানি সমূহে টেকসই সুশাসন প্রতিষ্ঠার মহান ব্রত নিয়ে কাজ করছে। আমি পুরস্কার বিজয়ী সবাইকে অভিনন্দন জানাই। এটি তাঁদের জন্য একটি স্মরনীয় অর্জন। সুষ্ঠু ও কার্যকর কর্পোরেট সুশাসন শুধুমাত্র আইনী কাঠামোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। বরং এ জন্য প্রয়োজন আত্ম-শৃংখলা এবং সুচারুরূপে ও ভারসাম্য রক্ষা করে দায়িত্ব পালন করে যাওয়া। এ ইনষ্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট কিছু দাবি পেশ করেছেন। আমি এগুলোর সাথে সম্পূর্ণ একমত। আমি বিদ্যমান কোম্পানি আইনের পরিবর্তনের প্রশ্নেও একমত। আমি আমার সাধ্যমত যতটুকু সম্ভব সবটুকু আন্তরিকভাবে করার চেষ্টা করব।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ লি. এর চেয়ারম্যান ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এর সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ। তিনি বলেনঃ- সুশাসন হলো একটি প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের চাবিকাঠি। সুশাসনের নীতিমালা কোন নতুন বিষয় নয়। সংক্ষেপে এটি হলো দুর্নীতিমুক্ত এমন এক ব্যবস্থাপনা যেখানে কতৃপক্ষ ও প্রতিষ্ঠান উভয়েই জবাবদিহির আওতাভুক্ত। এটি নির্ভর করে আইনের মান্যতার ওপর। তবে প্রকৃতিগতভাবে আইন যদি প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসা বান্ধব না হয় সেক্ষেত্রে উদ্ভুত দ্বন্দ্ব নিরসন করা কঠিন হয়ে পড়ে। তখন রাষ্ট্রের পুরো বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপনা হুমকির মুখে পড়ে।

এবার ৮ টি ক্যাটাগরিতে গোল্ড, সিলভার ও ব্রোঞ্জ পদক হিসেবে মোট ২৫ টি পুরস্কার প্রদান করা হয়। ক্যাটাগরিগুলো হচ্ছে- ক. ব্যাংকিং কোম্পানি খ. নন ব্যাংকিং ফাইন্যান্সিয়াল কোম্পানি গ. বিমা কোম্পানি ঘ. ফার্মাসিউটিক্যাল, ফুড এন্ড এলাইড কোম্পানি ঙ. টেক্সটাইলস্ ও তৈরি পোশাক কোম্পানি চ. আইটি, টেলিযোগাযোগ ও সেবা কোম্পানি ছ. প্রকৌশল, জ্বালানি ও শক্তি কোম্পানি, জ. উৎপাদন ও ক্যামিকেল কোম্পানি ।

১. ব্যাংকিং কোম্পানি ক্যাটাগরির আওতায় সেরা ব্যাংকের অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড। ইষ্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড এবং ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় সেরা প্রতিষ্ঠান হিসেবে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে।

২. নন ব্যাংকিং ফাইন্যান্সিয়াল কোম্পানি ক্যাটাগরিতে সেরা প্রতিষ্ঠানের অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেড। ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং ডেল্টা ব্র্যাক হ্উাজিং ফিনান্স কর্পোরেশন লিমিটেড যতাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় সেরা প্রতিষ্ঠান হিসেবে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে।

৩. বীমা কোম্পানি ক্যাটাগরিতে গ্রীন ডেল্টা ইনসিওরেন্স কোম্পানি লিমিটেড প্রথম সেরা প্রতিষ্ঠানের অ্যাওয়ার্ড, ফারইষ্ট ইসলামী লাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানি লিমিটেড দ্বিতীয় এবং রিলায়েন্স ইনসিওরেন্স লিমিটেড তৃতীয় সেরা প্রতিষ্ঠান হিসেবে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে।

৪. ফার্মাসিউটিক্যাল, ফুড এন্ড এলাইড কোম্পানি ক্যাটাগরিতে প্রথম সেরা প্রতিষ্ঠানের অ্যাওয়ার্ড পায় দি ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড। দ্বিতীয় ও তৃতীয় সেরা প্রতিষ্ঠান হিসেবে অ্যাওয়ার্ড পায় যথাক্রমে গোল্ডেন হারভেস্ট এগ্রো ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড ও দি একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড।

৫. টেক্সটাইলস্ ও তৈরি পোশাক কোম্পানি ক্যাটাগরিতে .মতিন স্পিনিং মিলস্ লিমিটেড প্রথম সেরা প্রতিষ্ঠানের অ্যাওয়ার্ড, ইনভয় টেক্সটাইলস্ লিমিটেড দ্বিতীয় এবং প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলস্ লিমিটেড তৃতীয় সেরা প্রতিষ্ঠান হিসেবে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে।

৬. আইটি, টেলিযোগাযোগ ও সেবা কোম্পানি ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড প্রথম সেরা প্রতিষ্ঠানের অ্যাওয়ার্ড, গ্রামীনফোন লিমিটেড দ্বিতীয় এবং ইষ্টার্ন হাউজিং লিমিটেড তৃতীয় সেরা প্রতিষ্ঠান হিসেবে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে।

৭. প্রকৌশল, জ্বালানি ও শক্তি কোম্পানি ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলস লিমিটেড প্রথম সেরা প্রতিষ্ঠানের অ্যাওয়ার্ড, সিংগার বাংলাদেশ লিমিটেড দ্বিতীয় এবং সামিট পাওয়ার লিমিটেড তৃতীয় সেরা প্রতিষ্ঠান হিসেবে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে।

৮. উৎপাদন ও ক্যামিকেল কোম্পানি ক্যাটাগরিতে ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো বাংলাদেশ কোম্পানী লিমিটেড প্রথম সেরা প্রতিষ্ঠানের অ্যাওয়ার্ড, মারিকো বাংলাদেশ লিমিটেড দ্বিতীয় এবং আরএকে সিরামিকস লি: ও হাইডেলবার্গ সিমেন্ট বাংলাদেশ লি: যৌথভাবে তৃতীয় সেরা প্রতিষ্ঠান হিসেবে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে।
পরিশেষে প্রধান অতিথি জুরি বোর্ড এর বিবেচনায় ৮ টি ক্যাটাগরিতে মোট ২৫ টি পুরস্কার বিজয়ীদের মাঝে সনদ ও ট্রফি বিতরণ করেন। এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে পুরস্কৃত করল আইসিএসবি। ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও ডিনার গ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

 

Related posts