September 20, 2018

অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশ সফরে নতুন জটিলতা

Captureস্পোর্টস ডেস্ক::

অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ডের সাথে খেলোয়াড়দের চুক্তি হওয়ার সময় প্রায় শেষ। তাই কাল থেকে বেকার(!) হয়ে যাবেন অসি জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। এমনই খবর আসছে অস্ট্রেলীয় সংবাদমাধ্যমে। আর এর মাধ্যমে আরেকবার অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হলো তাদের বাংলাদেশ সফরে।

কয়েক দিনের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের দক্ষিণ আফ্রিকা সফর করার কথা। এর পর অস্ট্রেলিয়া মূল দল টেস্ট খেলতে আসবে বাংলাদেশে। তার চেয়েও বড় কথা, এ বছরেই আছে অ্যাশেজ, যেটি অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে ‘আইকনিক’ সিরিজ। সব মিলিয়ে এখন একটি জটিল পর্যায়ে রয়েছে অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট।

এর সবগুলো নিয়েই দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। কারণ ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) সঙ্গে ক্রিকেটারদের সংগঠনের (এসিএ) এই বিরোধে শুধু জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা নন; সম্পৃক্ত সারা দেশের ক্রিকেটার। ফলে সিএর পক্ষে বিকল্প কোনো দলও তৈরি করা সম্ভব হবে না। আপাতত সবচেয়ে বড় সংকটে তাই পড়েছে অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের দক্ষিণ আফ্রিকা সফর। এটিই সবচেয়ে সামনে বলে।

অস্ট্রেলিয়া ’এ’ দলে ডাক পাওয়া ক্রিকেটারদের সোমবার রিপোর্ট করার কথা। অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের অধিনায়ক উসমান খাজাসহ আরও অনেক ক্রিকেটার আগের চুক্তির অধীনে ছিলেন, যে চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে আজ। এরই মধ্যে এই সিরিজের পূর্ণ প্রস্তুতি সেরে রেখেছে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ড। দুটি চার দিনের ম্যাচের পর এই সফরে একটি ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ হওয়ার কথা, যাতে যুক্ত হবে ভারতের ‘এ’ দল। এর মধ্যে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড মনীষ পাণ্ডেকে রেখে ১৬ সদস্যের দল ঘোষণা করে দিয়েছে। কিন্তু সবকিছু পড়ে গেল অনিশ্চয়তার মধ্যে।

বাংলাদেশ সফরের এখনো দেরি আছে। ১০ আগস্ট ক্রিকেটারদের ডারউইনে সমবেত হওয়ার কথা। সেখানে এক সপ্তাহের অনুশীলন শেষে ১৮ আগস্ট ঢাকার উদ্দেশে বিমানে উঠবেন স্টিভ স্মিথরা। এখনো প্রায় দেড় মাস সময় হাতে থাকলেও এই সফর নিয়েও দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।

কারণ বোর্ডের সঙ্গে চুক্তি না হলে খেলোয়াড়েরা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বদলে ঘরোয়া লিগগুলোতে খেলবেন বলে জানিয়ে দিয়েছেন। যার মধ্যে আইপিএল ছাড়াও আছে ক্যারিবীয় লিগ সিপিএল বা দক্ষিণ আফ্রিকা-ইংল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি লিগ। এর মধ্যে সিপিএল চলবে ৪ আগস্ট থেকে ১০ সেপ্টেম্বর, এর মধ্যেই আছে বাংলাদেশ সফরের সূচি। বাংলাদেশ সফর বাদ দিয়ে অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটাররা তাই সিপিএল খেলতে চলে যেতে পারেন।

ক্রিকেটারদের ছাড়া বোর্ড চলবে না, আবার বোর্ড ছাড়া ক্রিকেটাররাও অচল। কিন্তু দুই পক্ষই অনড় অবস্থানে আছে। এই অচলাবস্থা দ্রুত না কাটলে বাংলাদেশ সফর আবারও অনিশ্চয়তার চাদরে ঢাকা পড়বে। এমনিতেই এই সফর আগে এক দফা স্থগিত হয়েছিল।

Related posts