September 24, 2018

অর্থমন্ত্রীর এ কেমন ইংরেজি বলার স্টাইল!


ঢাকাঃ  আখ চাষের উচ্ছেদ চাইলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তার মতে, এই ফসল চাষ ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ তাই আমদানি করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

শনিবার রাজধানীর বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে ‘জাতীয় বাজেট ২০১৬-২০১৭: প্রেক্ষিত বাংলাদেশের কৃষি’ শীর্ষক আলোচনায় এসব কথা বলেন মুহিত। বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতি এ আলোচনার আয়োজন করে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের ইক্ষু চাষ নিয়ে চিন্তা করা উচিত। ইক্ষু শুড বি গেট আউট। কেননা এটা অনেক সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। এটা নয় মাস ধরে জমিতে থাকে। এই দীর্ঘ সময়ে জমির যাবতীয় উপাদান নষ্ট করে দেয়। তাই ব্যয়বহুল ও দীর্ঘ সময়ের চাষাবাদ চাইতে বাইরে থেকে পুরো চিনি ইমপোর্ট করা বুদ্ধিমানের কাজ।

ইক্ষু চাষ থেকে বের হয়ে আসার পক্ষে মত দিয়ে তিনি বলেন, আমাদের ছোট দেশে ফসলি জমির পরিমান খুব কম। এই অল্প জমিতে আমাদের উৎপাদন বাড়াতে হবে। ইক্ষু উৎপাদন থেকে আমাদের বেরিয়ে এসে অন্য কোনো কিছুর দিকে মনযোগ দিতে হবে। এই শস্য ছাড়া আমাদের অন্য জায়গায় যাওয়ার অনেক পথ আছে।

মুহিত বলেন, এক্ষেত্রে ভুট্টা আমাদের অত্যন্ত ভালো ফসল। এটার সবকিছুই আমাদের কাজে লাগে। নেক্সট ফাইভ ইয়ারসে ভুট্টা উৎপাদন আরো বাড়বে। এছাড়া তুলা উৎপাদনও আমাদের দেশে অনেক ভালো হয়। এমনকি সব রকমের ফসল এদেশের মাটিতে উৎপাদন করা সম্ভব। কোথায়ও কোথায়ও নাকি আঙ্গুর হচ্ছে। সিলেটে তো কমলার অনেক চাষাবাদ হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, কৃষিতে বিপ্লব হয়েছে সেটা স্বীকার করতে হবে। মজার বিষয় হলো, কৃষি খাতের মেজরিটি লোক অশিক্ষিত, কিন্তু তারা বুদ্ধিমান। তাদের দায়িত্বের ক্ষেত্রে, কৃষি উৎপাদনের ব্যাপারে তারা খুব যত্নবান।

একই অনুষ্ঠানে কৃষকদেরও ট্যাক্স দেয়ার আইন করার পক্ষে মত দেন অর্থমন্ত্রী।

বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির সভাপতি ও পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য শামসুল আলমের সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন- সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম খান, বাংলাদেশ এগ্রিকালচার রিসার্চ কাউন্সিলের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।

সূত্রঃ বাংলামেইল

Related posts