March 23, 2019

অবৈধ ক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করতেই ভারতকে ট্রানজিট—ন্যাপ

রিপন হোসেন
ঢাকা থেকেঃ
অবৈধ ক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করতেই সরকার ভারতকে ট্রানজিট প্রদান করেছে অভিযোগ করে এবং গভীর উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা প্রকাশ বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া আজ সোমবার এক বিবৃতিতে বলেছেন,

“অবৈধ সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য নজরানা হিসেবে ভারতকে ট্রানজিট প্রদান করছে। সরকারের যে টেরিফ কমিশন, যে ফি নির্ধারণ করেছিল সেটা ১ হাজার ৫৮ টাকার মতো। সেটা এখন ১৯২ টাকা করা হয়েছে প্রতি টনে। তার মানে কি দাড়ালো? এটা দেশের স্বাধীনতাকে বিক্রি করার নামান্তর নয় কি ? ছোট্ট একটা দেশে আমাদের নিজেদের চলাচলেই বিপন্ন। সেখানে আরেকটা দেশেকে তার পণ্য ব্যবহারের জন্য ট্রানজিট দেবেন, নদী পথে আসবেন সেই নদীতে পানি নেই। পানি তারা নিজেরাই আটকে রেখেছেন। সেখানে নাম মাত্র মূল্যে ট্রানজিট কেন? ট্রানজিট দেয়া মতো ছোট দেশ যে অবকাঠামো দরকার সেটা নেই। সেখানে আরেকটি দেশকে চলাচলের অনুমতিতে বিপন্ন পরিস্থিত সৃষ্টি হবে। সরকার নিজেরা টিকে থাকার জন্য এখানে সরকারের দেশের মানুষ সার্বভৌমত্ব কোনো কিছু আমলে নেননি।

বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেছেন, দেশবাসীকে অন্ধকারে রেখে ইতোমধ্যেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ বন্দরের জেটিতে ভারতীয় জাহাজ থেকে পণ্য খালাস করে ট্রাকে ভারতে নেয়া  শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের সড়কগুলো ভারতীয় ভারী যান-বাহন চলাচলের উপযোগী নয়। ভারতীয় ভারী যানবাহন চলাচলের উপযোগী সড়ক অবকাঠামো নির্মাণের পূর্বেই ভারতীয় ভারী যানবাহন চলাচল করলে বাংলাদেশের সড়কগুলো ভেঙ্গে যানবাহন চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে যাবে। এতে প্রতি বছরই সড়ক নির্মানের জন্য বাংলাদেশকে শত শত কোটি টাকা গচ্ছা দিতে হবে। এছাড়া বাংলাদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও বিঘ্নিত হবারও আশংকা রয়েছে বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করেন।

তারা বলেন, ভারতকে ট্রানজিট সুবিধা প্রদান করা হলে বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বা লের লক্ষ লক্ষ শ্রমিক বেকার হয়ে যাবে এবং ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্থ হবে। কিন্তু সরকার দেশের স্বার্থ উপেক্ষা করে এবং দেশের জনগণের মতামতের কোন তোয়াক্কা না করে সরকার একতরফা সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ভারতকে ট্রানজিট সুবিধা দেয়া শুরু করেছে।

নেতৃদ্বয় বলেন, বাংলাদেশের উপর দিয়ে ভারতকে ট্রানজিট সুবিধা দেয়ার মত জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে জাতীয়ভাবে অবশ্যই সংলাপ হওয়া উচিত। তাই জাতীয়ভাবে সংলাপ করে জাতীয় স্বার্থ অক্ষুন্ন রেখে জাতীয় ঐক্যমতের ভিত্তিতে এ বিষয় সিদ্ধান্ত নিতে হবে।”

দ্যা গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডটকম/রিপন/ডেরি ২১ জুন ২০১৬

Related posts