September 26, 2018

অপেক্ষা ২৬ ঘণ্টার বেশি নয়

অপেক্ষা আর মাত্র ২৬ ঘণ্টা

ডেস্ক রিপোর্টাঃ     মানবতাবিরোধী অপরাধী বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও  জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদকে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার জন্য সর্বোচ্চ ৪৮ ঘণ্টার বেশি সময় দেওয়া উচিত নয়। এমনটি জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

আইনমন্ত্রীর দেওয়া সময়ের হিসেব অনুযায়ী রায় কার্যকরে সরকার বড়জোর ২৬ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে পারে। ফাঁসির আদেশ কার্যকরের সময় গণনা ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে বলেও জানান আনিসুল হক।

আইনমন্ত্রীর মতে, ‘জেলখানায় আসামিদের রায় পড়ে শোনানোর পর থেকেই সময় গণণা শুরু হয়ে গেছে।’ সে হিসেবে বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ৯টার দিকে জেল কর্তৃপক্ষ দুই আসামিকে রায় পড়ে শোনানোর পর থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টা পর্যন্ত ২২ ঘণ্টা পার হয়ে গেছে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বাকি আছে আর ২৬ ঘণ্টা।

এদিকে, সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে জেলখানা সূত্রে জানা গেছে, ফাঁসি কার্যকরে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেও সর্বশেষ নির্দেশনা এখনও জেলাখানায় পৌঁছেনি।

অন্যদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, আসামিরা প্রাণভিক্ষা চাইবেন কি না সেই অপেক্ষায় আছেন তারা।

রিভিউ রায়ের আদেশ আসামিদের পড়ে শোনানোর পর থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে হয় জানিয়ে আনিসুল হক বলেন, ‘তাদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় তো আমরা দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে পারি না।’

শুক্রবার সন্ধ্যায় টেলিফোনে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে এই প্রতিবেদকের কথপোকথন-

যতটুকু জানা যাচ্ছে, বিচার শেষ হওয়া ফাঁসির দুই আসামি প্রাণভিক্ষা চাইবেন কি না তা জানাতে সময়ক্ষেপণ করছেন। এক্ষেত্রে সরকার কতক্ষণ অপেক্ষা করবে?

আনিসুল হক বলেন যতটুকু রিজেনেবল (সময়)।

কতক্ষণকে আপনি রিজেনেবল বলবেন? আমরা জানি, জেলকোড অনুযায়ী ফাঁসির আসামিরা সাত দিনের সময় পান।

আনিসুল হক বলেন এসব ক্ষেত্রে আমরা তো আর তাদের জন্য দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে পারি না। তাই আমাদের তো ২৪ ঘণ্টা থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এসব ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। ২৪ ঘণ্টা বা বড়জোর ৩৬ থেকে ৪৮ ঘণ্টার বেশি যাওয়া উচিত না।

দি গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডট কম/রিপন/ডেরি

Related posts