September 25, 2018

অদৃশ্য সুতার টান, ইসির যত ফাঁকা বুলি!

পৌর নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে মন্ত্রী-এমপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বললেও তা করছে না নির্বাচন কমিশন। বরং অদৃশ্য সুতার টানে উল্টো তাদের দায়মুক্তি দিয়েছে। বিভিন্ন সময় ইসি বলে আসছে, আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে এখন আর শোকচ করা হবে না। নেয়া হবে ডাইরেক্ট এ্যাকশন। কিন্ত এ্যাকশন নেয়া তো দুরের কথা, এসব ফাঁকাবুলি অদৃশ্য সুতার টানে পিছু হটে চলেছে।

বিভিন্ন সময়ে আচরণবিধি লংঘনের অভিযোগে ২২ জন মন্ত্রী-এমপির একটি তালিকা করে ব্যবস্থা নেয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল কমিশন। আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকের পর ওই উদ্যোগ থেকে সরে আসে ইসি। বৃহস্পতিবার রাতে দু’জন সংসদ সদস্যকে শুধু সতর্ক করে চিঠি দেয়া হয়। বাকি ২০ জন মন্ত্রী-এমপির বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি কমিশন। তবে সামনের দিনগুলোতে কোনো মন্ত্রী-এমপি আচরণবিধি লংঘন করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে ইসি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ আচরণবিধি লংঘনের ঢালাও অভিযোগে মন্ত্রী-এমপির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়ার অনুরোধ জানিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন মন্ত্রী-এমপিদের বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া থেকে সরে এসেছে। ইসি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

তবে আচরণবিধি ভঙ্গের বিষয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেন, কারও চেহারা দেখে নয়, যে আচরণবিধি ভঙ্গ করছে তার বিরুদ্ধেই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। ব্যবস্থা নিতে তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দিয়েছি। সবদিক থেকে আমরা কঠোর থাকব।

সূত্র জানায়, নির্বাচনে আচরণবিধি লংঘন ও নির্বাচন প্রভাবিত করার অভিযোগে ২৬ জন মন্ত্রী ও এমপির একটি তালিকা তৈরি করেছিল কমিশন সচিবালয়। তাদের মধ্যে তিনজনকে কমিশন সরাসরি শোকজ করলে তারা দুঃখ প্রকাশ করেন। কমিশন তাদেরকে সতর্ক করে ওই অভিযোগ নিষ্পত্তি করে দেয়। একজনের বিরুদ্ধে দু’বার আচরণবিধি লংঘনের অভিযোগ ওঠে।

বাকি ২১ জনের বিরুদ্ধে একবার করে আচরণবিধি লংঘনের অভিযোগ ওঠে। ২২ মন্ত্রী-এমপির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার পাশাপাশি বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করার অনুমোদন দেয় নির্বাচন কমিশন। একই সঙ্গে এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নিতে রিটার্নিং অফিসারদের চিঠি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

কিন্তু দুপুরের পর ওই সিদ্ধান্ত পাল্টে যায়। যাদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযোগ রয়েছে, তাদেরকে সতর্ক করে চিঠি দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এরই অংশ হিসেবে দু’জন সংসদ সদস্যকে সতর্ক করে চিঠি দেয়া হয়। তারা হলেন : সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের সংসদ সদস্য হাসিবুর রহমান স্বপন ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আবু জাহির। একই সঙ্গে সামনের দিনগুলোতে মন্ত্রী-এমপিরা আচরণবিধি লংঘন করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়ে সব জেলা প্রশাসক (জেলা ম্যাজিস্ট্রেট) ও রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়।

যদিও বুধবার নির্বাচন কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছিলেন, পৌর নির্বাচনে আচরণবিধি লংঘনকারীকে সতর্ক করে আর চিঠি দেয়া হবে না। কেউ আচরণবিধি লংঘন করলে তার বিরুদ্ধে ‘ডিরেক্ট অ্যাকশন’ নেয়া হবে। চিঠি দিয়ে সতর্ক করার বিষয় নয়, এখন অ্যাকশনের বিষয়।

বৃহস্পতিবার সিইসির সঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের বৈঠকে সংসদ সদস্যদের আচরণবিধি লংঘনের বিষয়ে আলোচনা হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ। বৈঠক শেষে তিনি বলেন, আমাদের কোনো সংসদ সদস্য যদি আচরণবিধি ভঙ্গ করেন, কমিশন তদন্ত করে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নিতে পারে। সিইসিকে আমরা বলেছি, আপনি অবশ্যই আচরণবিধি ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন। কোনো সংসদ সদস্য যদি ভোট চান, সরাসরি এমন কোনো তথ্য-প্রমাণ থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেন।

সূত্র আরও জানায়, আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগের তালিকায় রয়েছেন : স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম (সিরাজগঞ্জ-১), ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম (রাজশাহী-৬), তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু (কুষ্টিয়া-২), তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক (নাটোর-৩), সংসদ সদস্য নুরুজ্জামান আহমেদ (লালমনিরহাট-২), একেএম ফজলুল হক (শেরপুর-৩), আবদুর রহমান (ফরিদপুর-১), সোহরাব উদ্দিন (কিশোরগঞ্জ-২), আবদুল কুদ্দুস (নাটোর-৪), এমএ মালেক (ঢাকা-২০), মহীউদ্দীন খান আলমগীর (চাঁদপুর-১), নাহিম রাজ্জাক (শরীয়তপুর-৩), আয়শা ফেরদাউস (নোয়াখালী-৬), আবদুর রউফ (কুষ্টিয়া-৪), মমতাজ বেগম (মানিকগঞ্জ-২), “রুল আলম (চট্টগ্রাম-৪), নাজমুল হাসান (কিশোরগঞ্জ-৬), আনোয়ারুল আবেদীন খান (ময়মনসিংহ-৯), কবিরুল হক (নড়াইল-১) ও গোলাম মোস্তফা বিশ্বাস (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২)।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইসির কর্মকর্তারা বলেন, বাকি মন্ত্রী-এমপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার তেমন কোনো সুযোগ থাকছে না। কারণ হিসেবে তারা বলেন, আগামী ৩০ ডিসেম্বর ২৩৪ পৌরসভায় ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারিত রয়েছে। ভোটগ্রহণের ৩২ ঘণ্টা আগে প্রচারণা বন্ধের বিধান রয়েছে।

এ হিসাবে আগামী ২৮ ডিসেম্বর মধ্যরাতে সারা দেশে প্রচারণা বন্ধ হচ্ছে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ২০ মন্ত্রী-এমপিকে সতর্ক করে চিঠি দেয়ার কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি কমিশন। তারা বলেন, সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার ও শনিবার কমিশনাররা অফিস করবেন না। আগামী ২৭ ডিসেম্বর রোববার কমিশনাররা অফিস করলেও সোমবারই প্রচারণার সময় শেষ হচ্ছে। সুতরাং বাকিদের সতর্ক করা হলেও নির্বাচনী প্রচারের সময় শেষ হয়ে যাবে। তখন ওই চিঠির কার্যকারিতা থাকবে না।

ইসির কর্মকর্তারা জানান, পৌর নির্বাচনের আচরণবিধির ২২ ধারা অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, মন্ত্রী, চিফ হুইপ, ডেপুটি স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতা, সংসদ উপনেতা, বিরোধীদলীয় উপনেতা, হুইপ, উপমন্ত্রী বা তাদের সমমর্যাদার কোনো ব্যক্তি, সংসদ সদস্য ও সিটি কর্পোরেশন মেয়ররা নির্বাচনী প্রচারণা বা নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশ নিলে আচরণবিধি লংঘনের দায়ে অভিযুক্ত হবেন।

এ আচরণবিধি লংঘন করলে অনধিক ৬ মাসের কারাদ- অথবা অনধিক ৫০ হাজার টাকা অর্থদ- অথবা উভয় দন্ডের বিধান আছে ৩১ নম্বর ধারায়। আচরণবিধি লংঘনের অভিযোগে আইনে প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতাও আছে ইসির। এছাড়া কমিশনের নির্দেশে রিটার্নিং কর্মকর্তারা মন্ত্রী-এমপির বিরুদ্ধে আচরণবিধি লংঘনের দায়ে মামলা করতে পারেন।

এবার সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. হাসিবুর রহমান স্বপনকে দেয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, আপনি ৫ ডিসেম্বর শাহজাদপুর হাইস্কুল মাঠের মুক্তমঞ্চে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা সহকারী দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর পৌরসভার মেয়র পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের পক্ষে ভোট চেয়েছেন, যা পৌরসভা (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা, ২০১০-এর ১৩ বিধির দফা (ক) এবং ২২ বিধির উপবিধি (১)-এর সুস্পষ্ট লংঘন।’ এরপরই চিঠিতে ধারা ১৩ ও ২২-এ উল্লিখিত বিধি তুলে ধরা হয়। এরপর চিঠির শেষাংশে বলা হয়েছে, ‘আপনার এ ধরনের কার্যকলাপের জন্য মাননীয় নির্বাচন কমিশন আপনাকে সতর্ক করেছেন।

সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের স্বার্থে আচরণবিধি মেনে আপনি এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকবেন নতুবা আপনার দ্বারা আচরণবিধি লংঘিত হলে মাননীয় নির্বাচন কমিশন সরাসরি আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।’ মো. আবু জাহিরকে দেয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ পৌরসভায় মেয়র পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে ভোট চেয়ে আচরণবিধির ২২(১) ধারার সুস্পষ্ট লংঘন করেছেন। এরপর চিঠির শেষাংশে বলা হয়েছে, আপনার এ ধরনের কার্যকলাপের জন্য মাননীয় নির্বাচন কমিশন আপনাকে সতর্ক করেছেন।

ভবিষ্যতে বিধি লংঘনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা : বিগত দিনগুলোতে আচরণবিধি লংঘনের বিস্তর অভিযোগ উঠলেও মন্ত্রী-এমপিদের বিরুদ্ধে সাজামূলক তেমন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি কমিশন। তবে প্রচারের শেষ সময় আগামী ৪ দিন মন্ত্রী-এমপিসহ কেউ আচরণবিধি লংঘন করলেই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দিয়ে চিঠি দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, পৌরসভা নির্বাচনে কতিপয় এলাকায় আচরণবিধি লংঘিত হচ্ছে বলে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

কোনো কোনো এলাকায় সরকারি সুবিধাভোগী অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি আচরণবিধিমালা লংঘন করে প্রচার চালাচ্ছেন বলে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। নির্বাচন কমিশন পৌরসভা (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা, ২০১৫ কোনো এলাকায় লংঘিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করেছেন। জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো চিঠিতে উপরোক্ত বিষয় উল্লেখ করে আরও বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠান নিশ্চিত করার জন্য কোনো পৌরসভায় আচরণবিধি লংঘনের ঘটনা ঘটলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ ও মেজিস্ট্রেটদের কার্যক্রম আরও দৃশ্যমান করার নির্দেশ দিয়েছেন।

স্বস্তিতে সিইসি : পৌরসভা নির্বাচনে কমিশনের ভূমিকা নিয়ে সরকারি দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির পক্ষ থেকে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ। তিনি বলেছেন, সবাই যখন নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে, তাহলে বোঝা যায় আমরা সবার প্রতি অ্যাকশন নিচ্ছি। যারা আচরণবিধি ভঙ্গ করছে তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন সিইসি। তিনি আরও বলেন, কারও চেহারা দেখে নয়, যে আচরণবিধি ভঙ্গ করছে তার বিরুদ্ধেই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। কারও প্রতি সদয় নির্দয়ের প্রশ্ন নয়। আমরা আগেও বলেছি একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। আমরা এমপি মহোদয়দেরও শোকজ করেছি। তারা ক্ষমা চেয়ে বলেছেন, এরকম ভুল আর করবেন না। আমরা ওসিদেরও বদলি করছি, আমাদের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিচ্ছি। দায়িত্বে যে অবহেলা করবে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে আচরণবিধি ভঙ্গ যারা করেছে তাদের তালিকা চাওয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, না। আমরা এরকম কোনো চিঠি পাইনি। সুষ্ঠু নির্বাচন হবে বলে আপনি কতটুকু আশাবাদী সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, নির্বাচন অত্যন্ত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে বলেই আমি আশাবাদী।

কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেন, পৌর নির্বাচনে কোথাও কোথাও হানাহানি ও সংঘাত হচ্ছে। এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা। দুর্ভাগ্যবশত এই কালচারটা হয়ে গেছে। আবার গণমাধ্যমে একই বিষয় বারবার দেখানোর কারণেও অনেক সময় সংঘাতের বিষয়টি বেশি হচ্ছে বলে মনে হয়। তবে যত দিন যাবে পলিটিক্যাল কালচার ইমপ্রুভ করবে। একসময় এমন দিন আসবে কেন্দ্রে পুলিশ, বিজিবি ও র‌্যাবের টহলের প্রয়োজনও হবে না।

পর্যবেক্ষক সংস্থার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের আপত্তির বিষয়ে সিইসি বলেন, এ বিষয়ে কমিশন বৈঠকে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

আমাদের সময়
দি গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডট কম/রিপন/ডেরি

Related posts